বাণী
সখি সাজায়ে রাখ্ লো পুষ্প-বাসর তেমনি করিয়া তোরা, কে জানে কখন্ আসিবে ফিরিয়া গোপিনীর মনোচোরা। (সে কি) ভুলিয়া থাকিতে পারে, তা’র চির-দাসী রাধিকারে, কত ঝড় ঝঞ্চায় বাদল-নিশীথে এসেছে সে অভিসারে।। মধু-বন হ’তে চেয়ে আন্ আধ-ফোটা বনফুল, পাপিয়ারে বল গান গাহিতে অনুকূল। চাঁপার কলিকা এনে নূপুর গেঁথে রাখ তেমনি তমাল-ডালে ঝুলনা বাঁধা থাক্। দেহের ডালায় রূপ-অঞ্জলি ধরিয়া রাস-মঞ্চে চল্ বেশ ভূষা করিয়া। আখর : [বেঁধে রাখ্ লো — ঝুলনা তেমনি বেঁধে রাখ লো — তমাল-ডালে ঝুলনা তেমনি বেঁধে রাখ্ লো] সখি, যোগিনীর বেশ ছাড়িয়া আবার পরিব নীলাম্বরী, মথুরা ত্যজিয়া এ ব্রজে ফিরিয়া আসিবে কিশোর হরি।। হরি ফিরিয়া আসিবে, সময় পাবি না তোরা মুছিতে চোখের জল আনন্দে ভাসিবে, আনন্দ ব্রজধাম আনন্দে ভাসিবে।। আখর : [ফিরে আসিবে — কিশোর নটবর ফিরে আসিবে — এই ব্রজে পদরজ দিতে ফিরে আসিবে আসিবে] আনন্দে ভাসিবে — নিরানন্দ ব্রজপুর আনন্দে ভাসিবে — এই নিরানন্দ ব্রজপুর হরিপদ-রজ লভি’ আনন্দে ভাসিবে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ ফের্তা


