একাদশীর চাঁদ রে ওই রাঙা মেঘের পাশে

বাণী

একাদশীর চাঁদ রে ওই রাঙা মেঘের পাশে
যেন কাহার ভাঙা কলস আকাশ গাঙে ভাসে।।
	সেই কলসি হতে ধরার ’পরে
	অঝোর ধারায় মধু ঝরে রে
দলে দলে তাই কি তারার মৌমাছিরা আসে।।
সেই মধু পিয়ে ঘুমের নেশায় ঝিমায় নিশীথ রাতি
বন-বধূ সেই মধু ধরে ফুলের পাত্র পাতি’।
	সেই মধু এক বিন্দু পিয়ে
	সিন্ধু ওঠে ঝিলমিলিয়ে রে
সেই চাঁদেরই আধখানা কি তোমার মুখে হাসে।।

নামাজী তোর নামাজ হলো রে ভুল

বাণী

নামাজী, তোর নামাজ হলো রে ভুল।
মসজিদে তুই রাখিরি সিজ্‌দা, ছাড়ি ইমানের মূল॥
	নামাজে সামিল হয়ে জামাতের,
	আউড়ালি মুখে সুরা কোরানের,
ভাব্‌লি কি তুই পার হয়ে গেলি, পুলসেরাতের পুল॥
আজ মিলন তীর্থে বাঁধ রে কাতার মনের জায়নামাজে,
সেই আরফাতে তোর নুয়ে দে দিল না ফরমানি লাজে,
	ওজু করে ফের তৌবার নীরে,
	তহরিম বাঁধ ভীতু নত শিরে,
বন্দেগী তোর কবুল হবে রে, কিয়ামতে পাবি কূল ॥

মুখে কেন নাহি বলো আঁখিতে যে কথা কহো

বাণী

মুখে কেন নাহি বলো আঁখিতে যে কথা কহো
অন্তরে যদি চাহো মোরে তবে কেন দূরে দূরে রহো।।
     প্রেম -দীপ শিখা অন্তরে যদি জ্বলে
     কেন চাহো তারে লুকাইতে অঞ্চলে
পূজিবে না যদি সুন্দরে রূপ -অঞ্জলি কেন বহো।।
ফুটিলে কুসুম -কলি রহে না পাতার তলে,
কুণ্ঠা ভুলিয়া দখিনা-বায়ের কানে কানে কথা বলে।
     যে অমৃত-ধারা উথলে হৃদয় মাঝে
     রুধিয়া তাহারে রেখো না হৃদয় লাজে
প্রাণ কাঁদে যার লাগি, তারে কেন বিরহ দহনে দহো।।

স্বপনে আজ মোহাম্মদ দেখা দিয়েছে

বাণী

স্বপনে আজ মোহাম্মদ দেখা দিয়েছে।
কোরানের মালা দিয়ে পরান নিয়েছে-
		গো আমার পরান নিয়েছে ৷
	গায়ে তাঁর নূরের চাদর
	দীনের ঘোম্‌টা মুখের উপর,
রূপে তাঁর সারা ভুবন উজল হয়েছে ৷৷
	নিজের পায়ে আঁধার-পথে
	জ্বেলে দিয়ে আমার হৃদে,
রূপ দেখায়ে মন ভুলায়ে পাগল করেছে।
	তাঁরই নামের তস্‌বি হয়ে’
	নাইবা বনে থাকবো গিয়ে,
পেয়েছেন পথের দেখা ব'লে দিয়েছে।

হার মানি ননদিনী

বাণী

হার মানি ননদিনী
মুখর মুখের বাণী শুনি তোর লজ্জাও লাজ সখি ভোলে
			পুলকে প্রাণ মন দোলে দোলে।।
পলকের চাহনিতে কে জানে কেমনে
প্রাণে এলো এত মধু এত লাজ নয়নে
বাহিরে নীরব কথার কুহু অন্তরে মুহুমুহু বোলে বোলে
			মুহু মুহু কুহু কুহু বোলে।।
তোরি মত ছিনু সই বনের কুরঙ্গী
মানি নাই কোনদিন লাজের ভ্রুভঙ্গি।
মধুরা মুখরা ওলো! মিষ্টি মুখের তোর
সব মধু খেয়েছে কি ঠাকুর জামাই চোর?
তব অভিনব বাণী হিল্লোলে
গুন্ঠন আপনি খোলে পুলকে প্রাণ মন দোলে।।

নাটিকাঃ ‘প্রীতি উপহার’

আমিনার কোলে নাচে হেলে দুলে

বাণী

আমিনার কোলে নাচে হেলে দুলে
শিশু নবী আহমদ রূপের লহর তুলে।।
রাঙা মেঘের কাছে ঈদের চাঁদ নাচে
যেন নাচে ভোরের আলো গোলাব গাছে।
চরণে ভ্রমরা গুঞ্জরে গুল ভুলে।।
সে খুশির ঢেউ লাগে আরশ কুরসি পাশে
হাততালি দিয়ে হুরী সব বেহেশতে হাসে
সুখে ওঠে কেঁপে হিয়া চরণ মূলে।।
চাঁদনি রাঙা অতুল মোহন মোমের পুতুল
আদুল গায়ে নাচে খোদার প্রেমে বেভুল
আল্লার দয়ার তোহ্ফা এলো ধরার কূলে।।