বাণী
এলো মিলন-রাতি জ্বলে বাসর-বাতি ওগো পরান-সাথি এসো পরানে।। প্রেম-কুসুম গাঁথি ছিনু আসন পাতি ছিনু হরষে মাতি তব বরণ-গানে।। প্রেম-মদির-আঁখি আঁখিতে রাখি, শুধু চাহিয়া থাকি তব মুখের পানে।।
নাটক : ‘কাফন-চোরা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
এলো মিলন-রাতি জ্বলে বাসর-বাতি ওগো পরান-সাথি এসো পরানে।। প্রেম-কুসুম গাঁথি ছিনু আসন পাতি ছিনু হরষে মাতি তব বরণ-গানে।। প্রেম-মদির-আঁখি আঁখিতে রাখি, শুধু চাহিয়া থাকি তব মুখের পানে।।
নাটক : ‘কাফন-চোরা’
রাগঃ
তালঃ
শূন্য আজি গুল-বাগিচা যায় কেঁদে দখিন হাওয়া। রাঙা গুলের বাজার আজি স্মৃতির কাটায় ছাওয়া।। ধূলি ঢাকা ফুল সমাধি আজি সে গুলিস্তানে ছিল যথায় খুশির জলসা বুলবুলির গজল গাওয়া।। শুকনো পাতায় ছেয়েছে আজ সাকির চরণ রেখা নাহি সেথায় বঁধুর লাগি বঁধূর আসা-যাওয়া।। নাহি মিঠা পানির নহর আছে প'ড়ে বালুচর এ যেন গো হৃদয়ের ভরা-ডুবির পথ বাওয়া।।
রাগঃ কাফি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

ও বাবা! তুর্কী-নাচন নাচিয়ে দিলে। (ওসে) কোন্ অভাগা অঙ্ক-লক্ষ্মী নাম দিল এই শঙ্খ-চিলে।। দিন রাত্তির অঙ্ক কষে পান্ হতে চুন কখন্ খসে, স্ত্রী ব’লে আন্নু ঘরে শাড়ি পরা কোন্ উকিলে।। প্রাণ-পাখি মোর খাঁচা-ছাড়া, (এই) ঝুল্তি বেণীর গুল্তি ঢিলে’ মাতঙ্গিনী মহিষিণী গুঁতিয়ে ফাটায় পেটের পিলে। যেমন বাঘ দেখে ছাগ ছুটেরে ভাই তেমনি কাছা খুলে পালিয়ে বেড়াই ওগো মাগো এসে রক্ষা কর হালুম-বাঘায় ফেল্ল গিলে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

এতো ঘুম নয় সই নয়ন ভরা রঙিন স্বপনে আমি যেন হারিয়ে গেছি কোন ফুলবনে ওগো রঙিন স্বপনে।। আমি যেন চাঁদনি রাতে মিশিয়ে গিয়ে হাওয়ার সাথে গোপন প্রিয়ার গোপন কথা শুনছি গোপনে।। আমি যেন মৌমাছিদের হালকা পাখায় বসি কোন প্রেয়সী মন টানে মোর কোন সে রুপসী। আমি যেন কেমন করে মেতেছি মোর রূপের তরে অশান্ত যৌবনের একি বাহুর বাঁধনে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

অকূল তুফানে নাইয়া কর পার পাপ দরিয়াতে ডুবে মরি কান্ডারি নাই কড়ি নাই তরী প্রভু পারে তরিবার।। থির নহে চিত পাপ-ভীত সদা টলমল পুণ্যহীন শূন্য মরু সম হৃদি-তল নাহি ফুল নাহি ফল পার কর হে পার কর ডাকি কাঁদি অবিরল নাহি সঙ্গী নাহি বন্ধু নাহি পথেরি সম্বল। সাহারায় নাহি জল শাওন বরিষা সম তব করুণার ধারা ঝরিয়া পড়ুক পরানে আমার।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

আমি বাউল হ’লাম ধূলির পথে ল’য়ে তোমার নাম। আমার একতারাতে বাজে শুধু তোমারই গান, শ্যাম।। নিভিয়ে এলাম ঘরের বাতি এখন তুমিই সাথের সাথি, আমি যেখানে যাই সেই সে এখন আমার ব্রজধাম।। আমি আনন্দ-লহরি বাজাই নূপুর বেঁধে পায়ে, শ্রান্ত হ’লে জুড়াই তনু বন-বীথি বটের ছায়ে।১ ভাবনা আমার তুমি নিলে আমায় ভিক্ষা-পাত্র দিলে কখন তুমি আমার হবে পূরবে মনস্কাম।।
১. শ্রান্ত হলে জুড়াই তবু বংশী-বটের ছায়ে।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
