বাণী
ওলো এক চাঁদকে সৃষ্টি ক’রে বিধির পুঁজি শেষ। এই চাঁদের পাশে চাঁদ শোভা পায় আছে সে-কোন্ দেশ।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ ইমন-কল্যাণ
তালঃ কাহার্বা
ওলো এক চাঁদকে সৃষ্টি ক’রে বিধির পুঁজি শেষ। এই চাঁদের পাশে চাঁদ শোভা পায় আছে সে-কোন্ দেশ।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগঃ ইমন-কল্যাণ
তালঃ কাহার্বা
হৃদয় যত নিষেধ হানে নয়ন ততই কাঁদে। দূরে যত পালাতে চাই নিকট ততই বাঁধে।। স্বপন শেষে বিদায় বেলায় অলক কাহার জড়ায় গো পায়, বিধুর কপোল স্মরণ আনায় ভোরের করুণ চাঁদে।। বাহির আমার পিছল হ’ল কাহার চোখের জলে, স্মরণ ততই বারণ জানায় চরণ যত চলে। পার হতে চাই মরণ-নদী দাঁড়ায় কে গো দুয়ার রোধি’, আমায় ওগো বে-দরদী ফেলিলে কোন্ ফাঁদে।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ একতাল
(সখি) ব’লো বঁধুয়ারে নিরজনে দেখা হ’লে রাতে ফুল–বনে।। কে করে ফুল চুরি জেনেছে ফুলমালী কে দেয় গহীন রাতে ফুলের কুলে কালি জেনেছে ফুলমালী গোপনে।। ও–পথে চোর–কাঁটা, সখি, তায় বলে দিও বেঁধে না বেঁধে না লো যেন তার উত্তরীয়। এ বনফুল লাগি’ না আসে কাঁটা’ দলি’ আপনি যাব চলি’ বঁধুয়ার কুঞ্জ–গলি বিনা মূল্যে বিকাইব ও–চরণে।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

বলেছিলে তুমি ভালোবাস মোরে, মোর হাতখানি ধ’রে। সেই দুটি কথা ভুলিতে পারি না, নিশিদিন মনে পড়ে।। সেই কথা যবে মনে জাগে সারা দেহে শিহরণ লাগে, মোর হৃদয়ের পুষ্পাঞ্জলি অশ্রু হইয়া ঝরে।। পথ চেয়ে থাকি’ মনে মনে ডাকি, তেমনি সন্ধ্যা হল, সেদিন যে কথা বলেছিলে বঁধু, আবার সে কথা বল। প্রিয় সেদিনের মত এসে মোর হাত ধর ভালোবেসে, হের ছিন্নলতার মত সেই হাত প’ড়ে আছে অনাদরে।।
রাগঃ
তালঃ
আমি গিরিধারী সাথে মিলিতে যাইব, সুন্দর সাজে মোরে সাজায়ে দে। লাখ যুগের পরে শুভদিন এলো, মেহেদী রঙে হাত রাঙায়ে দে।। চন্দন টিপ, গলে মালতীর মালা, নয়নে কাজল পরায়ে দে, অধর রাঙায়ে দে তাম্বুল রাগে, চরণে আল্তা মাখায়ে দে।। প্রেম নীল শাড়ি প্রীতির আঙিনা, অনুরাগ ভূষণে বধূ সাজিয়া হৃদয়-বাসরে মিলিব দোঁহে — কুসুমের শেজ সখি বিছায়ে দে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ওরে ও-চাঁদ! উদয় হ’লি কোন্ জোছনা দিতে! দেয় অনেক বেশি আলো আমার নবীর পেশানীতে।। ওরে রবি! আলোক দিস্ যত তুই দগ্ধ করিস্ তত আমার নবী স্নিগ্ধ শীতল কোটি চাঁদের মত, সে নাশ করেছে মনের আঁধার ঈষৎ হাসিতে।। ওরে আসমান! তুই সুনীল হলি জানি কেমন ক’রে আমার নবীর কালো চোখের একটুকু নীল হ’রে। ওরে তারা! তোরা জ্যোতি পেলি নবীজীর চাউনিতে।। ওরে বসরা গোলাব! অনেক বেশি খোশবু তোদের চেয়ে সেই ধূলিতে মোর নবীজী যেতেন যে পথ বেয়ে, সেই বারতা ফুলকে শোনায় বুল্বুলি সঙ্গীতে।।
রাগঃ
তালঃ