বাণী
ওগো বৈশাখী ঝড়! ল’য়ে যাও অবেলায় ঝরা এ মুকুল। ল’য়ে যাও বিফল এ জীবন — এই পায়ে দলা ফুল।। ওগো নদীজল লহো আমারে বিরহের সেই মহা-পাথারে, চাঁদের পানে চাহে যে পারাবারে — অনন্তকাল কাঁদে বিরহ-ব্যাকুল।।
রাগ ও তাল
রাগঃ মনোরঞ্জনী
তালঃ ত্রিতাল (ঢিমা)
ওগো বৈশাখী ঝড়! ল’য়ে যাও অবেলায় ঝরা এ মুকুল। ল’য়ে যাও বিফল এ জীবন — এই পায়ে দলা ফুল।। ওগো নদীজল লহো আমারে বিরহের সেই মহা-পাথারে, চাঁদের পানে চাহে যে পারাবারে — অনন্তকাল কাঁদে বিরহ-ব্যাকুল।।
রাগঃ মনোরঞ্জনী
তালঃ ত্রিতাল (ঢিমা)
এবার নবীন-মন্ত্রে হবে জননী তোর উদ্বোধন। নিত্যা হয়ে রইবি ঘরে, হবে না তোর বিসর্জন।। সকল জাতির পুরুষ-নারীর প্রাণ সেই হবে তোর পূজা-বেদী মা তোর পীঠস্থান: সেথা শক্তি দিয়ে ভক্তি দিয়ে পাতবো মা তোর সিংহাসন।। সেথা রইবে নাকো ছোয়াছুয়ি উচ্চ-নীচের ভেদ, সবাই মিলে উচ্চারির মাতৃ-নামের বেদ। মোরা এক জননীর সন্তান সব জানি, ভাঙব দেয়াল, ভুলব হানাহানি দীন-দরিদ্র রইবে না কেউ সমান হবে সর্বজন, বিশ্ব হবে মহাভারত, নিত্য-প্রেমের বৃন্দাবন।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ওরে ও নতুন ঈদের চাঁদ তোমার হেরে হৃদয় সাগর আনন্দে উন্মাদ।। তোমার রাঙা তশতরিতে ফিরদৌসের পরী খুশির শিরনি বিলায় রে ভাই নিখিল ভুবন ভরি খোদার রহম পড়ছে তোমার চাঁদনি রূপে ঝরি। দুখ ও শোক সব ভুলিয়ে দিতে তুমি মায়ার ফাঁদ।। তুমি আসমানে কালাম ইশারাতে লেখা যেন মোহাম্মাদের নাম। খোদার আদেশ তুমি জান স্মরণ করাও এসে যাকাত দিতে দৌলত সব দরিদ্রেরে হেসে শত্রুরে আজি ধরিতে বুকে শেখাও ভালবেসে। তোমায় দেখে টুটে গেছে অসীম প্রেমের বাঁধ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

রেশমি চুড়ির তালে কৃষ্ণচূড়ার ডালে ‘পিউ কাহাঁ পিউ কাহাঁ’ ডেকে ওঠে পাপিয়া।। আঙিনায় ফুল-গাছে প্রজাপতি নাচে, ফেরে মুখের কাছে আদর যাচিয়া।। দুলে দুলে বনলতা কহিতে চাহে কথা, বাজে তারি আকুলতা — কানন ছাপিয়া।। শ্যামলী-কিশোরী মেয়ে থাকে দূর নভে চেয়ে, কালো মেঘ আসে ধেয়ে — গগন ব্যাপিয়া।।
রাগঃ গৌড় সারং
তালঃ কাওয়ালি

খুলেছে আজ রঙের দোকান বৃন্দাবনে হোরির দিনে। প্রেম-রঙিলা ব্রজ-বালা যায় গো হেথায় আবির কিনে।। আজ গোকুলের রঙ মহলায় রামধনু ঐ রঙ পিয়ে যায় সন্ধ্যা-সকাল রাঙতো না গো ঐ হোরির কুমকুম বিনে।। রঙ কিনিতে এসে সেথায় রব শশী আকাশ ভেঙে' এই ফাগুনী ফাগের রাগে অশোক শিমুল ওঠে রেঙে'। আসে হেথায় রাধা-মাধব এই রঙেরই পথ চিনে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

শিউলি তলায় ভোর বেলায় কুসুম কুড়ায় পল্লী-বালা। শেফালি পুলকে ঝ’রে পড়ে মুখে খোঁপাতে চিবুকে আবেশ-উতলা।। ঘোম্টা খুলিয়া তার পিঠে লুটায় শিথিল কবরী লুটিছে পায়, নৃত্যের ভঙ্গে ফুল তোলে রঙ্গে, আধো আঁধার বন তার রূপে উজালা।। নিলাজ পাঁয়জোরে তার ওঠে ঝঙ্কার রিনিঝিনি, মন কয় চিনি চিনি এ কি গো বন-দেবীর সতিনী শিশির ধরে’ পায় আল্তার রঙ্ চায় পাখি তারি গান গায় বনে নিরালা।।
রাগঃ বেহাগ মিশ্র
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দ্রুত-দাদ্রা)
