বাণী
ওলো এক চাঁদকে সৃষ্টি ক’রে বিধির পুঁজি শেষ। এই চাঁদের পাশে চাঁদ শোভা পায় আছে সে-কোন্ দেশ।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ ইমন-কল্যাণ
তালঃ কাহার্বা
ওলো এক চাঁদকে সৃষ্টি ক’রে বিধির পুঁজি শেষ। এই চাঁদের পাশে চাঁদ শোভা পায় আছে সে-কোন্ দেশ।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগঃ ইমন-কল্যাণ
তালঃ কাহার্বা
দীনের হতে দীন দুঃখী অধম যেথা থাকে ভিখারিনী বেশে সেথা দেখেছি মোর মাকে মোর অন্নপূর্ণা মাকে॥ অহংকারের প্রদীপ নিয়ে স্বর্গে মাকে খুঁজি মা ফেরেন ধূলি পথে যখন ঘটা করে পূজি ঘুরে ঘুরে দূর আকাশে প্রণাম আমার ফিরে আসে যথায় আতুর সন্তানে মা কোল বাড়ায়ে ডাকে॥ নামতে নারি তাদের কাছে সবার নীচে যারা তাদের তরে আমার জগন্মাতা সর্বহারা। অপমানের পাতাল তলে লুকিয়ে যারা আছে তোর শ্রীচরণ রাজে সেথা নে মা তাদের কাছে আনন্দময় তোর ভুবনে আনব কবে বিশ্বজনে আমি দেখব জ্যোতির্ময়ী রূপে সেদিন তমসাকে আমার অন্নপূর্ণা মাকে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

প্রিয় এমন রাত যেন যায় না বৃথাই পরি চাঁপা ফুলের শাড়ি খয়েরিটিপ, জাগি বাতায়নে জ্বালি আঁখি প্রদীপ, মালা চন্দন দিয়ে মোর থালা সাজাই।। তুমি আসিবে বলে সুদূর অতিথি জাগে চাঁদের তৃষা লয়ে কৃষ্ণা তিথি, কভু ঘরে আসিকভু বাহিরে চাই।। আজি আকাশে বাতাসে কানাকানি, জাগে বনে বনে নবফুলের বাণী, আজি আমার কথা যেন বলিতে পাই।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুরাধা পোড়ওয়াল

শেষ হ’ল মোর এ জীবনে ফুল ফোটাবার পালা। ওগো মরণ, অর্ঘ্য লহ সেই কুসুমের ডালা।। কাটলো কীটে ঝরলো যে-ফুল শুকালো যে আশার মুকুল, তাই দিয়ে হে মরণ তোমার গেঁথেছি আজ মালা।। সুন্দর এই ধরণীতে কতই ছিল সাধ বাঁচিতে, হঠাৎ তোমার বাজলো বেণু বিদায়-করুণ ভৈরবীতে। তোমার আঁধার-শান্ত কোলে শ্রান্ত তনু পড়ুক ঢ’লে, আর সহে না কুসুম-বিহীন কন্টকের জ্বালা।।
রাগঃ জৌনপুরী-টোড়ি
তালঃ দাদ্রা

নূপুর মধুর রুনুঝুনু বোলে। মন-গোকুলে রুনুঝুনু বোলে।। কূলের বাঁধন টুটে, যমুনা উথলি' ওঠে, পুলকে কদম ফোটে পেখম খোলে শিখী পেখম খোলে।। ব্রজনারী কুল ভুলে' লুটায় সে পদমুলে চোখে জল, বুকে প্রেম- তরঙ্গ দোলে।। শ্রীমতি রাধারই সাথে বিশ্ব ছুটেছে পথে, হরি হরি ব'লে মাতে ত্রিভুবন ভোলে। নামে ত্রিভুবন ভোলে।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ ত্রিতাল

সাগর হ’তে চুরি ডাগর তার আঁখি। গভীর চাহনীতে করুণা মাখামাখি।। সফরী সম তাহে ভাসিছে আঁখি-তারা, তাহারি লোভে যেন উড়িছে ভুরু-পাখি।। দুলে তরঙ্গ তাহে কভু ঘোর কভু ধীরে, আঁখির লীলা হেরি’ আঁখিতে আঁখি রাখি।। ভীরু হরিণ-চোখে অশনি হান কেন, শারাব-পিয়ালাতে জহর কেন সাকি।। আঁখির ঝিনুকে কবে ফলিবে প্রেম-মোতি, ডুবিবে আঁখি-নীরে সেদিনের নাহি বাকী।।
রাগঃ সিন্ধু মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
