বাণী
এলো মিলন-রাতি জ্বলে বাসর-বাতি ওগো পরান-সাথি এসো পরানে।। প্রেম-কুসুম গাঁথি ছিনু আসন পাতি ছিনু হরষে মাতি তব বরণ-গানে।। প্রেম-মদির-আঁখি আঁখিতে রাখি, শুধু চাহিয়া থাকি তব মুখের পানে।।
নাটক : ‘কাফন-চোরা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
এলো মিলন-রাতি জ্বলে বাসর-বাতি ওগো পরান-সাথি এসো পরানে।। প্রেম-কুসুম গাঁথি ছিনু আসন পাতি ছিনু হরষে মাতি তব বরণ-গানে।। প্রেম-মদির-আঁখি আঁখিতে রাখি, শুধু চাহিয়া থাকি তব মুখের পানে।।
নাটক : ‘কাফন-চোরা’
রাগঃ
তালঃ
ঘন ঘোর বরিষণ মেঘ-ডমরু বাজে শ্রাবণ রজনী আঁধার। বেদনা-বিজুরি-শিখা রহি’ রহি’ চমকে মন চাহে প্রেম অভিসার॥ কোথা তুমি মাধব কোথা তুমি শ্যামরায়? ঝরিছে নয়ন-বারি অঝোর ধারায়, কদম-কেয়া-বনে ডাহুকী আনমনে — সাথি বিনা কাঁদে অনিবার॥
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল
(সখি) ব'লো বঁধুয়ারে নিরজনে দেখা হ'লে রাতে ফুল-বনে।। কে করে ফুল চুরি জেনেছে ফুলমালী কে দেয় গহীন রাতে ফুলের কুলে কালি জেনেছে ফুলমালী গোপনে।। ও-পথে চোর-কাঁটা, সখি, তায় বলে দিও বেঁধে না বেঁধে না লো যেন তার উত্তরীয়। এ বনফুল লাগি' না আসে কাঁটা' দলি' আপনি যাব চলি' বঁধুয়ার কুঞ্জ-গলি বিনা মূলে বিকাইব ও-চরণে।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

দরিয়ায় ঘোর তুফান, পার কর নাইয়া। রজনী আঁধার ঘোর, মেঘ আসে ছাইয়া।। যাত্রী গুনাহ্গার, জীর্ণ তরুণী, অসীম পাথারে কাঁদি পথ হারাইয়া।। হে-চির কাণ্ডারী, পাপে তাপে বোঝাই তরী তুমি না করিলে পার, পার হব কেমন করি’, সুখ-দিনে ভুলে’ থাকি, বিপদে তোমারে স্মরি – ডুবাবে কি তব নাম আমারে ডুবাইয়া।। মা’র কাছে মার খেয়ে শিশু যেমন মাকে ডাকে যত দাও দুখ শোক, ডাকি ততই তোমাকে, জানি শুধু তুমি আছ, আসিবে আমার ডাকে – তোমারি এ তরী প্রভু, তুমি চল বাহিয়া।।
রাগঃ জংলা
তালঃ দাদ্রা

তরুণ-তমাল-বরণ এসো শ্যামল আমার। ঘন শ্যাম তুলি বুলায়ে মেঘ-দলে এসো দুলায়ে আঁধার।। কাঁদে নিশীথিনী তিমির কুন্তলা আমারি মত সে উতলা, এসো তরুণ দুরন্ত ভাঙি’ হৃদয় দুয়ার।। তপ্ত গগনে ঘনায়ে ঘন দেয়া ফুটায়ে কদম কেয়া, আমার নয়ন-যমুনায় এসো জাগায়ে জোয়ার।।
রাগঃ কাফি মিশ্র
তালঃ
কোন্ সুদূরের চেনা বাঁশির ডাক শুনেছিস্ ওরে চখা? ওরে আমার পলাতকা! তোর প’ড়লো মনে কোন্ হানা–ঘর, স্বপন-পারের কোন্ অলকা? ওরে আমার পলাতকা।। তোর জল ভ’রেছে চপল চোখে, বল কোন্ হারা–মা ডাক্লো তোকে রে ঐ গগন–সীমায় সাঁঝের ছায়ায় — হাতছানি দেয় নিবিড় মায়ায় — উতল পাগল! চিনিস্ কি তুই চিনিস্ ওকে রে? যেনবুক–ভরা ও’ গভীর স্নেহে ডাক দিয়ে যায়, ‘আয়, ওরে আয় আয় আয়, কোলে আয় রে আমার দুষ্টু খোকা! ওরে আমার পলাতকা।।‘ দখিন হাওয়ায় বনের কাঁপনে — দুলাল আমার! হাত–ইশারায় মা কি রে তোর ডাক দিয়েছে আজ? এতদিনে চিনলি কি রে পর ও আপনে! নিশি ভোরেই তাই কি আমার নামলো ঘরে সাঁঝ? ধানের শীষে, শ্যামার শিষে — যাদুমণি! বল্ সে কিসে রে, তুই শিউরে চেয়ে ছিঁড়্লি বাঁধন! চোখ ভরা তোর উছলে কাঁদন রে! তোরে কে পিয়ালো সবুজ স্নেহের কাঁচা বিষে রে! যেন আচম্কা কোন্ শশক–শিশু চম্কে ডাকে হায়, ‘ওরে আয় আয় আয় — বনে আয় ফিরে আয় বনের সখা। ওরে চপল পলাতকা।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ সুধীন দাস
