বাণী
আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল শক্তি-মাতাল বুনো পাগল থৈ থৈ তা তা থৈ থৈ নেচে আয় রে দৃপ্ত পায়। গিরি দরি বন ভাসায় যেমন পার্বতীয়া ঝর্নাজল। আন তীর ধনু বর্শা হান্ বাজা রে শিঙ্গা বাজা মাদল।।
নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
স্বরলিপি

আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল শক্তি-মাতাল বুনো পাগল থৈ থৈ তা তা থৈ থৈ নেচে আয় রে দৃপ্ত পায়। গিরি দরি বন ভাসায় যেমন পার্বতীয়া ঝর্নাজল। আন তীর ধনু বর্শা হান্ বাজা রে শিঙ্গা বাজা মাদল।।
নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

উপস্থাপকের বক্তব্যঃ [লেডিস্ এ্যান্ড জেন্টেল্ম্যান ! আজ আমাদের এই প্রীতি সম্মিলনে আপনারা যে অনুগ্রহ ক’রে যোগদান করেছেন, তার জন্য প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমি আপনাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজকের অনুষ্ঠানে সর্ব প্রথমেই আপনাদের অভিবাদন করবেন লোক-প্রিয় হাস্যরসিক শ্রী রঞ্জিত রায়। তিনি পরিবেশন করবেন ‘নাচের চুম্বক’। অর্থাৎ প্রত্যেক শ্রেণীর নৃত্যের সারটুকু। ইয়েস্ রেড়ি বয়, ওয়ান ! টু !!] লাম্ পম্ লাম্ পম্, লাম্ পম্ পম্ পম্ পম্ পম্ পম্ পম্। দুর্বল ডান্সের লম্-ফম্, ফম্ ঝম্-ফম্ ভুড়ি কম্-পম্ মারে ডম্ফাই দিল্লী বোম্বাই হনুলুলু হংকং॥ বাঁশের কঞ্চি এগার ইঞ্চি নাচে মেমের বোন্ঝি, হ্যাঁদা-খ্যাঁদার পরান ছ্যাঁদা, ভিজল ঘামে গেঞ্জি, তার ভিজল ঘামে গেঞ্জি। কেৎরে চক্ষু দেখে মট্কু, আরে ও-চামারু ছক্কু — সে চোম্ড়ায় দাড়ি গুম্ফম্॥ ল্যাংড়া-লেংড়ি হিল্লায় ঠেংরি, উস্খুস্, করে চ্যাংড়া-চেংড়ি। যেন এই ট্যাংরার হাটে গল্দা চিংড়ি ঝুড়িতে খেলে পিং-পং॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

খেলি আয় পুতুল-খেলা ব’য়ে যায় খেলার বেলা সই। বাবা ঐ যান আপিসে ভাবনা কিসের খোকারা দোলায় ঘুমোয় ঐ।। দাদা যান ইস্কুলেতে, মা খুড়ি মা রান্না করেন ঐ হেঁসেলে ঠানদি দাওয়ায় ঝীমায় ব’সে ফোকলা বদন মেলে। আয় লো ভুলি পঞ্চি টুলি পটলি খেঁদি কই।।
নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কার বাঁশরি বাজিল মেঠো সুরে মন উদাস করা দুপুরে (গো)। সখি কে কাহারে চায় আজো সুরে সুরে ঝুরে ঝুরে কাহারে ধেয়ায় মোর মন যেতে চায় বাঁশুরিয়ার সুরের দেশে উড়ে (গো)।। হেরি যেতে নদী পথে সে ভাঁট ফুলেরি মালা গেঁথে ভাসায় ভাটির স্রোতে (গো) আমার সাধ জাগে ঐ মালা যাহার দেখি সেই বঁধু রে (গো)।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

সেদিন নিশীথে মোর কানে কানে যে কথাটি গেছ বলে প্রথম মুকুল হয়ে সেই বাণী মালতী লতায় দোলে।। সে-কথাটি আবার শুনিবে বলিয়া আড়ি পাতে চাঁদ মেঘে লুকাইয়া চাহে চুপি চুপি পিয়াসি পাপিয়া ঘন পল্লব তলে।। বসে আছি সেই মালতী বিতানে আজ তুমি নাই কাছে — ম্লান মুখে পথ চাহে ফুলগুলি আঁধার বকুল গাছে। দখিনা বাতাস করে হায় হায় ঝরিছে কুসুম শুকনো পাতায় নিবু নিবু হল তোমার আশায় চাঁদের প্রদীপ জ্বলে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমার গহীন জলের নদী আমি তোমার জলে ভেসে রইলাম জনম অবধি।। ও ভাই তোমার বানে ভেসে গেল আমার বাঁধা ঘর আমি চরে এসে বস্লাম রে ভাই ভাসালে সে চর। এখন সব হারিয়ে তোমার জলে রে আমি ভাসি নিরবধি।। ঘর ভাঙিলে ঘর পাব ভাই ভাঙ্লে কেন মন ও ভাই হারালে আর পাওয়া না যায় মনেরি রতন। ও ভাই জোয়ারে মন ফেরে না আর রে ও সে ভাটিতে হারায় যদি।। তুমি যখন ভাঙ রে নদী (ভাঙ যখন কূল রে নদী) ভাঙ একই ধার আর মন যখন ভাঙ রে নদী দুই কূল ভাঙ তার ও ভাই চর পড়ে না মনের কূলে রে ও সে একবার সে ভাঙে যদি, ও ভাই একবার সে ভাঙে যদি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
