দূর আরবের স্বপন দেখি

বাণী

দূর আরবের স্বপন দেখি বাংলাদেশের কুটির হ'তে।
বেহোশ হয়ে চলেছি যেন কেঁদে কেঁদে কা'বার পথে।।

হায় গো খোদা, কেন মোরে
পাঠাইলে হায় কাঙ্গাল ক'রে;
যেতে নারি প্রিয় নবীর মাজার শরীফ জিয়ারতে।।

স্বপ্নে শুনি নিতুই রাতে - যেন কা'বার মিনার থেকে
কাঁদছে বেলাল ঘুমন্ত সব মুসলিমেরে ডেকে ডেকে।
ইয়া এলাহি ! বল সে কবে
আমার স্বপন সফল হ'বে,
গরিব ব'লে হব কি নিরাশ, মদিনা দেখার নিয়ামতে।।

নিয়ে কাদা মাটির তাল খেলে হোরি

বাণী

[ছ্যারা রারা রারা রারা হোলি হ্যায়]
নিয়ে কাদা মাটির তাল খেলে হোরি ভূতের পাল।
নর্দমা হতে ছিটায় কর্দম হর্দম ‘কাহার’ চাঁড়াল।।
দুই পাশের পথিকের গায়, কাদা ছিটিয়ে মোটর যায়,
নল দিয়ে ঐ জল ছিটায় ফুটপাথে উড়িয়া-দুলাল।।
হুরর গুয়ে গ্যাঁদাল ঘেঁটুর চারা, যা চলে যা ছাপরা আরা,
নিয়ে আয় বৃন্দাবনের হোলির কাদা, মূলতানী বলদের নাদা।
ছ্যারা রারা রারা রারা ছ্যারা রারা রারা রারা,
ডাল রুটি রুটি ডাল ডাল রুটি রুটি ডাল
রুটি ডাল রুটি ডাল ডাল, রুটি ডাল রুটি ডাল ডাল
মেখে চুকে মেখে চুকে গো-চোনারই গোলাপ জল
ছিটায় ভাগলপুরী গাই।
ঝি ঢেলে দেয় ছাত থেকে গোবর-গোলা আকার ছাই।
দেয় ফেলে পিকদানীর পিচ কাপড় চোপড় লালে লাল।।
[হোলি হ্যায় হোলি]
ভুঁড়িতে ফুঁড়িছে ডাক্তার পিচকারিতে হোলি হ্যায়!
টক্কর খেয়ে উল্টে পড়ে ময়লা গাড়ি হোলি হ্যায়!
ষাঁড়ের গুঁতোয় পড়ে খানায় খেলে হোরি পাঁড় মাতাল।।
[কি ব্যাপার রাই মাছের চপ হয়ে গেছি বাবা!]

‘হোরির হর্‌রা’

প্রদীপ কি জ্বলিল আবার

বাণী

প্রদীপ কি জ্বলিল আবার।
দিন কি গো শেষ হল মোর নিরাশার।।
বিরহ দাহন কি গো ফুরালো
বৈকালি বায়ে তনু জুড়ালো,
উঠিবে কি চাঁদ আর রবে না আঁধার।।
সে কি গো রাধারে ত্যজিয়া ব্রজপথে
আরোহিবে মথুরার রথে,
যমুনায় আবার কি বহিবে জোয়ার।।

জানি আমার সাধনা নাই আছে তবু সাধ

বাণী

জানি আমার সাধনা নাই আছে তবু সাধ।
তুমি আপনি এসে দেবে ধরা দূর-আকাশের চাঁদ।।
	চকোর নহি মেঘও নহি
	আপন ঘরে বন্দী রহি’
আমি শুধু মনকে কহি কাঁদ নিশি দিন কাঁদ।।
কূল-ডুবানো জোয়ার কোথা পাব হে সুন্দর?
হে চাঁদ আমি সাগর নহি পল্লী-সরোবর।
	নিশীথ রাতে আমার নীরে,
	প্রেমের কুমুদ ফোটে ধীরে,
মোর ভীরু প্রেম যেতে নারে ছাপিয়ে লাজের বাঁধ।।

আজ চোখের জলে প্রার্থনা মোর

বাণী

আজ	চোখের জলে প্রার্থনা মোর শেষ বরষের শেষে,
যেন	এমনি কাটে আস্‌ছে-জনম তোমায় ভালোবেসে।।
		এম্‌নি আদর, এম্‌নি হেলা,
		মান-অভিমান এম্‌নি খেলা,
	এম্‌নি ব্যথার বিদায়-বেলা এম্‌নি চুমু হেসে,
যেন	খণ্ড মিলন পূর্ণ করে নুতন জীবন এসে।
এবার	ব্যর্থ আমার আশা যেন সফল প্রেমে মেশে।।
যেন	আর না কাঁদায় দ্বন্দ্ব-বিরোধ, হে মোর জীবন-স্বামী,
এবার	এক হয়ে যাক প্রেমে তোমার তুমি আমার আমি।
		আপন সুখকে বড় ক’রে
		যে-দুখ পেলেম জীবন ভ’রে
	এবার তোমার চরণ ধ’রে নয়ন-জলে ভেসে
যেন	পূর্ণ ক’রে তোমায় জিনে সব-হারানোর দেশে
মোর	মরণ-জয়ের বরণ-মালা পরাই তোমার কেশে।।

দ্বীনের নবীজি শোনায় একাকী

বাণী

দ্বীনের নবীজি শোনায় একাকী কোরানের মধু-বাণী।
আয়েশা খাতুন শোনেন বসিয়া, নয়নে ঝরিছে পানি।।
	বে-দ্বীন দিওয়ানা হ’য়ে
	কাঁদে যে কোরান ল’য়ে,
বিশ্ববাসী আনিল ঈমান যে পাক কোরান মানি’।।
চন্দ্র-তারকা-গ্রহ আদি ঐ তরুলতা মরু-বায়,
কোরানের সেই আয়াত শুনিয়া লুটায় নবীর পায়।
	কোরানে জাগাও ওরে
	জ্ঞান-গরিমায় মোরে,
মরিতে আমায় দিও গো ল’য়ে বক্ষে কোরানখানি।