বাণী
ভোলো অতীত-স্মৃতি ভোলো কালা। কি হবে কুড়ায়ে এ ছিন্ন মালা।। মিছে রোধি’ পথ মিনতি করিছ কত, জাগায়ে পুরানো ক্ষত — দিও না জ্বালা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ
ভোলো অতীত-স্মৃতি ভোলো কালা। কি হবে কুড়ায়ে এ ছিন্ন মালা।। মিছে রোধি’ পথ মিনতি করিছ কত, জাগায়ে পুরানো ক্ষত — দিও না জ্বালা।।
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ
বেলওয়ারি চুড়ি কে নিবি আয় পুর-নারী। চুড়িওয়ালী আমি এনেছি চুড়ি রকমারি।। যৌবন যা’র হ’ল বাসী বঁধু যার পরবাসী, এই চুড়ি-কবচ তারি’।। কে আছ বিরহিণী এই রেশমি চুড়ি কিনি, ভোলো বিরহ ভোলো ভোলো। মিলনের রাখি কাঁচের এ চুড়ি কালো মেয়ে হবে তাঁর স্বামীর প্যারী।। যাদু জানে এই চুড়ি বশ হয় ননদ-শাশুড়ি, এ চুড়ি পরলে হাতে রাঙা বর পায় যত আই-বুড়ি। চাই চুড়ি চাই — আয় বধূ আয়, আয় কিশোরী, আয় কুমারী। নে ভোলা মনের এই চুড়ি মনোহারী।।
রাগঃ
তালঃ
সবুজ শোভার ঢেউ খেলে যায় নবীন আমন ধানের ক্ষেতে।। হেমন্তের ঐ শিশির-নাওয়া হিমেল হাওয়া সেই নাচনে উঠলো মেতে।। টইটুম্বুর ঝিলের জলে কাঁচা রোদের মানিক ঝলে চন্দ্র ঘুমায় গগন-তলে সাদা মেঘের আঁচল পেতে।। নটকানো রঙ শাড়ি প’রে কে বালিকা ভোর না হতে যায় কুড়াতে শেফালিকা। আনমনা মন উড়ে বেড়ায় অলস প্রজাপতির পাখায় মৌমাছিদের সাথে সে চায় কমল-বনের তীর্থে যেতে।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা

চোখের নেশার ভালোবাসা সে কি কভু থাকে গো জাগিয়া স্বপনের স্মৃতি স্মরণে কে রাখে গো।। তোমরা ভোল গো যা’রে চিরতরে ভোল তা’রে মেঘ গেলে আবছায়া থাকে কি আকাশে গো।। পুতুল লইয়া খেলা খেলেছ বালিকা বেলা খেলিছ পরাণ ল’য়ে তেমনি পুতুল খেলা। ভাঙ্গিছ গড়িছ নিতি হৃদয়–দেবতাকে গো। চোখের ভালোবাসা গ’লে শেষ হ’য়ে যায় চোখের জলে বুকের ছলনা সেকি নয়ন জলে ঢাকে গো।।
রাগঃ বাগেশ্রী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ ফেরদৌস আরা

নাম-হারা ঐ গাঙের পারে বনের-কিনারে বেতস-বেণুর বনে কে ঐ বাজায় বীণা রে।। লতায় পাতায় সুনীল রাগে সে-সুর সোহাগ-পুলক লাগে, সে সুর ঘুমায় দিগঙ্গনার শয়ন-লীলা রে। আমি কাঁদি, এ সুর আমার চির-চেনা রে।। ফাগুন মাঠে শিস দিয়ে যায় উদাসী তার সুর, শিউরে ওঠে আমের মুকুল ব্যথায় ভারাতুর। সে সুর কাঁপে উতল হাওয়ায়, কিশলয়ের কচি চাওয়ায়, সে চায় ইশারায় অস্তাচলের প্রাসাদ-মিনারে। আমি কাঁদি, এই ত আমার চির-চেনা রে।।
রাগঃ সিন্ধু-কাফি
তালঃ কাওয়ালি
শুধু নামে যাঁহার এত মধু সে বঁধু কেমন শুধু নাম শুনে যাঁর জাগে জোয়ার পরানে এমন।। শুধু যাহার বাঁশির সুরে আমার এত নয়ন ঝুরে ওগো না জানি তার রূপ কেমন মদন-মোহন।। সে বুঝি লো' অপরূপ সে চির-নতুন বাঁশির সুরের মতো আঁখি-সকরুণ। তারে আমি দেখি যদি কাঁদিব কি নিরবধি ওগো, যেমন ক'রে ঐ যমুনা কাঁদে অনুক্ষণ।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও ত্রিতাল)
