রবে না এ বৈকালি ঝড় সন্ধ্যায়

বাণী

রবে না এ বৈকালি ঝড় সন্ধ্যায়।
বহিবে ঝিরিঝিরি চৈতালি বায়॥
দুপুরে যে ধরেছিল দীপক তান
বেলাশেষে গাহিবে সে মুলতানে গান,
কাঁদিবে সে পূরবীত গোধূলি-বেলায়॥
নৌবতে বাজিবে গো ভীম-পলাশী,
উদাস পিলুর সুরে ঝুরিবে বাঁশি,
বাজিবে নূপুর হয়ে তটিনী ও-পায়॥

এলো মিলন-রাতি

বাণী

এলো মিলন-রাতি
জ্বলে বাসর-বাতি
ওগো পরান-সাথি
	এসো পরানে।।
প্রেম-কুসুম গাঁথি
ছিনু আসন পাতি
ছিনু হরষে মাতি
	তব বরণ-গানে।।
প্রেম-মদির-আঁখি
আঁখিতে রাখি,
শুধু চাহিয়া থাকি
	তব মুখের পানে।।

নাটক : ‘কাফন-চোরা’

আমি তব দ্বারে প্রেম-ভিখারি

বাণী

আমি তব দ্বারে প্রেম-ভিখারি
নয়নের অনুরাগ-দৃষ্টির সাথে চাহি নয়ন-বারি।।
তব পুষ্পিত তনুতে,হৃদয় -কমলে
গোপনে যে প্রেম-মধু উথলে
তোমার কাছে সেই অমৃত যাচে তৃষিত এ পথচারী।।
জনম জনম আমি রূপ ধ'রে আসি গো,
	তোমারি বিরহে কাঁদিতে,
রাহুর মত আমি আসি না
	বাহু-পাশে বাঁধিতে।
আমি ফুলের মধু চাহি,ছিঁড়ি না ফুল গো,
তদূরে রহি,গাহি গান বন-বুলবুল গো,
মনোবনে আছে তব নন্দন-পারিজাত,আমি তা'রি পূজারি।।

আমি পথ-ভোলা ভিনদেশি গানের পাখি

বাণী

আমি	পথ-ভোলা ভিনদেশি গানের পাখি
	তোমাদের সুরের সভায় এই অজানায় লহ গো ডাকি'।।
	তোমরা বেঁধেছে বাসা যে তরু-শাখায়
	আমারে বসিতে দিও তাহারি ছায়ায়
	গাহিবার আছে আশা, জানি না গানের ভাষা
তবু	ভালোবাসা দিয়ে বাঁধ গো রাখি।।
	মায়াময় তোমাদের তরুলতা, ফুল
	তোমাদের গান শুনে' পথ হ'ল ভুল।
	যেন শতবার এসে' জন্মেছি এই দেশে-
বন্ধু	হে বন্ধু, অতিথিরে চিনিবে না-কি।।

আমি ময়নামতীর শাড়ি দেবো

বাণী

আমি ময়নামতীর শাড়ি দেবো, চলো আমার বাড়ি
ওগো ভিনগেরামের নারী
তোরে সোনাল ফুলের বাজু দেবো চুড়ি বেলোয়ারি।।
তোরে বৈঁচী ফুলের পৈঁচী দেবো কলমিলতার বালা,
রক্ত-শালুক দিবো পায়ে, পরবে আলতা তা'রি।।
হলুদ-চাঁপার বরণ কন্যা এসো আমার নায়
সরষে ফুলের সোনার রেণু মাখাবো ওই গায়!
ঠোঁটে দিবো রাঙা পলাশ মহুয়া ফুলের মউ,
বকুল-ডালে ডাকবে পাখি, 'বউ গো কথা কও!'
আমি সব দিবো গো, যা পারি আর যা দিতে না পারি।।

তোমারি প্রকাশ মহান

বাণী

তোমারি প্রকাশ মহান, রে নিখিল দুনিয়া জাহান্!
তোমারি জ্যোতিতে রওশন্ নিশিদিন জমিন ও আস্‌মান্‌।।
নিভিল কোটি তপন চাঁদ তোমারে খুঁজিয়া প্রভু,
কত দাউদ ঈশা মুসা করিল তব জয়গান।।
তোমারে কত নামে হায় ডাকিছে বিশ্ব শিশুর প্রায়,
কত নামে পূজে তোমায় ফেরেশতা হুর পরী ইনসান্।।