আন্ গোলাপ-পানি

বাণী

আন্ গোলাপ-পানি, আন্ আতরদানি গুলবাগে।
সহেলি গো কিছু নাহি ভালো লাগে
বেদুঈন ছেলের বাঁশি কারে ডাকে
			কেঁদে’ কেঁদে’ অনুরাগে।।
	মরুযাত্রীদের উটের সারি
	যেমন চাহে তৃষার বারি
তেমনি মম পিয়াসি পরান যেন কার —
			প্রেম-অমৃত বারি মাগে।।
চাঁদের পিয়ালাতে জোছনা-শিরাজি ঝ’রে যায়
আমারি হৃদয় কেন গো সে-মধু নাহি পায়,
হায়, হায়, বাদাম গাছের আঁধার বনে
নিঃশ্বাস ওঠে যেন বুল্‌বুলির শিসের সনে,
বিরহী মোর কোথায় কাঁদে কোন্ মদিনাতে —
ফোরাত নদীর রোদন সম বুকে ঢেউ জাগে।।

১. স্রোতের

সঙ্গীতালেখ্য : ‌‘কাফেলা’ (মরুদেশের সঙ্গীত)

জাগো ভারত রানী ভারতজন্ তুম্ হে চাহে

বাণী

জাগো ভারত রানী ভারতজন্ তুম্ হে চাহে
গগনমে উঠত যো বাণী সো হি জগজন গাহে॥
		রোবত ভারতকে ন্যরনারী
		বোলাতা জ্যগ মাই হামারী
দুঃখ-দৈন্য ভারতকো ঘেরি তুম অব সেবত কাহে॥
		নীল সিন্ধু তুম্‌হা লাগি
		গ্যরজত ঘন অনুরাগী
কেঁউ নাহি উঠত জাগি যব্ ভারত প্রেম গাহে॥

হারানো হিয়ার নিকুঞ্জ পথে

বাণী

হারানো হিয়ার নিকুঞ্জপথে কুড়াই ঝরা ফুল একেলা আমি।
তুমি কেন হায় আসিলে হেথায় সুখের স্বরগ হইতে নামি।।
	চারিপাশে মোর উড়িছে কেবল
	শুকনো পাতা মলিন ফুল–দল,
বৃথাই কেন হায় তব আঁখিজল ছিটাও অবিরল দিবস–যামী।।
	এলে অবেলায় পথিক বেভুল
	বিঁধিছে কাঁটা নাহি যবে ফুল,
কি দিয়ে বরণ করি ও চরণ নিভিছে জীবন, জীবন–স্বামী।।

তওফিক দাও খোদা ইসলামে

বাণী

তওফিক দাও খোদা ইসলামে মুসলিম-জাঁহা পুনঃ হোক আবাদ।
দাও সেই হারানো সালতানাত দাও সেই বাহু সেই দিল আজাদ।।
দাও সেই হামজা সেই বীর ওলীদ
দাও সেই উমর হারুন অল রশীদ
দাও সেই সালাহউদ্দীন আবার পাপ দুনিয়াতে চলুক জেহাদ।।
দাও সে রুমী সাদী হাফিজ
সেই জামী খৈয়াম সে তবরিজ
দাও সে আকবর সেই শাহজাহান দাও তাজমহলের স্বপ্ন সাধ।।
দাও ভা'য়ে ভা'য়ে সেই মিলন
সেই স্বার্থত্যাগ সেই দৃপ্ত মন,
হোক বিশ্ব-মুসলিম এক জামাত উড়ুক নিশান ফের যুক্ত চাঁদ।।

মাধবী-লতার আজি মিলন সখি

বাণী

মাধবী-লতার আজি মিলন সখি
শ্যাম সহকার তরুর সাথে।
আকাশে পূর্ণিমা-চাঁদের জলসা
হের গো তাই আজি চৈতালী রাতে।।
ফুলে ফুলে তা’র ফুল্ল তনুলতা
গাহিয়া ওঠে পাখি ‘বউ গো কও কথা’,
স্বর্ণলতার সাতনরী হার
দুলিছে গলায় রাতুল শোভাতে।।
তা’রি আমন্ত্রণ-লিপি থরে থরে,
শ্যামল পল্লবে কুসুম-আখরে।
তরুলতা দুলে পুলকে নাচি’ নাচি’
মিলন-মন্ত্র গাহিছে মৌমাছি,
আল্পনা আঁকে আলো ও ছায়াতে।।

১. শতনরী

শ্যামা তোর নাম যার জপমালা

বাণী

শ্যামা তোর নাম যার জপমালা তার কি মা ভয় ভাবনা আছে।
দুঃখ-অভাব-রোগ-শোক-জরা লুটায় মা তার পায়ের কাছে॥
	যার চিত্ত নিবেদিত তোর চরণে
	ওমা কি ভয় তাহার জীবনে মরণে।
যেমন খেলে শিশু মায়ের সম তোর অভয় কোলে সে তেমনি নাচে॥
	রক্ষামন্ত্র যার শ্যামা তোর নাম,
	সকল বিপদ তারে করে প্রণাম।
	সদা প্রসন্ন মন তার ধ্যানে মা তোর,
	ভূমানন্দে মা গো রহে সে বিভোর।
তার নিকটে আসিতে নারে কালো কঠোর তব নাম প্রসাদ সে লভিয়াছে॥