বাণী
গুঞ্জা-মঞ্জরি-মালা। অঞ্চলে শুকায় অভিমানে কালা।। সহিতে পারি না আর তোমার বিরহ ধর গিরিধারী মোর বেদনা অসহ, ভোলাও নীরদ-ঘন-শ্যাম-কৃষ্ণ! তৃষ্ণার জ্বালা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ মালগুঞ্জ
তালঃ
গুঞ্জা-মঞ্জরি-মালা। অঞ্চলে শুকায় অভিমানে কালা।। সহিতে পারি না আর তোমার বিরহ ধর গিরিধারী মোর বেদনা অসহ, ভোলাও নীরদ-ঘন-শ্যাম-কৃষ্ণ! তৃষ্ণার জ্বালা।।
রাগঃ মালগুঞ্জ
তালঃ
ত্রিংশ কোটি তব সন্তান ডাকে তোরে ভুলে আছিস দেশ জননী কেমন ক’রে॥ ব্যথিত বুকে মাগো তোমার মন্দির গড়ি করি পূজা আরতি মাগো যুগ যুগ ধরি’ ধূপ পুড়িয়া মাগো চন্দন শুকায়ে যায় এসো মা এসো পুন রানীর মুকুট প’রে॥ দুঃখের পসরা মা আর যে বহিতে নারি কাঁদিয়া কাঁদিয়া শুকায়েছে আঁখি-বারি এ গ্লানি লাজ মাগো সহিতে নাহি পারি বিশ্ব বন্দিতা এসো দুখ-নিশি-ভোরে॥ অতীত মহিমা ল’য়ে এসো মহিমাময়ী হীনবল সন্তানে কর মা ভুবনজয়ী দুখ তপস্যা মা কবে তব হবে শেষ আয় মা নব আশা রবির প্রদীপ ধ’রে॥
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল

নতুন পাতার নূপুর বাজে দখিনা বায়ে কে এলে গো, কে এলে গো চপল পায়ে।। ছায়া-ঢাকা আমের ডালে চপল আঁখি উঠ্ল ডাকি' বনের পাখি — উঠ্ল ডাকি'। নতুন চাঁদের জোছনা মাখি সোনাল শাখায় দোল দুলায়ে কে এলে গো, কে এলে গো চপল পায়ে।। সুনীল তোমার ডাগর চোখের দৃষ্টি পিয়ে সাগর দোলে, আকাশ ওঠে ঝিল্মিলিয়ে। পিয়াল বনে উঠল বাজি তোমার বেণু ছড়ায় পথে কৃষ্ণচূড়া পরাগ-রেণু। ময়ূর-পাখা বুলিয়ে চোখে কে দিলে গো ঘুম ভাঙায়ে। কে এলে গো চপল পায়ে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

আমার গহীন জলের নদী আমি তোমার জলে ভেসে রইলাম জনম অবধি।। ও ভাই তোমার বানে ভেসে গেল আমার বাঁধা ঘর আমি চরে এসে বস্লাম রে ভাই ভাসালে সে চর। এখন সব হারিয়ে তোমার জলে রে আমি ভাসি নিরবধি।। ঘর ভাঙিলে ঘর পাব ভাই ভাঙ্লে কেন মন ও ভাই হারালে আর পাওয়া না যায় মনেরি রতন। ও ভাই জোয়ারে মন ফেরে না আর রে ও সে ভাটিতে হারায় যদি।। তুমি যখন ভাঙ রে নদী (ভাঙ যখন কূল রে নদী) ভাঙ একই ধার আর মন যখন ভাঙ রে নদী দুই কূল ভাঙ তার ও ভাই চর পড়ে না মনের কূলে রে ও সে একবার সে ভাঙে যদি, ও ভাই একবার সে ভাঙে যদি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

শ্রীকৃষ্ণ নামের তরীতে কে হবি পার কৃষ্ণ নামের তরীতে! তরাইতে পাপী পতিত মানবে এলো তরী ভব-নদীতে।। ডাকিছে আর্তজনে বাঁশির সুরে নাইয়া কানাইয়া ‘আয় আয়’ ব’লে মধুর নামের তরী টলমল দোলে আশ্রিতে পারে নিতে।। ঘন দুর্দিন-ঘেরা আঁধার সংসার নাম প্রদীপ আশার; জপ প্রেম-ভরে তাঁহারই প্রিয় নাম (তরঙ্গে) তরী ডুবিবে না আর। তাঁর নাম পারের তরী, কান্ডারি শ্রীচরণ শরণ নে রে তোরা তাঁরই নামের আলোকে যাবি রে গোলকে নাম গাহিতে গাহিতে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

দারুণ পিপাসায় মায়া-মরীচিকায় চাহিতে এলি জল বনের হরিণী। দগ্ধ মরুতল কে তোরে দেবে জল ঝরিবে আঁখি-নীর তোরই নিশিদিনই।। নিবায়ে গৃহ-দীপ আপন-নিশাসে আলেয়ার পিছে এলি সুখ-আশে, সে-সুখ অবসান সুমুখেতে শ্মশান — পিছনে অন্ধকার চির-নিশীথিনী।। কেন তুই বনফুল বিলাস-কাননে করিয়া পথ ভুল এলি অকারণে। ছিঁড়ে সাঁঝে তোরে মালা গাঁথি’ ভোরে দ’লিল বিলাসী পথ-ধূলি সনে। সন্ধ্যা-গোধূলির রাঙা রূপে ভুলে’ আসিলি এ কোথায় তমসার কূলে। শ্রাবণ-মেঘ হায় ভাবিয়া কুয়াশায় হারালি পথ তোর রে হতভাগিনী।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ একতাল