বাণী
আজি পূর্ণশশী কেন মেঘে ঢাকা। মোরে স্মরিয়া রাধিকাও হ’ল কি বাঁকা।। কেন অভিমান-শিশিরে মাখা কমল, কাজল-উজল-চোখে কেন এত জল, লহ মুরলী হরি লহ শিখী-পাখা।
রাগ ও তাল
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ
আজি পূর্ণশশী কেন মেঘে ঢাকা। মোরে স্মরিয়া রাধিকাও হ’ল কি বাঁকা।। কেন অভিমান-শিশিরে মাখা কমল, কাজল-উজল-চোখে কেন এত জল, লহ মুরলী হরি লহ শিখী-পাখা।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ
উঠাও ডেরা এবার দূরে যেতে হবে। নিবিড় হলে মনের বাঁধন গভীর ব্যথা পেতে হবে।। কোথায় শূন্য মরুভূমি ডাকো মোদের ডাকো তুমি, চিড়িয়াখানায় সিংহ গেলে নিঠুর চাবুক খেতে হবে।। বেদের মেয়ের চোখের জল বনের ঝরা ফুল বেদের মেয়ে কাঁদে ভাসে নদীর দু’কূল।
নাটিকা : ‘বনের বেদে’
রাগঃ
তালঃ
চঞ্চল ঝর্না সম হে প্রিয়তম আসিলে মোর জীবনে। নীরব মনের উপবন মর্মরি’ উঠিল অধীর হরষণে।। যে মুকুল ঘুমায়ে ছিল পত্রপুটে অনুরাগে ফুল হয়ে উঠিল ফুটে, তনুর কূলে কূলে ছন্দ উঠিল দুলে আকুল শিহরণে।। অলকানন্দা হ’তে রসের ধারা তুমি আনিলে বহি’, অশান্ত সুরে একি গাহিলে গান, হে দূর বিরহী। মায়ামৃগ তুমি হেসে চ’লে যাও তব কূলে যে কাঁদে তারে ফিরে নাহি চাও, কত বন ভূমিরে আঁখি-নীরে ভাসাও — হে উদাসীন আনমনে।।
রাগঃ
তালঃ
যাবি কে মদিনায় আয় ত্বরা করি'। তোর খেয়া ঘাটে এলো পুণ্য তরী।। আবুবকর, উমর খাত্তাব, উসমান, আলী হায়দর দাঁড়ি এ সোনার তরণীর, পাপী সব নাই নাই আর ডর। এ তরীর কাণ্ডারি আহমদ, পাকা সব মাঝি ও মাল্লা, মাঝিদের মুখে সারিগান শোন ঐ 'লা শরীক আল্লাহ'। পাপ-দরিয়ার তুফানে আর নাহি ডরি।। ঈমানের পারানি কড়ি আছে যার আয় এ সোনার নায় — ধরিয়া দ্বীনের রশি কলেমার জাহাজ-ঘাটায়। ফিরদাউস হ’তে ডাকে হুরী-পরী।।
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

ধর্মের পথে শহীদ যাহারা আমরা সেই সে জাতি সাম্য-মৈত্রী এনেছি আমরা বিশ্বে করেছি জ্ঞাতি।। পাপ-বিদগ্ধ তৃষিত ধরার লাগিয়া আনিল যাঁরা মরুর তপ্ত বক্ষ নিঙাড়ি শীতল শান্তি-ধারা উচ্চ-নীচের ভেদ ভাঙি দিল সবারো বক্ষ পাতি’।। কেবল মুসলমানের লাগিয়া আসেনি’ক ইসলাম সত্যে যে চায় আল্লায় মানে মুসলিম তারি নাম আমির ফকিরে ভেদ নাই — সবে ভাই, সব এক সাথি।। নারীরে প্রথম দিয়াছি মুক্তি, নর্ সম অধিকার মানুষের গড়া প্রাচীর ভাঙিয়া করিয়াছি একাকার। আধার রাতির বোরখা উতারি এনেছি আশার-ভাতি।।
হামদ্ নাত
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
শিল্পীঃ

পরো সখি মধুর বধূ-বেশ বাঁধো আকুল চাঁচর কেশ।। বাঁকা ভুরুর মাঝে পর খয়েরি টিপ বকুল-বেলার হার, ছাড় মলিন বাস শাড়ি চাঁপা রং পর পর আবার। অধর রাঙাও সলাজ হাসিতে মোছ নয়ন-ধার — বিদেশী বন্ধু তোমারে স্মরিয়া ফিরে এলো নিজ দেশ।। মিলন-দিনে আর সাজে না মুখ-ভার ভোলো ভোলো অভিমান, মধুরে ডাক কাছে তায়, জুড়াও তাপিত প্রাণ। অরুণ-রাঙা হোক অনুরাগের রঙে করুণ সজল নয়ান — মরম বীণায় উঠুক বাজিয়া মিলন-মধুর রেশ।।
রাগঃ
তালঃ