বালা যোবান মোরি স্যখিরি পরদেশে পিয়া

বাণী

বালা যোবান মোরি স্যখিরি পরদেশে পিয়া।
ক্যায়সে স্যামহালু সোলা ব্যরস উম্যারিয়ারি পরদেশে পিয়া।।
ব্যয়রি ভ্যয়রি যোবান দিলমে নাহি চ্যয়ন
দিল ন্য লাগে কামমে জাগি কাটে রয়ন
সোতে ড্যর লাগে একেলী স্যবরিয়া রি পরদেশে পিয়া।।
ফিকা লাগে খানা পিনা ন্যয়নোমে নিদ ন্যহিরি
যাঁহা মোরি বিদেশিয়া লেবা মোহে ওয়াহিরি।
আয়ে ফাগুন চৈত স্যখি খিলা যোবান ফুল মোর
স্যতায়ে নিসদিন মোহে বুলবুল আওর ফুলচোর
ক্যয়সে ছিপাউ উও ফুল প্যতরি আঙ্গিঁয়ারি পরদেশে পিয়া।।

শাওন আসিল ফিরে

বাণী

শাওন আসিল ফিরে সে ফিরে এল না
বরষা ফুরায়ে গেল আশা তবু গেল না।
ধানী রং ঘাগরি, মেঘ–রং ওড়না
পরিতে আমারে মাগো, অনুরোধ ক’রো না
কাজরির কাজল মেঘ পথ পেল খুঁজিয়া
সে কি ফেরার পথ পেল না মা, পেল না।।
আমার বিদেশিরে খুঁজিতে অনুক্ষণ
বুনো হাঁসের পাখার মত উড়ু উড়ু করে মন।
অথৈ জলে মাগো, মাঠ–ঘাট থৈ থৈ
আমার হিয়ার আগুন নিভিল কই?
কদম–কেশর বলে, ‘কোথা তোর কিশোর’,
চম্পাডালে ঝুলে শূন্য দোলনা।।

জয় বাণী বিদ্যাদায়িণী

বাণী

জয় বাণী বিদ্যাদায়িণী
জয় বিশ্বলোক-বিহারিণী।।
	সৃজন-আদিম তমঃ অপসারি'
	সহস্রদল কিরণ বিথারি'
আসিলে মা তুমি গগন বিদারি' মানস-মরাল-বাহিনী।।
	ভারতে ভারতী মূক তুমি আজি
	বীণাতে উঠিছে ক্রন্দন বাজি'
ছিন্ন চরণ-শতদলরাজি কহিছে বিষাদ-কাহিনী।।
	ঊর মা আবার কমলাসীনা, (মাগো)
	করে ধর পুনঃ সে রুদ্রবীণা
নব সুর তানে বানী দীনাহীনা জাগাও অমৃতভাষিণী
			মা জাগাও অমৃতভাষিণী।।

বাজো বাঁশরি বাজো বাঁশরি বাজো বাঁশরি

বাণী

বাজো বাঁশরি বাজো বাঁশরি বাজো বাঁশরি
	সেই চির-চেনা সুরে।
যে সুরে বিরহী প্রাণ আজও ঝুরে।।
যে সুরে হৃদয়ে হোরির রং লাগে
ভুলে যাওয়া যৌবন-স্মৃতি মনে জাগে,
আকাশ কাঁদে যে সকরুণ রাগে —
যে সুর ঘুমায়ে আছে প্রিয়ার নূপুরে।।
যে সুর শুনি আজো পল্লীর প্রান্তে
মল্লিকা-কুঞ্জে শ্রান্ত দিনান্তে,
বিরহ বিধূর দূর হারানো দিনের —
ছায়া ফেলে যে-সুর মনের মুকুরে।।

ধীরে যায় ফিরে ফিরে চায়

বাণী

ধীরে যায় ফিরে ফিরে চায়।
চলে নব অভিসারে, ভীরু কিশোরী,
ওঠে পাতাটি নড়লে সে চম্‌কে।।
হরিণ নয়নে সভয় চাহনি,
আসিছে কে যেন দেখিবে এখনি
পথে সে দেয় ফেলে মুখর নূপুর খুলে,
আপন ছায়া হেরি ওঠে গা ছম্‌কে॥
‘চোখ গেল চোখ গেল’ ডাকে পাপিয়া
শুনিয়া শরমে ওঠে কাঁপিয়া;
হায়, যার লাগি এত, কোথায় সে
ঝিল্লি-রবে ভাবে কেউ হবে
বনে ফুল ঝরার আওয়াজে দাঁড়ায় সে থম্‌কে॥

গোধূলির রঙ ছড়ালে কে গো

বাণী

গোধূলির রঙ ছড়ালে কে গো আমার সাঁঝগগনে।
মিলনের বাজে বাঁশি আজি বিদায়ের লগনে।।
এতদিন কেঁদে কেঁদে ডেকেছি নিঠুর মরণে
আজি যে কাঁদি বঁধূ বাঁচিতে হায় তোমার সনে।।
আজি এ ঝরা ফুলের অঞ্জলি কি নিতে এলে,
সহসা পূরবী সুর বেজে উঠিল ইমনে।
হইল ধন্য প্রিয় মরন-তীর্থ মম
সুন্দর মৃত্যু এলে বরের বেশে ষেশ জীবনে,
		এলে কে মোর সাঁঝ গগনে।।