বাণী
দোলে ঝুলন দোলায় দোলে নওল কিশোর গিরিধারী হরষে।। মৃদঙ্গ বাজে নভোচারী মেঘে বারিধারা রুমু ঝুমু বরষে।। নাচে ময়ুর নাচে কুরঙ্গ কাজরি গাহে বন বিহঙ্গ যমুনা-জলে বাজে জলতরঙ্গ শ্যামসুন্দর রূপ দরশে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ ধামার
ভিডিও
স্বরলিপি

দোলে ঝুলন দোলায় দোলে নওল কিশোর গিরিধারী হরষে।। মৃদঙ্গ বাজে নভোচারী মেঘে বারিধারা রুমু ঝুমু বরষে।। নাচে ময়ুর নাচে কুরঙ্গ কাজরি গাহে বন বিহঙ্গ যমুনা-জলে বাজে জলতরঙ্গ শ্যামসুন্দর রূপ দরশে।।
রাগঃ
তালঃ ধামার

দুধে আলতায় রঙ যেন তার সোনার অঙ্গ ছেয়ে (সে) ভিন্ গেরামের মেয়ে। চাঁদের কথা যায় ভুলে লোক তাহার মুখে চেয়ে, ভিন্ গেরামের মেয়ে। ও পারে ওই চরে যখন চুল খুলে সে দাঁড়ায়, কালো মেঘের ভিড় লেগে যায় আকাশের ওই পাড়ায়, পা ছুঁতে তার নদীর জলে (ও ভাই) জোয়ার আসে ধেয়ে।। চোখ তুলে সে মেঘের পানে ভুরু যখন হানে, অম্নি ওঠে রামধনু গো সেই চাহনির টানে। কপালের সে ঘাম মুছে গো আঁচল যখন খুলে, ধানের ক্ষেতে ঢেউ খেলে যায়, দরিয়া ওঠে দুলে। আমি চোখের জলে খুঁজি তারেই (ও ভাই) দুখের তরী বেয়ে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

সখি লো তায় আন ডেকে যে গান গেয়ে যায় পথ দিয়ে। সই দিব তারে কণ্ঠহার, তার কণ্ঠেরি ঐ সুর নিয়ে॥ কারুর পানে নাহি চায় সে আপন মনে গেয়ে যায় প্রাণ কাঁপে সুরের নেশায় নয়ন আসে ঝিমিয়ে॥ সখি লো শুধিয়ে আয় সে শিখিল এ গান কোথায় এত মধু তার গলায় কার অধর-সুধা পিয়ে॥ যার গানে এত প্রাণ মাতায় না জানি কি হয় দেখ্লে তায় তার সুর শুনে কেউ প্রাণ পায় কেউ ফেলে প্রাণ হারিয়ে॥
রাগঃ মাঢ়
তালঃ রূপক

নয়ন যে মোর বারণ মানে না। বারণ মানে না মন কাঁদন মানে না।। নিশিদিন তব আশে আছি চেয়ে পথ পাশে দুকূল বেয়ে সলিল আসে কাজল মানে না।। সবার মাঝে থেকেও একা আমি তাই তো তোমার চাই গো দেখা, মরম যে গো, তোমায় ছাড়া কারেও জানে না।।
রাগঃ কাফি মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

কি হবে জানিয়া বল কেন জল নয়নে তুমি তো ঘুমায়ে আছ সুখে ফুল-শয়নে।। তুমি কি বুঝিবে বালা কুসুমে কীটের জ্বালা, কারো গলে দোলে মালা কেহ ঝরে পবনে।। আকাশের আঁখি ভরি’ কে জানে কেমন করি’ শিশির পড়ে গো ঝরি’, ঝরে বারি শাওনে। নিশীথে পাপিয়া পাখি এমনি তো ওঠে ডাকি’ তেমনি ঝুরিছে আঁখি বুঝি বা অকারণে।। কে শুধায়, আঁধার চরে চখা কেন কেঁদে মরে, এমনি চাতক-তরে মেঘ ঝুরে গগনে।। কারে মন দিলি কবি, এ যে রে পাষাণ-ছবি এ শুধু রূপের রবি নিশীথের স্বপনে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ যৎ
আদরিণী মোর কালো মেয়ে রে কেমনে কোথায় রাখি। তারে রাখিলে চোখে বাজে ব্যথা বুকে বুকে রাখিলে দুখে ঝুরে আঁখি।। কাঙাল যেমন পাইলে রতন লুকাতে ঠাঁই নাহি পায়; তেমনি আমার শ্যামা মেয়েরে জানি না রাখিব কোথায়। দুরন্ত মোর এই মেয়েরে বাঁধব আমি কি দিয়ে রে, (তাই)পালিয়ে যেতে চায় সে যবে আমি অমনি মা ব’লে ডাকি।।
রাগঃ
তালঃ যৎ (৮ মাত্রা)
