বাণী
আয় আয় মোর ময়ূর-বিমান আকাশ-নদী বেয়ে। ফুল ফোটানো হাওয়ায় ভেসে চাঁদের আলোয় নেয়ে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (স্বপনপরীর গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আয় আয় মোর ময়ূর-বিমান আকাশ-নদী বেয়ে। ফুল ফোটানো হাওয়ায় ভেসে চাঁদের আলোয় নেয়ে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (স্বপনপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
ওরে অবোধ আঁখি! আর কতদিন রইবি রূপে ভুলে। অরূপ সাগর দেখলি না তুই দাঁড়িয়ে রূপের কুলে।। যে সুন্দর চুপে চুপে লীলা করেন রূপে রূপে, তুই দেখলি না সেই অপরূপে রূপের দুয়ার খুলে।।
রাগঃ
তালঃ
বরষা ঐ এলো বরষা আলোর ধারায় জল ঝরঝরি’ অবিরল ধূসর নীরস ধরা হলো সরসা।। ঘন দেয়া দমকে দামিনী চমকে ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর ঝমঝম ঝমকে মনে পড়ে সুদূর মোর প্রিয়তমকে মরাল মরালীরে হেরি সহসা।।
রাগঃ মেঘমল্লার
তালঃ ত্রিতাল

শুভ্র সমুজ্জ্বল, হে চির–নির্মল শান্ত অচঞ্চল ধ্রুব–জ্যোতি অশান্ত এ চিত কর হে সমাহিত সদা আনন্দিত রাখো মতি।। দুঃখ–শোক সহি অসীম সাহসে অটল রহি যেন সম্মানে যশে তোমার ধ্যানের আনন্দ–রসে নিমগ্ন রহি হে বিশ্বপতি।। মন যেন না টলে খল কোলাহলে, হে রাজ–রাজ! অন্তরে তুমি নাথ সতত বিরাজ, হে রাজ–রাজ! বহে তব ত্রিলোক ব্যাপিয়া, হে গুণী, ওঙ্কার–সংগীত–সুর–সুরধুনী, হে মহামৌনী, যেন সদা শুনি সে সুরে তোমার নীরব আরতি।।
রাগঃ লাচ্ছাশাখ
তালঃ ত্রিতাল

নেহি তোড়ো ইয়ে ফুলোঁ কি ডালি রে হা। মালি ভোমরা বুলবুল তেরি গালি রে হা।। যাও সওতন কে পাশ শুনো ভিগা ভিগা বাত ম্যায়তো হোনেকা চাহতি হুঁ প্রীত বিমার — আভি চাহ ফেকা যায়েগা কালীরে হা।। হায়রে হায় বান্দা আব দালা যৌবন আভি আভি ফুলো মে নেহি আয়ি হ্যায় সৌগন্ধ, আভি গালো পে আয়ি নেহি লালীরে হা।। নেহি আও আভি নাজানে পাও নেহি বাত আভি ছোটি হ্যায় ফুল কলি কাচ্চা আনার যৌবন সে ম্যায় অব তক আনজানে হা।।
রাগঃ পিলু মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

খেলে নন্দের-আঙিনায় আনন্দ দুলাল। রাঙা চরণে মধুর সুরে বাজে নূপুর-তাল॥ নবীন নাটুয়া বেশে নাচে কভু হেসে হেসে, যাশোমতীর কোলে এসে দোলে কভু গোপাল॥ ‘ননী দে’ বলিয়া কাঁদে কভু রোহিণী-কোলে, জড়ায়ে ধ’রে কদম তরু তমাল-ডালে দোলে। দাঁড়ায়ে ত্রিভঙ্গ হ’য়ে বাজায় মুরলী ল’য়ে, কভু সে চরায় ধেনু বনের রাখাল॥
রাগঃ কাফি / দেবগান্ধার
তালঃ ঝাঁপতাল / সাদ্রা
১.

২.
