বাণী
ঝরাফুল-বিছানো পথে এসো বিজন-বাসিনী। জোছনায় ছড়ায়ে হাসি এসো সুচারু-হাসিনী।। এসো জড়ায়ে তব তনুতে গোধূলী রামধনুতে, পাপিয়া-পিক-কূজনে গাহিয়া মধু-ভাষিণী।। ছন্দ-দোদুল্ গতি এসো নোটন্ কপোতী, বহায়ে মনের মরুতে আনন্দ-মন্দাকিনী।।
রাগ ও তাল
রাগঃ পিলু
তালঃ লাউনি
ঝরাফুল-বিছানো পথে এসো বিজন-বাসিনী। জোছনায় ছড়ায়ে হাসি এসো সুচারু-হাসিনী।। এসো জড়ায়ে তব তনুতে গোধূলী রামধনুতে, পাপিয়া-পিক-কূজনে গাহিয়া মধু-ভাষিণী।। ছন্দ-দোদুল্ গতি এসো নোটন্ কপোতী, বহায়ে মনের মরুতে আনন্দ-মন্দাকিনী।।
রাগঃ পিলু
তালঃ লাউনি
প্রভু সংসারেরি সোনার শিকল বেঁধো না আর পায় তোমার প্রেম ডোরে ত্রিভুবন স্বামী বাঁধ হে আমায়॥ সারা জীবন বোঝা বয়ে, এসেছি আজ ক্লান্ত হয়ে জুড়াতে হে শান্তি দাতা তোমার শীতল ছায়॥ হে নাথ যতদিন শক্তি ছিল বোঝা বহিবার হাসি মুখে বয়েছি নাথ তোমার দেওয়া ভার। শেষ হল আজ ভবের খেলা, কি দান দেব যাবার বেলা তোমার নামের ভেলায় যেন এ দীন তরে যায়॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আঁধার রাতে কে গো একেলা নয়ন-সলিলে ভাসালে ভেলা।। কাঁদিয়া কারে খোঁজ ওপারে আজো যে তোমার প্রভাত বেলা।। কি দুখে আজি যোগিনী সাজি’ আপনারে ল’য়ে এ হেলা-ফেলা।। সোনার কাঁকন ও দুটি করে হের গো জড়ায়ে মিনতি করে। খুলিয়া ধূলায় ফেলো না গো তায়, সাধিছে নূপুর চরণ ধ’রে। হের গো তীরে কাঁদিয়া ফিরে আজি ও-রূপের রঙের মেলা।।
রাগঃ দেশ-পিলু
তালঃ দাদ্রা
স্বরলিপিকার: কাজী নজরুল ইসলাম
১.

২.

সোনার হিন্দোলে কিশোর–কিশোরী দোলে ঝুলনের উৎসব রঙ্গে বিন্দু বিন্দু বারি অবিরত পড়ে ঝরি’ বাজে তাল জলদ মৃদঙ্গে।। জড়াইয়া শ্যামে দোলে ভীরু রাধা থির বিজুরি ডোরে মেঘ যেন বাঁধা পল্লব কোলে ফুলদলে দোলে (যেন) গোপীদল গোপীবল্লভ সঙ্গে।। উল্লাসে থরথর খরতর বহে বায় পুলকে ডালে ডালে কদম্ব শিহরায়। দৃষ্টিতে গোপীদের বৃষ্টির লাবনি আনন্দ উতরোল গাহে বৃন্দাবনী নূপুর মধুর বাজে যমুনা তরঙ্গে ঝুলনের উৎসব রঙ্গে।।
রাগঃ তিলক কামোদ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

আমি অগ্নি-শিখা, মোরে বাসিয়া ভালো। যদি চাও, তব অন্তরে প্রদীপ জ্বালো।। মোর দহন-জ্বালা র’বে আমারি বুকে, তব তিমির রাতে হ’ব রঙিন আলো।। হ’ব তোমার প্রেমে নব উদয়-রবি, আমি মুছাব প্রাণের তব বিষাদ-কালো।। ল’য়ে বহ্নি-দাহ, প্রিয়! করো না খেলা, কবে লাগিবে আগুন, হায়! ভাঙিবে মেলা। শেষে আমার মতো কেন মরিবে জ্ব’লে, তুমি মেঘের মায়া, শুধু সলিল ঢালো।। মোরে আঁচলে ঢেকে’ তুমি বাঁচালে ঝড়ে, আজ তুমিই আবার তা’রে নিভায়ো না লো।।
রাগঃ
তালঃ
ঐ ঘর ভোলানো সুরে কে গান গেয়ে যায় দূরে। তার সুরের সাথে সাথে মোর মন যেতে চায় উড়ে।। তা'র সহজ গলার তানে১ সে ফুল ফোটাতে জানে, তা'র সুরে ভাটির-টানে নব জোয়ার আসে ঘুরে।। তা'র সুরের অনুরাগে বুকে প্রণয়-বেদন জাগে; বনে ফুলের আগুন লাগে, ফুল সুধায় ওঠে পুরে।। বুঝি সুর-সোহাগে ওরি, পায় যৌবন কিশোরী, হিয়া বুঁদ হয়ে গো নেশায় তার পায়ে পায়ে ঘুরে।।
১. গানে
রাগঃ পিলু–ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ সাবিহা মাহ্বুব
