বাণী
জবা কুসুম-সঙ্কাশ ঐ উদার অরুণোদয়। অপগত তমোভয় জয় হে জ্যোতির্ময়।। জননীর সম স্নেহ-সজল, নীল গাঢ় গগন-তল সুপেয় বারি প্রসুন ফল — তব দান অক্ষয়, অপহৃত সংশয় জয় হে জ্যোতির্ময়।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বিভাস মিশ্র
তালঃ একতাল
জবা কুসুম-সঙ্কাশ ঐ উদার অরুণোদয়। অপগত তমোভয় জয় হে জ্যোতির্ময়।। জননীর সম স্নেহ-সজল, নীল গাঢ় গগন-তল সুপেয় বারি প্রসুন ফল — তব দান অক্ষয়, অপহৃত সংশয় জয় হে জ্যোতির্ময়।।
রাগঃ বিভাস মিশ্র
তালঃ একতাল
এলো ঈদল-ফেতর এলো ঈদ ঈদ ঈদ। সারা বছর যে ঈদের আশায় ছিল নাক’ নিদ।। রোজা রাখার ফল ফ’লেছে দেখ রে ঈদের চাঁদ, সেহরী খেয়ে কাটল রোজা, আজ সেহেরা বাঁধ, ওরে বাঁধ আমামা বাঁধ। প্রেমাশ্রুতে ওজু ক’রে চল্ ঈদগাহ মসজিদ।। (আজ) ছিটায় মনের গোলাব-পাশে খুশির গোলাব-পানি (আজ) খোদার ইস্কের খুশবু-ভরা প্রাণের আতরদানি, ভরল হৃদয়-তশ্তরিতে শিরনি তৌহিদ।। (দেখ্) হজরতের হাসির ছটা ঈদের চাঁদে জাগে সেই চাঁদেরই রং যেন আজ সবার বুকে লাগে, (এই) দুনিয়াতেই মিটল ঈদে বেহেশ্তী উমিদ।।
নাটিকা : ‘ঈদ’ (বিদৌরার গান)
রাগঃ
তালঃ
উভয়ে : ভালোবাসায় বাঁধব বাসা আমরা দু'টি মাণিক-জোড়। থাকব বাঁধা পাখায় পাখায় মাখামাখি প্রেম-বিভোর।। পুরুষ : আমার বুকে যত মধু স্ত্রী : আমার বুকে ঢালবে বঁধু পুরুষ : আমি কাঁদব যখন দুখে স্ত্রী : আমি মুছাব সে নয়ন-লোর।। পুরুষ : আমি যদি কভু মনের ভুলে তোমায় প্রিয় থাকি ভুলে, স্ত্রী : আমি রইব তাতেই ফুলের মালায় লুকিয়ে যেমন থাকে ডোর। উভয়ে : মোরা নীল গগনের নীল স্বপনে চির-কালের চাঁদ-চকোর।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বাসনার সরসীতে ফুটিয়াছে ফুল। মধু-লোভী মদালস এসো অলিকুল।। ভোগের পাত্রে মধু প্রাণ ভরে পিও বঁধু, আনন্দে হয় যদি হোক দিক ভুল।।
রেকর্ড-নাটিকাঃ সুরথ উদ্ধার
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ঝরে ঝরঝর কোন্ গভীর গোপন ধারা এ শাঙনে। আজি রহিয়া রহিয়া গুমরায় হিয়া একা এ আঙনে ঘনিমা ঘনায় ঝাউ-বীথিকায় বেণু-বন-ছায় রে — ডাহুকীরে খুঁজি’ ডাহুক কাঁদে আঁধার-গহনে।। কেয়া-বনে দেয়া তুণীর বাঁধিয়া, গগনে গগনে ফেরে গো কাঁদিয়া। বেতস-বিতানে নীপ-তরুতলে শিখী নাচ ভোলে পুছ-পাখা টলে, মালতী-লতায় এলাইয়া বেণী কাঁদে বিষাদিনী রে — কাজল-আঁখি কে নয়ন মোছে তমাল-কাননে।।
নাটক : ‘ঝিলিমিলি’
রাগঃ দেশ-সুরট
তালঃ একতাল
বসিয়া নদী-কূলে,এলোচুলে কে উদাসিনী কে এলে, পথ ভুলে, এ অকূলে বন-হরিণী।। কলসে জল ভরিয়া চায় করুণায় কুল-বধূরা, কেঁদে যায় ফুলে, ফুলে, পদমূলে, সাঁঝ-তটিনী।। দলিয়া কত ভাঙা-মন, ও চরণ, করেছ রাঙা কাঁদায়ে কত না দিল, এলে নিখিল মন-মোহিনী।। হারালি গোধূলি-লগন কবি, কোন নদী কিনারে, একি সেই স্বপন-চাঁদ, পেতেছে ফাঁদ প্রিয়ার সতিনী।।
রাগঃ কালেংড়া
তালঃ কাহার্বা
