বাণী
তিলক দিলে কি শ্যাম ত্রিলোক ভুলাতে? কে দিল বনমালী বনমালা গলাতে? আঁখি যেন ঢলঢল আধফোটা শতদল কে শিখাল ও চাহনি গোপিনী ছলিতে?
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
তিলক দিলে কি শ্যাম ত্রিলোক ভুলাতে? কে দিল বনমালী বনমালা গলাতে? আঁখি যেন ঢলঢল আধফোটা শতদল কে শিখাল ও চাহনি গোপিনী ছলিতে?
রাগঃ
তালঃ
আমার মা ত্বং হি তারা তুমি ত্রিগুণধরা পরাৎপরা মা ত্বং হি তারা। আমি জানি মা ও দীনদয়াময়ী তুমি দুর্গমেতে দুঃখহরা, মা ত্বং হি তারা। তুমি জলে তুমি স্থলে তুমি আদ্যমূলে গো মা, আছ সর্বঘটে অর্ঘ্যপুটে সাকার আকার নিরাকারা মা ত্বং হি তারা। তুমি সন্ধ্যা তুমি গায়ত্রী তুমি জগদ্ধাত্রী গো মা অকুলের প্রাণকর্ত্রী সদা শিবের মনোহরা। মা ত্বং হি তারা।।
রাগঃ
তালঃ
একলা গানের পায়রা উড়াই। সে কাছে নাই গো সে কাছে নাই।। চাঁদ ভালো লাগে না, তার চেনা কার যেন ইহুদী মাক্ড়ি, সে কেন কাছে নাই, অভিমানে ঝ’রে যায় গোলাপের পাপ্ড়ি। ফিরোজা আকাশের জাফ্রানি জোছনায় মন ভরে না, কি যেন চাই গো কি যেন চাই।।
সঙ্গীতালেখ্য : ‘কাফেলা’
রাগঃ
তালঃ
শ্মশানে জাগিছে শ্যামা অন্তিমে সন্তানে নিতে কোলে জননী শান্তিময়ী বসিয়া আছে ঐ চিতার আগুণ ঢেকে স্নেহ–আঁচলে। সন্তানে দিতে কোল ছাড়ি’ সুখ কৈলাস বরাভয় রূপে মা শ্মশানে করেন বাস, কি ভয় শ্মশানে শান্তিতে যেখানে ঘুমাবি জননীর চরণ–তলে।। জ্বলিয়া মরিলি কে সংসার জ্বালায় তাহারে ডাকিছে মা ‘কোলে আয়, কোলে আয়’ জীবনে শ্রান্ত ওরে ঘুম পাড়াইতে তোরে কোলে তুলে নেয় মা মরণেরি ছলে।।
রাগঃ কৌশী
তালঃ ত্রিতাল

তুমি শুনিতে চেয়ো না আমার মনের কথা দখিনা বাতাস ইঙ্গিতে বোঝে কহে যাহা বনলতা।। চুপ ক'রে চাঁদ সুদুর গগনে মহা-সাগরের ক্রন্দন শোনে, ভ্রমর কাদিঁয়া ভাঙিতে পারে না কুসুমের নীরবতা।। মনের কথা কি মুখে সব বলা যায়? রাতের আঁধারে যত তারা ফোটে আঁখি কি দেখিতে পায়? পাখায় পাখায় বাঁধা যবে রয় বিহগ-মিথুন কথা নাহি কয়, মধুকর যবে ফুলে মধু পায় রহে না চঞ্চলতা।।
গীতিচিত্রঃ ‘অতনুর দেশ’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

[ওমা — ভুঁড়ি নিয়ে গেলাম মা — ওমা — মা-মা-মা] দয়া ক’রে দয়াময়ী ফাঁসিয়ে দে এই ভুঁড়ি এ ভুঁড়ি তো নয় ভূধর যেন উদর প্রদেশ জুড়ি॥ ক্রমেই ভুঁড়ির পরিধি মা যাচ্ছে ছেড়ে দেহের সীমা আমার হাত পা রইল বাঙালি ওমা পেট হল ভোজপুরী॥ উপুড় হতে নারি মাগো সর্বদা চিৎপাৎ ভয় লাগে কাৎ হলেই বুঝি হব কুপোকাৎ শালীরা কয় হায় রে বিধি রোলার বিয়ে করলেন দিদি গুঁড়ি ভেবে ঠেস দেয় কেউ কেউ দেয় সুড়সুড়ি॥ (আর) ভুঁড়ি চলে আগে আগে আমি চলি পিছে কুমড়ো গড়ান গড়িয়ে পড়ি নামতে সিঁড়ির নীচে। পেট কি ক্রমে ফুলে ফেঁপে উঠবে মাগো মাথা ছেপে (ওগো) কেউ নাদা কয় কেউ গম্বুজ (বলে) কেউবা গোবর ঝুড়ি। গাড়িতে মা যেই উঠেছি ভুঁড়ি লাগায় লম্ফ ভুমিকম্পের চেয়েও ভীষণ আমার ভুঁড়ি কম্প। সার্ট ক্রমে পেটে এঁটে গেঞ্জি হয়ে গেল সেঁটে দে ভুঁড়ির ময়দা ফেটে হাত পা গুলো ছুড়ি হালকা হয়ে মনের সুখে হাত পা গুলো ছুড়ি এই ভুঁড়ির ময়দা ফেটে দে ফায়দা কি আর এই ভুঁড়িতে ময়দা ফেটে দে হালকা হয়ে মনের সুখে ওমা, হাত-পাগুলো ছুড়ি॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা