ইন্দ্রজিৎ মোর নাম

বাণী

ইন্দ্রজিৎ মোর নাম, জানে দেবকুল।
নর ও বানর আজ করিব নিরমূল ॥
ঐ দেখি শ্রীরাম পাশেতে লক্ষ্মণ।
খুরপার্শ্ব অর্ধচন্দ্র, মারিব এখন

লেটো গানঃ ‘মেঘনাদ বধ’

লাল টুক্‌টুক্‌ মুখে হাসি মুখখানি টুলটুল

বাণী

লাল টুক্‌টুক্‌ মুখে হাসি মুখখানি টুলটুল।
বিনি পানে রঙ দেখে যায় লাল-ঝুঁটি বুলবুল।।
দেখতে আমার, খুকুর বিয়ে
সূয্যি ওঠেন উদয় দিয়ে,
চাঁদ ওঠে ঐ প্রদীপ নিয়ে গায় নদী কুল্‌কুল্‌।।

নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’

নিশীথ-স্বপন তোর ভু’লে যা

বাণী

নিশীথ-স্বপন তোর ভু’লে যা নিশি-শেষে।
বাদল-অবসানে আকাশ উঠেছে হেসে।।
চখার পাশে আসে বিরহ-রাতের চখি
আঁধার লুকাল ঐ দূর বনে এলোকেশে।।
শরম-রাঙা গালে জাগিল কুমারী ঊষা,
তরুণ অরুণ ঐ এসো রাঙা বর-বেশে।।

রস-ঘনশ্যাম-কল্যাণ-সুন্দর

বাণী

রস-ঘনশ্যাম-কল্যাণ-সুন্দর।
প্রশান্ত সন্ধ্যার উদার শান্তি দাও —
শ্রান্ত মনের ভার হর, হে গিরিধর।।
যে নিবিড় সমাধির গভীর আনন্দে
হিমালয় লীলায়িত নীরব ছন্দে,
সেই মহাযোগে কর মোরে মগ্ন —
যে মহাভাবে ভোর মৌন নীলাম্বর।। 
অপগত-দুখশোক নিশীথ সুষুপ্তির মাঝে,
নিথর সিন্ধুর অতল তলে যে শান্ত বিরাজে।
যে সুধা লভিয়া ঋষি মধুছন্দা
আনিল বেদবাণী অলকানন্দা
অন্তরে বাহিরে সেই অমৃত দাও —
কর পুরুষোত্তম অজর অমর।।

শান্ত হও শিব বিরহ-বিহ্বল

বাণী

শান্ত হও, শিব, বিরহ-বিহ্বল
চন্দ্রলেখায় বাঁধো জটাজুট পিঙ্গল।।
ত্রি-বেদ যাহার দিব্য ত্রিনয়ন
শুদ্ধ-জ্ঞান যা’র অঙ্গ-ভূষণ,
সেই ধ্যানী শম্ভু — কেন শোক-উতল।।
হে লীলা-সুন্দর, কোন্ লীলা লাগি’,
কাঁদিয়া বেড়াও হ’য়ে বিরহী-বিবাগী।
হে তরুণ যোগী, মরি ভয়ে ভয়ে
কেন এ মায়ার খেলা মায়াতীত হ’য়ে,
লয় হবে সৃষ্টি — তুমি হলে চঞ্চল।।

তোর বিদায়-বেলার বন্ধুরে

বাণী

তোর বিদায়-বেলার বন্ধুরে দেখে নে নয়ন পুরে’।
সে যায় মিশে’ ঐ কোন্ দূরে দিন শেষের’ — শেষ সুরে।।
	ঘুমের মাঝে বন্ধু তোর
	ছিঁড়বে বাহুর বাঁধন-ডোর,
যাবে নয়ন, রবে নয়ন-লো — যায় রে বিহগ যায় উড়ে।।
	(তুই) বহাবি নদী কেঁদে
	পাষাণে হৃদয় বেঁধে,
তবু যেতে হবে তায় অসহায় অচিন্ পুরে।।

নাটক : ‘সাবিত্রী’