বাণী
ওঁ শঙ্কর হর হর শিব সুন্দর। কোটি ভাস্কর জ্যোতি শূলপাণি নটবর।। রজত গিরিনিভ কান্তি মনোহর। জটা ভূষণ ত্রিনয়ন শশীশেখর।। বাঘাম্বর যোগীন্দ্র ডমরুধর। প্রসীদ আশুতোষ রুদ্র মহেশ্বর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ওঁ শঙ্কর হর হর শিব সুন্দর। কোটি ভাস্কর জ্যোতি শূলপাণি নটবর।। রজত গিরিনিভ কান্তি মনোহর। জটা ভূষণ ত্রিনয়ন শশীশেখর।। বাঘাম্বর যোগীন্দ্র ডমরুধর। প্রসীদ আশুতোষ রুদ্র মহেশ্বর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
মনের রঙ লেগেছে বনের পলাশ জবা অশোকে রঙের ঘোর জেগেছে পারুল কনক-চাঁপার চোখে।। মুহু মুহু বোলে কুহু কুহু কোয়েলা, মুকুলিত আমের ডালে গাল রেখে ফুলের গালে। দোয়েলা দোল দিয়ে যায়, ডালিম ফুলের নব-কোরকে।। ফুলের পরাগ ফাগের রেণু ঝুরু ঝুরু ঝরিছে গায়ে ঝিরি ঝিরি চৈতী বায়ে বকুল বনে ঝিমায় মধুপ মদির নেশার ঝোঁকে।। হরিত বনে হরষিত মনে হোরির হর্রা জাগে রঙিলা অনুরাগে নূতন প্রণয়-সাধ জাগে চাঁদের রাঙা আলোকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ শিরিন আখতার

আমি নামের নেশায় শিশুর মতো ডাকি গো মা ব'লে নাই দিলি তুই সাড়া মা গো নাই নিলি তুই কোলে।। শুনলে 'মা' নাম জেগে উঠি ব্যাকুল হয়ে বাইরে ছুটি মাগো ঐ নামে মোর নয়ন দু'টি ভ'রে ওঠে জলে।। ও নাম আমার মুখের বুলি ও নাম খেলার সাথি ও নাম বুকে জড়িয়ে ধ'রে পোহাই দুখের রাতি। মা হারানো শিশুর মতো যপি ও নাম অবিরত মা ঐ নামের মন্ত্র আমার বুকে কবচ হয়ে দোলে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

পাপে তাপে মগ্ন আমি জানি জানি তবু। পাপের চেয়ে তোমার ক্ষমা অনেক অধিক প্রভু।। শিশু যেমন সারা বেলায় ধূলা মাখে খেলার শেষে সন্ধ্যাবেলায় মাকে ডাকে, (ওগো) ধূলায় মলিন সে ছেলেরে মা কি ত্যাজে কভু।। তোমার ক্ষমা যে দেখেছে হে মোর প্রেমময়, অশেষ পাপে পাপী হলেও করে না সে ভয়। মুছবে তুমি তুমিই যদি মাখাও ধূলি কাঁদাও যদি তুমি নেবে কোলে তুলি, আমি তাই করি যা করাও তুমি হে লীলাময় প্রভু।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

মণি-মঞ্জির বাজে অরুণিত চরণে সখি রুনু ঝুনু রুনু ঝুনু মণি-মঞ্জির বাজে। হের গুঞ্জা-মালা গলে বনমালী চলিছে কুঞ্জ মাঝে।। চলে নওল কিশোর, হেলে দুলে চলে নওল কিশোর। হেরি সে লাবনি কৌস্তুভমণি নিষ্প্রভ হ’ল লাজে। চরণ-নখরে শ্যামের আমার চাঁদের মালা বিরাজে।। সখি গো — বঁধূর চলার পথে পরান পাতিয়া র’ব চলিতে দলিয়া যাবে শ্যাম; আমি হইয়া পথের ধূলি বক্ষে লইব তুলি’ চরণ-চিহ্ন অভিরাম। ভুলে যা তোরা রাধারে কৃষ্ণ-নিশির আঁধারে হারায়ে সে গেছে চিরতরে, কালো যমুনার জলে ডুবেছে সে অতল তলে ভেসে গেছে সে শ্যাম-সাগরে।। ঐ বাঁশি বাজিছে শোন রাধা ব’লে, তরুণ তমাল চলে, অঙ্গ-ভঙ্গে শিখি-পাখা টলে। তা’র হাসিতে বিজলি, কাজল-মেঘে যেন উঠিছে উছলি’। রূপ দেখে যা দেখে যা, কোটি চাঁদের জোছনা-চন্দন মেখে যা, মোর শ্যামলে দেখে যা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

বন-বিহারিণী চঞ্চল হরিণী চিনি আঁখিতে, চিনি কানন নটিনী রে।। ছুটে চলে যেন বাঁধ ভাঙ্গা তটিনী রে।। নেচে নেচে চলে ঝর্ণার তীরে তীরে ছায়াবীথি-তলে কভু ধীরে চলে, চকিতে পালায় ছুটি, ছায়া হেরি, গিরি-শিরে।।
নাটকঃ‘সাবিত্রী’
রাগঃ সিন্ধু
তালঃ কাহার্বা
