বাণী
ঝরাফুল-বিছানো পথে এসো বিজন-বাসিনী। জোছনায় ছড়ায়ে হাসি এসো সুচারু-হাসিনী।। এসো জড়ায়ে তব তনুতে গোধূলী রামধনুতে, পাপিয়া-পিক-কূজনে গাহিয়া মধু-ভাষিণী।। ছন্দ-দোদুল্ গতি এসো নোটন্ কপোতী, বহায়ে মনের মরুতে আনন্দ-মন্দাকিনী।।
রাগ ও তাল
রাগঃ পিলু
তালঃ লাউনি
ঝরাফুল-বিছানো পথে এসো বিজন-বাসিনী। জোছনায় ছড়ায়ে হাসি এসো সুচারু-হাসিনী।। এসো জড়ায়ে তব তনুতে গোধূলী রামধনুতে, পাপিয়া-পিক-কূজনে গাহিয়া মধু-ভাষিণী।। ছন্দ-দোদুল্ গতি এসো নোটন্ কপোতী, বহায়ে মনের মরুতে আনন্দ-মন্দাকিনী।।
রাগঃ পিলু
তালঃ লাউনি
রুমু রুম্ঝুম্ জল-নূপুর বাজায়ে কে — মোরে বর্ষার প্রভাতে গেলে ডেকে।। কে গো আনন্দিনী, কাহার নন্দিনী শ্রবণ মন বলে তোমারে চিনি চিনি, তব আসার আশে, চির-বিরহিণী — পথ চেয়ে আছি কবে থেকে।। মনের মধুবনে সহসা পাপিয়া ‘পিয়া পিয়া’ ব’লে উঠিল ডাকিয়া, তোমার স্মৃতি আজি উদাস-আকাশে — মেঘের কাজল দিল মেখে।।
রাগঃ
তালঃ
গুঞ্জা-মঞ্জরি-মালা। অঞ্চলে শুকায় অভিমানে কালা।। সহিতে পারি না আর তোমার বিরহ ধর গিরিধারী মোর বেদনা অসহ, ভোলাও নীরদ-ঘন-শ্যাম-কৃষ্ণ! তৃষ্ণার জ্বালা।।
রাগঃ মালগুঞ্জ
তালঃ
উদার প্রাতে কে উদাসী এলে। প্রশান্ত দীঘল নয়ন মেলে’।। স্নিগ্ধ সকরুণ তোমার হাসি আঘাত করে যেন আমারে আসি’, পাষাণ সম তব মৌন মূরতি মোর বুকে বিষাদের ছায়া কেন ফেলে।। উন্মন ভিখারি গো বল মোর কাছে শূন্য হৃদয় তব কোন মন যাচে, অশ্রু তুষার ঘন বিগ্রহ তব গলিয়া পড়িবে প্রেমে কার মালা পেলে।।
রাগঃ টোড়ি
তালঃ আদ্ধা-কাওয়ালি
পিয়াল তরুতে হেরিয়াছিল প্রিয়া তোমার দীঘল তনু। ফুল-ভারনত শাখাতে তাহার বাঁকা তব ভুরু-ধনু।।
নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’ (মজনু গান)
রাগঃ
তালঃ
দীনের হতে দীন দুঃখী অধম যেথা থাকে ভিখারিনী বেশে সেথা দেখেছি মোর মাকে মোর অন্নপূর্ণা মাকে॥ অহংকারের প্রদীপ নিয়ে স্বর্গে মাকে খুঁজি মা ফেরেন ধূলি পথে যখন ঘটা করে পূজি ঘুরে ঘুরে দূর আকাশে প্রণাম আমার ফিরে আসে যথায় আতুর সন্তানে মা কোল বাড়ায়ে ডাকে॥ নামতে নারি তাদের কাছে সবার নীচে যারা তাদের তরে আমার জগন্মাতা সর্বহারা। অপমানের পাতাল তলে লুকিয়ে যারা আছে তোর শ্রীচরণ রাজে সেথা নে মা তাদের কাছে আনন্দময় তোর ভুবনে আনব কবে বিশ্বজনে আমি দেখব জ্যোতির্ময়ী রূপে সেদিন তমসাকে আমার অন্নপূর্ণা মাকে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
