চ্যল চ্যল চ্যল ন্যওয্যওয়ান

বাণী

চ্যল চ্যল চ্যল ন্যওয্যওয়ান চ্যল্।
ফ্যত্‌হেকি হো ফৌজ তুম্
ব্যহর্ কি হো মৌজ তুম্
ব্যখত্‌কে হো অওজ তুম্
		তুম্‌মে হ্যায় জোর ব্যল্।।
চাক হ্যায় শ্যব কি ন্যকাব
ছোড় দো গ্যফল্যত কা খবাব,
নিকলা ওহ লো আফতাব —
		তুম্‌ভি হো গ্যরমে অ্যস্যল।।
ফ্যয়লনে কো বেকরার
সুরতে নূর অ্যওর নার,
জ্যল জ্যলা আফজা পুকার —
		জলমকি ব্যনফ্যর অ্যম্যল।।
চ্যল মচাকে শোর সাফে দুশম্যন কো তোড় ফোড়
উঠ খ্যড়ে হো সুব্ আজাঁ গ্যফিলিয়ত্ কো ছোড়,
হিম্মত না হারানা আযায়ে গ্যর অ্যয্যল।।

ঝুলে কদমকে ডারকে ঝুলনা পে

বাণী

ঝুলে কদমকে ডারকে ঝুলনা পে কিশোরী কিশোর।
দেখে দোউ এক এককে মুখকো চন্দ্রমা চকোর,
য্যায়সে চন্দ্রমা চকোর হোকে প্রেম নেশা বিভোর।।
মেঘ মৃদং বাজে ওহি ঝুলনাকে ছন্দ্‌ মে
রিম্‌ঝিম্‌ বাদর বরসে আনন্দ্‌ মে,
দেখনে যুগল শ্রীমুখ চন্দকো গগন ঘেরি ঘনঘটা ঘোর।।
নব নীর বরসনে কো চাতকিনী চায়
ওয়সে গোপী ঘনশ্যাম দেখ তৃষ্ণা মিটায়,
সব দেবদেবী বন্দনা গীত গায় — 
ঝরে বরসামে ত্রিভুবনকি প্রেমাশ্রুলোর।।

এলো শোকের সেই মোহর্‌রম কারবালার

বাণী

এলো শোকের সেই মোহর্‌রম কারবালার স্মৃতি ল’য়ে।
কাঁদিছে বিশ্বের মুসলিম সেই ব্যথায় বেতাব হয়ে।।
মনে পড়ে আসগরে আজি পিয়াসা দুধের বাচ্চায়
পানি চাহিয়া পেল শাহাদৎ হোসেনের বুকে র’য়ে।।
একহাতে বিবাহের কাঙন একহাতে কাশেমের লাশ,
বেহোঁশ্ খিমাতে সকিনা অসহ বেদনা স’য়ে।।
পাশে শহীদ কাঁদে বীর জব্বার পানির মশক মুখে
হল শহীদ কাঁদে জয়নব কুলসুম আকুল হয়ে।।
শূন্য পিঠে কাঁদে দুলদুল্ হজরত হোসেন শহীদ্,
ঝরিতেছে শোকের বারিষ্ আসমান জমিন ছেয়ে।।

সকাল হ'ল শোন রে আজান

বাণী

সকাল হ'ল শোন রে আজান
	ওঠ রে শয্যা ছাড়ি'
তুই মসজিদে চল দ্বীনের কাজে
	ভোল দুনিয়াদারি।।

ওজু করে ফেল রে ধুয়ে
	নিশীথ রাতের গ্লানি
সিজদা করে জায়নামাজে
	ফেল রে চোখের পানি;
খোদার নামে সারাদিনের
	কাজ হবে না ভারী।।

নামাজ প'ড়ে দু'হাত তুলে
	প্রার্থনা কর তুই -
ফুল-ফসলে ভ'রে উঠুক
	সকল চাষির ভূঁই
সকল লোকের মুখে হোক
	আল্লার নাম জারী।।

ছেলে-মেয়ে সংসার-ভার
	সঁপে দে আল্লারে
নবীজীর দোয়া ভিক্ষা কর
	কর রে বারে বারে;
তোর হেসে নিশি প্রভাত হবে
	সুখে দিবি পাড়ি।।

বনের মনের কথা ফুল হয়ে

বাণী

বনের মনের কথা ফুল হয়ে জাগে।
কয় না সে কথা তবু তারে ভালো লাগে।।
	শ্যাম পল্লবে তনু ছেয়ে যায়,
	ভরে ওঠে সুরভিত সুষমায়।
ফুটে ওঠে তার না বলা বাণী রক্তিম অনুরাগে।।
বন মর্মরে সেই মৌনীর শুনি মৃদু গুঞ্জন
ললিতার মত তার ভালোবাসা, গভীর-চির গোপন।
	যত সে নিজেরে লুকাইতে চায়,
	তত মধু তার উছলিয়া যায়।
কত সে পলাশে, কত সে অশোকে কত কুঙ্কুম ফাগে।।

তুমি নন্দন-পথ ভোলা

বাণী

তুমি নন্দন-পথ ভোলা।।
তুমি মন্দাকিনী-ধারা উতরোলা।।
তোমার প্রাণের পরশ লেগে
কুঁড়ির বুকে মধু উঠ্‌ল জেগে,
দোলন-চাঁপায় লাগে দোলা।।
তোমারে হেরিয়া পুলকে ওঠে ডাকি’
বকুল বনের ঘুমহারা পাখি,
ধরার চাঁদ তুমি চির-উতলা।।