বাণী
পোহাল পোহাল নিশি খোল গো আঁখি। কুঞ্জ-দুয়ারে তব গাহিছে১ পাখি, ওই গাহিছে পাখি॥ ওই বংশী বাজে দূরে শোন ঘুম ভাঙানো সুরে, খোল দ্বার লহ বঁধূরে ডাকি॥২
১. ডাকিছে, ২. খুলি’ দ্বার বঁধূরে লহ গো ডাকি’॥
নাটকঃ ‘আলেয়া’ (ভোরের হাওয়ার গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
পোহাল পোহাল নিশি খোল গো আঁখি। কুঞ্জ-দুয়ারে তব গাহিছে১ পাখি, ওই গাহিছে পাখি॥ ওই বংশী বাজে দূরে শোন ঘুম ভাঙানো সুরে, খোল দ্বার লহ বঁধূরে ডাকি॥২
১. ডাকিছে, ২. খুলি’ দ্বার বঁধূরে লহ গো ডাকি’॥
নাটকঃ ‘আলেয়া’ (ভোরের হাওয়ার গান)
রাগঃ
তালঃ
তুমি সুন্দর কপট হে নাথ! মায়াতে রাখ বিভোর। তোমার ছলনা যে বোঝে না নাথ সেই সে দুঃখী ঘোর।। কত শত রূপে নিঠুর আঘাতে তুমি চাও নাথ তোমারে ভোলাতে তবু যে তোমারে ভুলিতে পারে না ধরা দাও তারে চোর।। কাঁদাও তাহারে নিশিদিন তুমি যপে যে তোমার নাম তোমারে যে চাহে শত বন্ধনে বাঁধ তারে অবিরাম। সাগরে মিশাতে চায় বলে নদী জনম গোঁয়ায় কেঁদে নিরবধি ভক্তে তেমনি দিয়াছ যে নাথ অসীম আঁখি - লোর।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ঐ চলে তরুণী গোরী গরবী। ডাকে দূর পারাবার ডাকে তারে বন পার — লালসে ঝরে তার পায় রাঙা করবী।। চলে বালা দুলে দুলে এলো খোঁপা পড়ে খুলে, চাহি ভ্রমর কুসুম ভুলে — তনুর তার সুরভি।। নাচের ছন্দে দোলে টলে তার চরণ চটুল, হরিণী চায় পথ বেভুল — মায়া লোক বিহারিণী রচি’ চলে ছায়াছবি।।
রাগঃ গৌড় সারং মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
মুরলী শিখিব ব'লে এসেছি কদম্ব তলে মুরলীধারী মুরলী শিখাও হে কোন সুরে মধু-মাধবী ফোটে কোন সুরে রাধা নাম ওঠে মাধব হে! বাঁশির কোন সুরে উদাসী করে প্রাণ দাসী করে, মাধব হে — দেহ ময়ুর নাচে কোন সুর শুনিয়া মন-পাপিয়া গেয়ে ওঠে পিয়া পিয়া মোরে শিখাও সে সুর হে — যে সুরে তুমি নাচিবে, পিয়া ব'লে ডাকিবে মোরে শিখাও সে সুর হে বঁধু যে সুরে কেবল তব সাথে ভাব হয় অভাব রয় না আমি সেই সুর শিখিব যে সুর কৃষ্ণ ছাড়া কোন কথা কয় না কেন ছলছল চোখে চাও মুরলী শিখাও কেন হাত কাপে রসময়। যে সুর তোমার অধর পরশ লাগে সেই বেনু যেন চিরদিন রাধারই রয় বেনু শিখাও হে মোর দেহ মন ধায় যেন ধেনু সম তব পানে বেণু শিখাও হে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (আড়া চৌতাল, দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

আমার হৃদয়-শামাদানে জ্বালি’ মোমের বাতি। নবীজী গো! জেগে’ আমি কাঁদি সারা রাতি।। আস্মানেরই চাঁদোয়া-তলে চাঁদ-সেতারার পিদিম১ জ্বলে, ওরাও যেন খোঁজে তোমায় আমার দুঃখের সাথি২।। দিনের কাজে পাই না সময় যাই নিরালা রাতে, তোমায় পাওয়ার পথ খুঁজি গো কোরানের আয়াতে। তোমায় পেলে পাব খোদায় তাই শরণ যাচি তোমারি পায়, পাওয়ার আশে জেগে থাকি প্রেমের শয্যা পাতি’।। ঝর্লে পাতা, ডাক্লে পাখি, চম্কে ভাবি, তুমি নাকি? মস্জিদে যাই গভীর রাতে খুঁজি আঁতিপাঁতি।। রোজ-হাশরে দেখা পাব মোরে সবাই বলে; তোমার বিহনে আমার ঘুম নাই নয়নে, মোর জীবনে রোজ-কিয়ামত আসে প্রতি পলে। বিষের সমান লাগে আমার দুনিয়ার যশ-খ্যাতি।।
১. চেরাগ ২. ওরা আমার দুখের সাথি
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
তব চলার পথে আমার গানের ফুল ছড়িয়ে যাই গো। তারা ধুলায় প’ড়ে কেঁদে বলে ‘তোমার পরশ (আল্তা) হ’তে চাই গো।। ওরা রাঙা হ’য়ে অনুরাগের রসে তোমার চরণ-তলে পড়ে খ’সে, ওদের দ’লে যেও, নাই যদি হয় বক্ষে তেমার ঠাঁই গো।। ওরা বুক পেতে দেয় পায়ের কাছে, অশ্রু-টলমল, বলে ‘ধূলির পথে চলো না গো, ফুলেরপেথে চল।’ (তুমি) চরণ ফেল কেন ভয়ে ভয়ে বিরহ মোর ফুটেছে ফুল হ’য়ে, কাঁটা আছে আমার বুকে, ফুলে কাঁটা নাই গো।।
রাগঃ
তালঃ