বিদায়ের বেলা মোর ঘনায়ে আসে

বাণী

বিদায়ের বেলা মোর ঘনায়ে আসে।
দিনের চিতা জ্বলে অস্ত আকাশে।।
দিন শেষে শুভদিন এলো বুঝি মম
মরণের রূপে এলে মোর প্রিয়তম,
গোধূলির রঙে তাই দশ দিশি হাসে।।
দিন গুণে নিরাশার পথ-চাওয়া ফুরালো,
শ্রান্ত এ জীবনের জ্বালা আজ জুড়ালো।
ওপার হ’তে কে এলো তরী বাহি’
হেরিলাম সুন্দরে, আর ভয় নাহি,
আঁধারের ’পারে তার চাঁদ-মুখ ভাসে।।

প্রিয় মুহরে-নবুয়ত-ধারী হে হজরত

বাণী

প্রিয়	মুহরে-নবুয়ত-ধারী হে হজরত
		(প্রিয়) তারিতে উম্মত এলে ধরায়
	মোহাম্মদ মোস্তফা, আমহদ মুরতজা
		নাম জপিতে নয়নে আঁসু ঝরায়।।
দিলে 	মুখে তক্‌বির, দিলে বুকে তৌহিদ
দিলে 	দুঃখেরই সান্ত্বনা খুশির ঈদ
দিলে 	প্রাণে ঈমান, দিলে হাতে কোরআন
		শিরে শিরতাজ নাম মুসলিম আমায়।।
তব	সব নসিহত মোরা গিয়াছি ভুলে
শুধু	নাম তব আছে জেগে প্রাণের কূলে
	ও-নামে এ প্রাণ-সিন্ধু তব দুলে
		আমি ঐ নামে ত’রে যাব, আছি আশায়।।

আজ নিশীথে অভিসার তোমারি পথে প্রিয়তম

বাণী

		আজ নিশীথে অভিসার তোমারি পথে প্রিয়তম।
		বনের পারে নিরালায় দিও হে দেখা নিরুপম।।
		সুদূর নদীর ধারে নিরালাতে বালুচরে
		চখার তরে যথা একা চখি কেঁদে মরে
		সেথা সহসা আসিও গোপন প্রিয় স্বপন সম।।
		তোমারি আশায় ঘুরি শত গ্রহে শত লোকে,
(ওগো) 	আমারি বিরহ জাগে বিরহী চাঁদের চোখে,
		আকুল পাথার নিরাশার পারায়ে এসো প্রাণে মম।।

দাও আরো আরো দাও সুরা আর সুর

বাণী

দাও আরো আরো দাও সুরা আর সুর।
প্রাণের পাত্র কর সুখে ভরপুর।।
	বাজুক অধীর হ’য়ে
	নূপুর জলদ লয়ে,
সমতালে তাল দিক কাঁকন-কেয়ূর।।
	সুর ও সুরার ঝোঁক
	ধরায় অমর হোক,
এই সে-স্বর্গলোকে আয় তৃষাতুর।।

নাটিকা: ‘নরমেধ’

অনাদরে স্বামী পড়ে আছি আমি

বাণী

অনাদরে স্বামী প’ড়ে আছি আমি তব কোলে তুলে নাও
নিয়ে ধরণীর ধূলি আছি আমি ভুলি’ চরণের ধূলি দাও॥
	বিভবে বিলাসে সংসার কাজে
	অশান্ত প্রাণ কাঁদে বন্ধন মাঝে
বৃথা দ্বারে দ্বারে চেয়েছি সবারে এবার তুমি মোরে চাও॥
	যাহা কিছু প্রিয় জীবনের মম
	হরিয়া লহ তুমি, লও প্রিয়তম।
	সূর্যের পানে সূর্যমুখী ফুল
	যেমন চাহিয়া রয় বিরহ-ব্যাকুল
তেমনি প্রভু আমার এ মন তোমার পানে ফিরাও॥

মসজিদে ঐ শোন্ রে আজান চল নামাজে চল্

বাণী

	মসজিদে ঐ শোন্ রে আজান, চল নামাজে চল্ ।
	দুঃখে পাবি সান্ত্বনা তুই বক্ষে পাবি বল।।
	ময়লা-মাটি লাগবে যা তোর দেহ-মনের মাঝে —
	সাফ হবে সব, দাঁড়াবি তুই যেম্‌নি জায়নামাজে;
(চল্)	রোজগার তুই করবি যদি আখেরের ফসল।।
	হাজার কাজের অছিলাতে নামাজ করিস কাজা
	খাজনা তারি দিলি না, যে দ্বীন-দুনিয়ার রাজা
তাঁরে	পাঁচ বার তুই করবি মনে, তাতেও এত ছল্।।
	কার তরে তুই মরিস খেটে; কে হবে তোর সাথী
	বে-নামাজীর আঁধার গোরে কে জ্বালাবে বাতি
(চল্)	খোদার নামে শির লুটায়ে জীবন কর্‌ সফল।।