বাণী
ভবানী শিবানী দশপ্রহরণধারিনী দুখ-পাপ-তাপ হারিণী ভবানী।। কলুষ-রিপু-দানব-জয়ী জগৎ-মাতা করুণাময়ী জয় পরমাশক্তি মাতা ত্রিলোকধারিণী।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ঝাঁপতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

ভবানী শিবানী দশপ্রহরণধারিনী দুখ-পাপ-তাপ হারিণী ভবানী।। কলুষ-রিপু-দানব-জয়ী জগৎ-মাতা করুণাময়ী জয় পরমাশক্তি মাতা ত্রিলোকধারিণী।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ঝাঁপতাল

কেঁদো না কেঁদো না মাগো কে বলেছে কালো? ইষৎ হাসিতে তোর ত্রিভুবন আলো, কে বলেছে কালো।। কে দিয়েছে গালি তোরে, মন্দ সে মন্দ! যে বলেছে কালি তোরে, অনধ সে অন্ধ! মোর তারায় সে দেখে নাই তার নয়ন-তারা য়নাই আলো! তাই তারায় সে দেখে নাই।। রাখে লুকিয়ে মা তোর নয়ন-কমল (মাগো) কোটি আলোর সহস্র দল তোর রূপ দেখে মা লজ্জায় শিব অঙ্গে ছাই মাখালো।। তোর নীল -কপোলে কোটি তারা, চন্দনেরি ফোটার পারা ঝিকিমিকি করে গো — মা তোর দেহলতায় অতুল কোটি রবি -শশীর মুকুল ফোটে আবার ঝরে গো — তুমি হোমের শিখা বহ্নি- জ্যোতি, তুমি স্বাহা দীপ্তিমতী আঁধার ভুবন ভবনে মা কল্যাণ-দীপ জ্বালো তুমি কল্যাণ-দীপ জ্বালা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

(ওমা) দুঃখ-অভাব-ঋণ যত মোর (শ্যামা) রাখলাম তোর পায়ে। (এবার) তুই দিবি মা, ভক্তের তোর সকল ঋণ মিটায়ে।। মাগো সমন হাতে মোর মহাজন ধরতে যদি আসে এখন, তোরই পায়ে পড়বে বাঁধন ছেলের ঋণের দায়ে।। ওমা সুদ আসলে এ সংসারের বেড়েই চলে দেনা, এবার ঋণ মুক্তির তুই নে মা ভার, রইব তোরই কেনা। আমি আমার আর নহি ত (আমি) তোর পায়ে যে নিবেদিত, এখন তুই হয়েছিস্ জামিন আমার দে ওদের বুঝায়ে।।
রাগঃ
তালঃ
পুষ্পিত মোর তনুর কাননে হায়। ওগো ফুলধনু, লগ্ন যে ব’য়ে যায়।। আজি ফাগুন ঋতু উৎসবে এ দেহ দেউল শূন্য কি রবে, রতির আরতি ধূপ কি পুড়িবে বিফল কামনায়।।
রাগঃ
তালঃ
মনে যে মোর মনের ঠাকুর তারেই আমি পূজা করি, আমার দেহের পঞ্চভূতের পঞ্চপ্রদীপ তুলে ধরি।। ফকির যোগী হয়ে বনে ফিরি না তার অন্বেষণে আমি মনের দুয়ার খুলে দেখি রূপের জোয়ার মরি মরি।। আছেন যিনি ঘিরে আমায় তারে আমি খুঁজব কোথায় সাগরে খুঁজে বেড়াই সাগর বুকে ভাসিয়ে তরী। মন্দিরের ঐ বন্ধ খোঁপে ঠাকুর কি রয় পূজার লোভে? পেতে রাখি ভক্তি বেদী আসবে নেমে প্রেমের হরি।।
রাগঃ ঝিঁঝিট-খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা

নহে নহে প্রিয় এ নয় আঁখি-জল মলিন হয়েছে ঘুমে চোখের কাজল।। হেরিয়া নিশি-প্রভাতে শিশির কমল-পাতে ভাব বুঝি বেদনাতে ফুটেছে কমল।। এ শুধু শীতের মেঘে কপট কুয়াশা লেগে’ ছলনা উঠেছে জেগে’ এ নহে বাদল।। কেন কবি খালি খালি হ’লি রে চোখের বালি কাঁদাতে গিয়া কাঁদালি নিজেরে কেবল।।
রাগঃ দূর্গা (বিলাবল ঠাট)
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ
শিল্পীঃ সোমা ফারাহ
