বাণী
আমি ভুলিতে পারি না সেই দূর অমরার স্মৃতি। যার আকাশে বিরাজে চির পূর্ণিমার তিথি।। আজও যেন শুনি ইন্দ্র সভায় দেবকুমারীরা ডাকে ‘আয় আয়’, কেঁদে যেন ডাকে অলকানন্দা নন্দন-বন-বীথি।।
নাটক : ‘সুভদ্রা’ (উর্বশীর গীত)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আমি ভুলিতে পারি না সেই দূর অমরার স্মৃতি। যার আকাশে বিরাজে চির পূর্ণিমার তিথি।। আজও যেন শুনি ইন্দ্র সভায় দেবকুমারীরা ডাকে ‘আয় আয়’, কেঁদে যেন ডাকে অলকানন্দা নন্দন-বন-বীথি।।
নাটক : ‘সুভদ্রা’ (উর্বশীর গীত)
রাগঃ
তালঃ
জ্বালো দেয়ালি জ্বালো অসীম তিমিরে শ্যামা মা যে অযুত কোটি আলো।। এলো শক্তি অশিব নাশিনী এলো অভয়া চির বিজয়িনী কালো রূপের স্নিগ্ধ লাবনি নয়ন মন জুড়ালো।। গ্রহ তারার দেওয়ালি জলিছে পবনে জ্বালো দীপালি জীবনের সব ভবনে। এলো শিবানী প্রাণ দিতে সবে রক্ষা করিতে পীড়িত মানবে ধরাবে বাসিতে ভালো।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কাঁদবো না আর শচীদুলাল তোমায় ডেকে ডেকে মোরা কাঁদবো না — (প্রিয়) তুমি গেছ চলে তোমার প্রেম গিয়েছ রেখে তাই কাঁদব না॥ ত্যাগ যেখানে প্রেম যেখানে তোমার মধু-রূপ সেখানে ওগো জগন্নাথের দেউল তোমায় রাখবে কোথায় ঢেকে॥ হল বৈরাগিনী ধরা তোমার চরণ ধূলি মেখে তোমার মন্ত্র নিল অসীম আকাশ চাঁদের তিলক এঁকে। সুন্দর যা কিছু হেরি ওগো রূপ সে শচী-নন্দনেরি তোমার ডাক শুনি যে আজো হৃদয়পুরীর সাগর থেকে। তোমার ডাক শুনি যে ওহে প্রিয় ডাক শুনি যে আজো হৃদয়পুরীর সাগর থেকে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ওরে আলয়ে আজ মহালয়া মা এসেছে ঘর। তোরা উলু দে রে, শঙ্খ বাজা, প্রদীপ তুলে ধর্।। (এলো মা, আমার মা) মাকে ভুলে ছিলাম ওরে কাজের মাঝে মায়ার ঘোরে, আজ বরষ পরে মাকে ডাকার মিলল অবসর।। মা ছিল না ব’লে সবাই গেছে পায়ে দ’লে, মার খেয়েছি যত তত ডেকেছি মা ব’লে। মা এসেছে ছুটে রে তাই ভয় নাইরে আর ভয় নাই, মা অভয়া এনেছে রে দশ হাতে তাঁর বর।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

আমার সকলি হরেছ হরি এবার আমায় হ’রে নিও। যদি সব হরিলে নিখিল-হরণ তবে ঐ চরণে শরণ দিও।। আমায় ছিল যারা আড়াল ক’রে হরি তুমি নিলে তাদের হ’রে, ছিল প্রিয় যারা গেল তারা (হরি) এবার তুমিই হও হে প্রিয়।।
রাগঃ আশাবরী / জৌনপুরী
তালঃ কাওয়ালি

গভীর নিশীথে ঘুম ভেঙ্গে যায়, কে যেন আমারে ডাকে — সে কি তুমি, সে কি তুমি? কার স্মৃতি বুকে পাষাণের মত ভার হয়ে যেন থাকে — সে কি তুমি, সে কি তুমি? কাহার ক্ষুধিত প্রেম যেন, হায়, ভিক্ষা চাহিয়া কাঁদিয়া বেড়ায়; কার সকরুণ আঁখি দু’টি যেন রাতের তারার মত মুখপানে চেয়ে থাকে – সে কি তুমি, সে কি তুমি? নিশির বাতাস কাহার হুতাশ দীরঘ নিশাস সম ঝড় তোলে এসে অন্তরে মোর, ওগো দুরন্ত মম। সে কি তুমি, সে কি তুমি? মহাসাগরের ঢেউ–এর মতন, বুকে এসে বাজে কাহার রোদন, ‘পিয়া পিয়া’ নাম জপে অবিরাম বনের পাপিয়া পাখি আমার চম্পা শাখে – সে কি তুমি, সে কি তুমি?
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ ফিরোজা বেগম
