বাণী
দাও আরো আরো দাও সুরা আর সুর। প্রাণের পাত্র কর সুখে ভরপুর।। বাজুক অধীর হ’য়ে নূপুর জলদ লয়ে, সমতালে তাল দিক কাঁকন-কেয়ূর।। সুর ও সুরার ঝোঁক ধরায় অমর হোক, এই সে-স্বর্গলোকে আয় তৃষাতুর।।
নাটিকা: ‘নরমেধ’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
স্বরলিপি

দাও আরো আরো দাও সুরা আর সুর। প্রাণের পাত্র কর সুখে ভরপুর।। বাজুক অধীর হ’য়ে নূপুর জলদ লয়ে, সমতালে তাল দিক কাঁকন-কেয়ূর।। সুর ও সুরার ঝোঁক ধরায় অমর হোক, এই সে-স্বর্গলোকে আয় তৃষাতুর।।
নাটিকা: ‘নরমেধ’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আজকে না হয় একটি কথা কইলে আবার মোর সাথে। ওগো একটু না হয় বসলে এসে এই পাথরের পৈঠাতে।। শুধুই কি গো আমার আঁখি ঝিমায় মদির স্বপ্ন মাখি’, ওগো তোমার কি চোখ ধরে নাকো ঢুলতে নেশার মৌতাতে।। আজকে তোমার নয়ন আমার নয়ন হেরি’ লজ্জা পায়, আজকে তোমার মুখের কথা শুধু্ই কি গো মুখ রাঙায়? ফাগুন হাওয়ার দোদুল দোলায় এই যে এসে দোল দিয়ে যায় — ওগো মোরাই কি গো দুল্ব শুধু মান বিরহের দোল্নাতে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
গাহে আকাশ পবন নিখিল ভুবন (গাহে) তোমারই নাম। সাগর নদী বন উপবন (গাহে) তোমারই নাম।। মধুর তোমার গানের নেশায় ঘোর লাগে ঐ গ্রহ-তারায়, অনন্ত কাল ঘুরিয়া বেড়ায় — ঘিরি’ অসীম গগন।। তোমার প্রিয় নামে, হে বঁধূ, ফুলের বুকে পুরে মধু। তোমার নামের মাধুরি মাখি’ গান গেয়ে যায় বনের পাখি, নিখিল পাগল ও নাম ডাকি’ — কোটি চন্দ্র তপন।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ঝিলের জলে কে ভাসালো নীল শালুকের ভেলা মেঘলা সকাল বেলা। বেণু বনে কে খেলে রে পাতা ঝরার খেলা। মেঘলা সকাল বেলা।। কাজল বরণ পল্লী মেয়ে বৃষ্টি ধারায় বেড়ায় নেয়ে, ব'সে দিঘীর ধারে মেঘের পানে রয় চেয়ে একেলা।। দুলিয়ে কেয়া ফুলের বেনী শাপলা মালা প'রে খেলতে এলো মেঘ পরীরা ঘুমতী নদীর চরে। বিজলিতে কে দূর বিমানে, সোনার চুড়ির ঝিলিক হানে, বনে বনে কে বসালো যুঁই-চামেলির মেলা।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

উদার অম্বর দরবারে তোরই প্রশান্ত প্রভাত বাজায় বীণা। শতদল-শ্রভ্রা পদতল-লীনা, প্রশান্ত প্রভাত বাজায় বীণা।। সহস্র কিরণ-তারে হানি’ ঝঙ্কার ধ্বনি তোলে অনাহত গভীর ওঙ্কার, সেই সুরে উদাসীন, পরমা প্রকৃতি ধ্যান-নিমগ্না মহাযোগাসীনা।। আনন্দ-হংস বিমুগ্ধ গতিহীন স্থির হ’য়ে ব্যোমে শোনে সে জ্যোতির্বীণ, ঝরা ফুল-অঞ্জলি তা’রি চরণে প্রণতা ধরণী বাণী-বিহীনা।।
রাগঃ দরবারি-টোড়ি
তালঃ তিল্ওয়ারা

এলো ফুল-দোল ওরে এলো ফুল দোল আনো রঙ-ঝারি। অশোকমঞ্জরি অলকে পরি এসো গোপ-নারী।। ঝরিছে আকাশে রঙের ঝরনা হায় শ্যামা ধরণী হ’ল আবির-বরণা, ত্যজি’ গৃহ-কাজ এসো চল-চরণা — ডাকে গিরিধারী।। পরাগ-আবির হানে বনবালা সুরের পিচ্কারি হানিছে কুহু, রঙিন্ স্বপন রাতের ঘুমে অনুরাগ-রং ঝরে মনে মুহু মুহু। রাঙে গিরি-মল্লিকা রঙিন বর্ণে, রাতের আঁচল ভরে জোছনার স্বর্ণে কুলের কালি সখি দেবে ধুয়ে রাঙা পিচ্কারি।।
রাগঃ ভৈরবী-পিলু
তালঃ কাওয়ালি
