বাণী
ঘন ঘোর বরিষণ মেঘ-ডমরু বাজে শ্রাবণ রজনী আঁধার। বেদনা-বিজুরি-শিখা রহি’ রহি’ চমকে মন চাহে প্রেম অভিসার॥ কোথা তুমি মাধব কোথা তুমি শ্যামরায়? ঝরিছে নয়ন-বারি অঝোর ধারায়, কদম-কেয়া-বনে ডাহুকী আনমনে — সাথি বিনা কাঁদে অনিবার॥
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল
ঘন ঘোর বরিষণ মেঘ-ডমরু বাজে শ্রাবণ রজনী আঁধার। বেদনা-বিজুরি-শিখা রহি’ রহি’ চমকে মন চাহে প্রেম অভিসার॥ কোথা তুমি মাধব কোথা তুমি শ্যামরায়? ঝরিছে নয়ন-বারি অঝোর ধারায়, কদম-কেয়া-বনে ডাহুকী আনমনে — সাথি বিনা কাঁদে অনিবার॥
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল
হে গোবিন্দ, ও অরবিন্দ চরণে শরণ দাও হে। বিফল জনম কাটিল কাঁদিয়া, শান্তি নাহি কোথাও হে।। জীবন-প্রভাত কাটিল খেলায়, দুপুর ফুরাল মোহের মেলায়। ডাকিব যে নাথ সন্ধ্যা-বেলায়, ডাকিতে পারিনি তাও হে।। এসেছি দুঃখ-জীর্ণ পথিক মৃত্যু-গহন রাতে। কিছু নাহি প্রভু সম্বল, শুধু জল আছে আঁখি-পাতে।। সন্তান তব বিপথগামী, ফিরিয়া এসেছে হে জীবন-স্বামী। পাপী তাপী তবু সন্তান আমি ধূলা মুছে-কোলে নাও হে।।
রাগঃ বেহাগ
তালঃ একতাল

ভুলিতে পারিনে তাই আসিয়াছি পথ ভুলি’। ভোল মোর সে অপরাধ, আজি যে লগ্ন গোধূলি।। এমনি রঙিন বেলায় খেলেছি তোমায় আমায়, খুঁজিতে এসেছি তাই সেই পুরানো দিনগুলি।। তুমি যে গেছ ভুলে – ছিল না আমার মনে, তাই আসিয়াছি তব বেড়া–দেওয়া ফুলবনে। গেঁথেছি কতই মালা এই বাগানের ফুল তুলি’— আজও সেথা গাহে গান আমার পোষা বুলবুলি।।
রাগঃ গৌড় সারং
তালঃ দাদ্রা

কদম কেশর পড়ল ঝরি তখন তুমি এলে। বাদল মেঘে গগন ঘেরি ঝড়ের কেতন মেলে।। ঝরিয়ে বন-কেয়ার রেণু বজ্ররবে বাজিয়ে বেণু, বৃষ্টি ভেজা দুর্বা দ’লে অরুণ-চরণ ফেলে।। নদীর দু’কূল ভাঙল যবে অধীর স্রোতের জলে, তখন দেখি হে অশান্ত তোমার তরী চলে। যূথীর নীরব অশ্রু ঝরে শ্যামল তোমার চরণ ’পরে, আকাশ চাহে তোমার পথে তড়িৎ প্রদীপ জ্বেলে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

জয়তু শ্রীরামকৃষ্ণ নমো নমঃ সর্ব-ধর্ম-সমন্বয়-কারী নব-রূপে অবতার পুরুষ পরম।। ঈশ্বরে বিশ্বাস জানকীর প্রায় বন্দিনী ছিল কামনার লঙ্কায় উদ্ধারিলে তারে তোমার তপস্যায় শক্তিরে জাগাইয়া শ্রীরাম-সম।। তোমা কথামৃত কলির নববেদ একাধারে রামায়ণ গীতা বিবেকানন্দ মাঝে লক্ষণ অর্জুন শক্তি করিলে পুনজীবিতা। ভূতারতের কলহের কুরুক্ষেত্রে দাঁড়াইলে তুমি আসি সকরুণ নেত্রে বাজালে অভয় পাঞ্চজন্য শঙ্খ, বিনাশিলে অধর্ম, হিংসা, আতঙ্ক প্রেম-নদীয়ায় তুমি নব-গৌরাঙ্গ সকল জাতির সখা, প্রিয়তম।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

দ্বৈত : আবার শ্রাবণ এলো ফিরে তেমনি ময়ুর ডাকে, দোলনা কেন বাঁধলে না গো এবার কদম-শাখে।। স্ত্রী : সঙ্গে ল'য়ে গোপ-গোপীরে পুরুষ : ব্রজের কিশোর যাবে ফিরে দ্বৈত : লীলা-কিশোর শ্যাম যে লীলা-সাথীর সাথে থাকে।। দ্বৈত : দোলনা বেঁধে রইবো চেয়ে আমরা মেঘের পানে আয় ওরে আয়, নির্জন বনকে জাগাই সেই কাজরি গানে গানে। স্ত্রী : বৃষ্টি ধারায় টাপুর টুপুর পুরুষ : শুনব তাহার পায়ের নূপুর দ্বৈত : বিজলিতে তার চপল চাওয়া দেখব মেঘের ফাঁকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
