বাণী
এলে কি বঁধু ফুল-ভবনে। মেলিয়া পাখা নীল গগনে।। একা কিশোরী লাজ বিসরি’ তোমারে স্মরি সঙ্গোপনে, এসো গোধূলির রাঙা লগনে।। পাতার আসন শাখায় পাত, বালিকা কলির মালিকা গাঁথ, দিনু গন্ধ-লিপি ভোর-পবনে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
এলে কি বঁধু ফুল-ভবনে। মেলিয়া পাখা নীল গগনে।। একা কিশোরী লাজ বিসরি’ তোমারে স্মরি সঙ্গোপনে, এসো গোধূলির রাঙা লগনে।। পাতার আসন শাখায় পাত, বালিকা কলির মালিকা গাঁথ, দিনু গন্ধ-লিপি ভোর-পবনে।।
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
কে এলে হংস-রথে, কোথা যাও? তার লিপি এনেছ কি? দাও মোরে দাও।। যা’র বিরহে মোর হৃদয়-কমল অশ্রু-সরসী-নীরে কাঁপে টলমল, শুনেছি তার সাথে তুমি কথা কও — কার কথা হয় সেথা — শোনাও শোনাও।। আনন্দ-দূত তুমি, লিপি আন নাই? দেখিতে কি আসিয়াছ — কত দুঃখ পাই? সে এত প্রেম দিয়ে কেন লুকিয়ে থাকে কেন দেখা দেয় না এত যে ডাকে, কেন মোর আর ভালো লাগে না কিছুই? মনে ক’রে বলো যদি তার দেখা পাও।।
রাগঃ
তালঃ
বিধুর তব অধর-কোণে মধুর হাসির রেখা। তারি লাগি' ভিখারি মন ফেরে একা একা।। সজাগ হয়ে আছে শ্রবণ, থির হয়েছে অধীর পবন। তুমি কথা কইবে কখন গাইবে কুহু কেকা।। কখন তুমি চাইবে, প্রিয়া, সলাজ অনুরাগে। তিমির-তীরে অরুণ ঊষা তারি আশায় জাগে। কেমন ক'রে চাঁদ যে টানে — সিন্ধু জানে, জোয়ার জানে — দেখিতে আসি, আসিনিকো দিতে তোমায় দেখা।।
নাটক: ‘চক্রব্যূহ’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ওরে আজ ভারতের নব যাত্রা পথের বাঁশি বাজলো, বাজলো বাঁশি ফেলে তরুর ছায়া ভুলে ঘরের মায়া এলো তরুণ পথিক ছুটে রাশি রাশি॥ তারা আকাশকে আজ চাহে লুটে নিতে তারা মন্থর ধরায় চাহে দুলিয়ে দিতে তারা তরুণ তরুণ প্রাণ জাগায় মৃতে সাহস জাগায় চিতে তাদের অট্টহাসি॥ মোরা প্রাচীরের পরে রে প্রাচীর তুলে ভাই হয়ে ভাইকে হায় ছিলাম ভুলে। আজ ভেঙে প্রাচীর হল ঘরের বাহির একই অঙ্গনে দাঁড়ালো উন্নত শির এলো মুক্ত গগন তলে প্রাণ পিয়াসি এলো তরুণ পথিক ছুটে রাশি রাশি॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

এসো ঠাকুর মহুয়া বনে ছেড়ে বৃন্দাবন, ধেনু দেব বেণু দেব মালা চন্দন॥ কেঁদে কেঁদে কয়লা খাদে যমুনা বহাব; পলাশ বনে জাগরণে নিশি পোহাব রাধা হয়ে বাঁধা দেব আমর প্রাণ মন॥ মোর নটকান রঙ শাড়ির আঁচল ছিঁড়ে, পীত ধড়া পরাব, নীল অঙ্গ ঘিরে। পিয়াল ডালে দোলনা বেঁধে দুলিব দুজন॥ ভাসুর-শ্বশুর দ্যাখে যদি করব নাকো লাজ বলব আমার শ্যামের বাঁশি বাজ রে আবার বাজ শ্যাম তোমার লাগি জাতি কুল দিব বিসর্জন।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

দাঁড়ালে দুয়ারে মোর কে তুমি ভিখারিনী। গাহিয়া সজল চোখে বেলা-শেষের রাগিণী॥ মিনতি-ভরা আঁখি ওগো কে তুমি ঝড়ের পাখি (ওগো) কি দিয়ে জুড়াই ব্যথা কেমনে কোথায় রাখি কোন্ প্রিয় নামে ডাকি’ মান ভাঙাব মানিনী॥ বুকে তোমায় রাখতে প্রিয় চোখে আমার বারি ঝরে, (ওগো) চোখে যদি রাখিতে চাই বুকে উঠে ব্যথা ভ’রে। যত দেখি তত হায়, ওগো পিপাসা বাড়িয়া যায় কে তুমি যাদুকরী স্বপন-মরু-চারিণী॥
রাগঃ পাহাড়ি মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ সুজিত মুস্তাফা
