বাণী
জাগো রূপের কুমার, কেন অলস ঘুমে কাটাও রাতি। হের দুয়ারে দাঁড়ায়ে বধূর সাজে তব জাগার সাথী।। আসে বারেবারে সে যে অভিসারে তার বুকের ভাষা মুখে কইতে নারে, মোরা বাসর ঘরে এলাম জ্বাল্তে বাতি।।
নৃত্য-সঙ্গীত, নাটক : সর্বহারা
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
জাগো রূপের কুমার, কেন অলস ঘুমে কাটাও রাতি। হের দুয়ারে দাঁড়ায়ে বধূর সাজে তব জাগার সাথী।। আসে বারেবারে সে যে অভিসারে তার বুকের ভাষা মুখে কইতে নারে, মোরা বাসর ঘরে এলাম জ্বাল্তে বাতি।।
নৃত্য-সঙ্গীত, নাটক : সর্বহারা
রাগঃ
তালঃ
কারার ঐ লৌহ-কপাট ভেঙ্গে ফেল্ কর্ রে লোপাট রক্ত-জমাট শিকল-পূজার পাষাণ-বেদী! ওরে ও তরুণ ঈশান! বাজা তোর প্রলয়-বিষাণ! ধ্বংস-নিশান উঠুক প্রাচী-র প্রাচীর ভেদি’॥ গাজনের বাজনা বাজা! কে মালিক? কে সে রাজা? কে দেয় সাজা মুক্ত-স্বাধীন সত্য কে রে? হা হা হা পায় যে হাসি, ভগবান প’রবে ফাঁসি? সর্বনাশী — শিখায় এ হীন্ তথ্য কে রে? ওরে ও পাগ্লা ভোলা, দেরে দে প্রলয়-দোলা গারদগুলা জোরসে ধ’রে হ্যাঁচকা টানে। মার্ হাঁক হায়দরী হাঁক্ কাঁধে নে দুন্দুভি ঢাক ডাক ওরে ডাক মৃত্যুকে ডাক জীবন-পানে॥ নাচে ঐ কাল-বোশেখী, কাটাবি কাল ব’সে কি? দে রে দেখি ভীম কারার ঐ ভিত্তি নাড়ি’। লাথি মার, ভাঙ্রে তালা! যত সব বন্দী-শালায় — আগুন জ্বালা, আগুন জ্বালা, ফেল্ উপাড়ি॥
সিনেমাঃ ‘চট্রগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন’
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

নাচে নন্দ-দুলাল। নদী-তরঙ্গে অধীর রঙ্গে — বাজে মঞ্জির চঞ্চল তাল।। চরণের নূপুর খুলে ফুল হয়ে ঝরে তরুমূলে, পূবালী পবনে বন-ভবনে দোলে সে-ছন্দে পিয়াল তমাল।। মধুকর কল-গুঞ্জনে কাজরি গাহে নীপবনে, ময়ূর পাপিয়া উঠিল মাতিয়া বাজে বৃষ্টির বীণা করতাল।।
রাগঃ নটমল্লার
তালঃ ত্রিতাল
যেদিন লব বিদায় ধরা ছাড়ি প্রিয়ে। ধুয়ো ‘লাশ’ আমার লাল পানি দিয়ে।। শেয়র: শারাবী জমশেদী গজল ‘জানাজায়’ গাহিও আমার দিবে গোর খুঁড়িয়া মাটি খারারী ঐ শারাব-খানার! ‘রোজ-কিয়ামতে’ তাজা উঠব জিয়ে।। শেয়র: এমনি পিইব শারাব ভেসে যাব তাহার স্রোতে, উঠিবে খুশবু শারাবের আমার ঐ গোরের পার হতে; টলি’ পড়বে পথিক সে নেশায় ঝিমিয়ে।।
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
প্রিয় এমন রাত যেন যায় না বৃথাই পরি চাঁপা ফুলের শাড়ি খয়েরিটিপ, জাগি বাতায়নে জ্বালি আঁখি প্রদীপ, মালা চন্দন দিয়ে মোর থালা সাজাই।। তুমি আসিবে বলে সুদূর অতিথি জাগে চাঁদের তৃষা লয়ে কৃষ্ণা তিথি, কভু ঘরে আসিকভু বাহিরে চাই।। আজি আকাশে বাতাসে কানাকানি, জাগে বনে বনে নবফুলের বাণী, আজি আমার কথা যেন বলিতে পাই।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুরাধা পোড়ওয়াল

মোর হৃদি-ব্যথার কেউ সাথী নাহি। ল’য়ে আহত প্রাণ একা গান গাহি।। দিবস বরষ মাস বুকে চাপি’ হা-হুতাশ, চলি মরুপথে মেঘ-ছায়া চাহি’।। কানন রচি বৃথা, কুসুম নাহি ফোটে বাসি হয় গাঁথা মালা পথের ধূলায় লোটে, কবে বহিবে নিঝর-ধারা পাষাণ বাহি’।।
রাগঃ পাহাড়ি
তালঃ দাদ্রা