আলগা কর গো খোঁপার বাঁধন

বাণী

আলগা কর গো খোঁপার বাঁধন দিল ওহি মেরা ফঁস্‌ গয়ি।
বিনোদ বেণীর জরীন ফিতায় আন্ধা এশ্‌ক্‌ মেরা কস্‌ গয়ি।।
	তোমার কেশের গন্ধ কখন,
	লুকায়ে আসিল লোভী আমার মন
বেহুঁশ হো কর্‌ গির্‌ পড়ি হাথ মে বাজু বন্দ মে বস্‌ গয়ি।।
	কানের দুলে প্রাণ রাখিলে বিঁধিয়া,
	আঁখ্‌, ফিরা দিয়া চোরী কর্‌ নিদিয়া,
দেহের দেউড়িতে বেড়াতে আসিয়া আউর নেহিঁ উয়ো ওয়াপস্‌ গয়ি।।

স্নিগ্ধ শ্যাম কল্যাণ রূপে রয়েছ

বাণী

স্নিগ্ধ শ্যাম কল্যাণ রূপে রয়েছ মোদেরে ঘেরি
তব অনন্ত করুণা ও স্নেহ নিশিদিন নাথ হেরি।।
	তব চন্দন-শীতল কান্তি
	সৌম্য-মধুর তব১ প্রশান্তি
জড়ায়ে রয়েছে ছড়ায়ে রয়েছে অঙ্গে ত্রিভুবনেরই।।
বাহিরে তুমি বন্ধু স্বজন আত্মীয় রূপী মম
অন্তরে তুমি পরমানন্দ প্রিয় অন্তরতম।
	নিবেদন করে তোমাতে যে প্রাণ
	সেই জানে তুমি কত মহান
যেমনি সে ডাকে সড়া দাও তাকে তিলেক কর না দেরি।।

১. চির

চীন ও ভারতে মিলেছি আবার মোরা

বাণী

কোরাস্	:	চীন ও ভারতে মিলেছি আবার মোরা শত কোটি লোক।
			চীন ভারতের জয় হোক! ঐক্যের জয় হোক! সাম্যের জয় হোক।
			ধরার অর্ধ নরনারী মোরা রহি এই দুই দেশে,
			কেন আমাদের এত দুর্ভোগ নিত্য দৈন্য ক্লেশে।
পুরুষ কন্ঠ	:	সহিব না আজ এই অবিচার —
কোরাস্	:	খুলিয়াছে আজি চোখ।।
			প্রাচীন চীনের প্রাচীর মহাভারতের হিমালয়
			আজি এই কথা যেন কয় —
			মোরা সভ্যতা শিখায়েছি পৃথিবীরে-ইহা কি সত্য নয়?
			হইব সর্বজয়ী আমরাই সর্বহারার দল,
			সুন্দর হবে শান্তি লভিবে নিপীড়িতা ধরাতল।
পুরুষ কন্ঠ	:	আমরা আনিব অভেদ ধর্ম —
কোরাস্	:	নব বেদ-গাঁথা-শ্লোক।।

অমর কানন মোদের অমর-কানন

বাণী

	অমর কানন মোদের অমর-কানন।
	বন কে বলে রে ভাই, আমাদের তপোবন
			আমাদের তপোবন।।
এর	দক্ষিণে ‘শালী’ নদী কুলুকুলু বয়,
তার	কূলে কূলে শাল-বীথি ফুলে ফুল-ময়,
হেথা	ভেসে আসে জলে-ভেজা দখিনা মলয়,
হেথা	মহুয়ার মউ খেয়ে মন উচাটন।।
	দূর প্রান্তর-ঘেরা আমাদের বাস,
	দুধ-হাসি হাসে হেথা কচি দুব-ঘাস,
	উপরে মায়ের মতো চাহিয়া আকাশ,
	বেণু-বাজা মাঠে হেথা চরে ধেনুগণ।।
মোরা	নিজ হাতে মাটি কাটি নিজে ধরি হাল,
সদা	খুশি-ভরা বুক হেথা হাসি-ভরা গাল,
মোরা	বাতাস করি ভেঙে হরিতকী-ডাল,
হেথা	শাখায় শাখায় পাখি, গানের মাতন।।
	প্রহরী মোদের ভাই ‘পূরবী’ পাহাড়,
	‘শুশুনিয়া’ আগুলিয়া পশ্চিম দ্বার,
ওরে	উত্তরে উত্তরী কানন বিথার,
দূরে	ক্ষণে ক্ষণে হাতছানি দেয় তালি-বন।।
হেথা	ক্ষেত-ভরা ধান নিয়ে আসে অঘ্রাণ,
হেথা	প্রাণে ফোটে ফুল, হেথা ফুলে ফোটে প্রাণ,
ওরে	রাখাল সাজিয়া হেথা আসে ভগবান,
মোরা	নারায়ণ-সাথে খেলা খেলি অনুখন।।
মোরা	বটের ছায়ায় বসি করি গীতা পাঠ,
	আমাদের পাঠশালা চাষী-ভরা মাঠ,
	গাঁয়ে গাঁয়ে আমাদের মায়েদের হাট,
	ঘরে ঘরে ভাই বোন বন্ধু স্বজন।।

যেন ফিরে না যায় এসে

বাণী

যেন	ফিরে না যায় এসে আজ বঁধুয়া ফিরে না যায়।
সখি	দিস্‌নে তোরা তা’রে লাজ বঁধুয়া ফিরে না যায়।।
	পথ ভুল ক’রে যায় আন-ঘরে জানি সই,
তবু	আমারি সে রাজাধিরাজ বঁধুয়া ফিরে না যায়।।
	ফুল চুরি ওর পেশা ও শুধু চোখের নেশা, জানি সই,
একা	আমারি ছবি তার হিয়া-মাঝ বঁধুয়া ফিরে না যায়।।
	সুন্দর ব’লে তায় সকলে পাইতে চায়,
সে	পরালে মোরে প্রেমের তাজ বঁধুয়া ফিরে না যায়।।

তুম আনন্দ ঘনশ্যাম ম্যয় হুঁ

বাণী

তুম আনন্দ ঘনশ্যাম ম্যয় হুঁ প্রেম-দিওয়ানী রাধা।
বাঁশরি শুনকে তোরি আয়ি মধুবনমে না মানু কলঙ্ককি বাধা।।
যুগ যুগান্ত অনন্তকাল সে হৃদয়-বৃন্দাবনে মে,
তুমহারে হামরে এহি লীলা নাথ চলত রহি মনমে।
	মেরে সঙ্গ রোয়ে প্রেম বিগলিতা
	ভক্তি বিশাখা প্রীতি ললিতা,
তুমকো যো চাহে মেরি তরহেসে রোয়ত জীব সমাধা।।