গহন বনে শ্রীহরি নামের মোহন বাঁশি কে

বাণী

গহন বনে শ্রীহরি নামের মোহন বাঁশি কে বাজায়।
ভুবন ভরি’ সেই সুরেরি সুরধুনি বয়ে যায়।।
সেই নামেরি বাঁশির সুরে, বনে পূজার কুসুম ঝুরে
সেই নামেরি নামাবলি, গ্রহ তারা আকাশ জুড়ে
অন্ত বিহীন সেই নামেরি সুর-স্রোতে কে ভাসবি আয়।।

চলচ্চিত্রঃ ধ্রুব (কাহিনীকার: গিরিশ ঘোষ)

কত খুঁজিলাম নীল কুমুদ তোরে

বাণী

কত খুঁজিলাম নীল কুমুদ তোরে।
আছে নীল জল শূন্যে সরসী ভ’রে।।
উঠেছে আকাশে চাঁদ, ফুটেছে তারা
আছে সব একা মোর কুমুদ হারা,
অভিমানে সে কি গিয়াছে ঝ’রে।।

নাটক : ‘মহুয়া’

হে নিঠুর তোমাতে নাই আশার আলো

বাণী

হে নিঠুর ! তোমাতে নাই আশার আলো।
তাই কি তোমার রূপ কৃষ্ণ কালো।।
তুমি ত্রিভঙ্গ তাই তব সকলি বাঁকা
চোখে তব কাজলের ছলনা মাখা।
নিষাদের হাতে বাঁশি সেজেছে ভালো।।

নাটকঃ ‘বিদ্যাপতি’

নাচে গৌরীদিবা হিম-গিরি-দুহিতা

বাণী

নাচে গৌরীদিবা হিম-গিরি-দুহিতা।
নাচে দীপ্তিমতী নাচে উমা তপতী নাচে রে চির-আনন্দিতা।।
তার কিরণ-আচল দোলে ঝলমল
গিরি-পাষাণ অটল করে টলমল
গলিয়া তুষার ঝরে নির্ঝর জল
তার চরণ-ছন্দ-চকিতা।।
তার নাচের মায়ায় প্রাণ পায় জড় জীব
ভুলি’ বিরহ সতীর জাগে যোগীন্দ্র শিব,
জাগে কুসুম-কলি গাহে বিহগ-অলি,
তার রূপে ত্রিদিব হ’ল দীপন্বিতা।।

যাবার বেলায় মিনতি আমার

বাণী

যাবার বেলায় মিনতি আমার (শুধু) রাখিও মনে
ডাক দিও গো সাঁঝের ছায়ে সাঙ্গোপনে।।
যখন সন্ধ্যাবধূ আঁকবে রঙের আলপনা
আমার হিয়া দুলবে তখন তোমার প্রদীপ সনে
যখন নিরালাতে গাঁথবে মালা আনমনে।।
(আমি) রইব ঘিরে তোমার মালার গন্ধ সনে (প্রিয় আমার)
আমি দুলিয়ে যাব অলক তব মৃদু পবনে
ওগো একটি মালা গলায় নিও আমার স্মরণে।।

যৌবন-তটিনী ছুটে চলে ছল্‌ছল্‌

বাণী

যৌবন-তটিনী ছুটে চলে ছল্‌ছল্‌।
ধরণীর তরণী টলমল টলমল্।।
	কূলের বাঁধন খোল্
	আয় কে দিবি রে দোল্,
প্রাণের সাগরে রোল ওঠে ঐ কলকল্।।
তটে তটে ঘট-কঙ্কণে নট-মল্লারে ওঠে গান
মুখে হাসি বুকে শ্মশান,
আজিও তরুণী ধরা রঙে-রূপে ঝলমল,
		রূপে-রসে ঢলঢল্।।

নাটক : ‘আলেয়া’