জয় ব্রহ্ম বিদ্যা শিব-সরস্বতী

বাণী

জয় ব্রহ্ম বিদ্যা শিব-সরস্বতী।
জয় ধ্রুব জ্যোতি, জয় বেদবতী।।
জয় আদি কবি, জয় আদি বাণী
জয় চন্দ্রচূড়, জয় বীণাপাণি,
জয় শুদ্ধজ্ঞান শ্রীমূর্তিমতী।।
শিব! সঙ্গীত সুর দাও, তেজ আশা,
দেবী! জ্ঞান শক্তি দাও, অমর ভাষা।
শিব! যোগধ্যান দাও, অনাশক্তি
দেবী! মোক্ষলক্ষ্মী! দাও পরাভক্তি,
দাও রস অমৃত, দাও কৃপা মহতী।।

তোমার বীণার মূর্ছনাতে বাজাও

বাণী

তোমার বীণার মূর্ছনাতে বাজাও আমার বাণী।
তোমার সুরে শোনাও আমার গানের আধেকখানি।।
	শুনব শুধু তোমার কথা
	এবার আমার নীরবতা,
আমার সুরের ছবি আঁকুক তোমার পদ্মপাণি।।

চল মন আনন্দ-ধাম

বাণী

চল	মন আনন্দ-ধাম।
	চল মন আনন্দ-ধাম রে,
	চল আনন্দ-ধাম।।
	লীলা-বিহার প্রেম লোক
	নাই রে সেথা দুঃখ শোক,
সেথা	বিহরে চির-ব্রজ-বালক — 
	বন্‌শিওয়ালা শ্যাম রে
	চল আনন্দ-ধাম।।
	নাহি মৃত্যু নাহি ভয়
	নাহি সৃষ্টি, নাহি লয়,
খেলে	চির-কিশোর চির-অভয় —
	সঙ্গীত ওম্ না রে
	চল আনন্দ ধাম।।
	নাহি চরাচর নাহি রে ব্যোম
	লীলা-সাথী গ্রহ রবি ও সোম,
	সঙ্গীত ‘ওম্’ নাম রে
	চল আনন্দ ধাম।।

১. অবাঙ্‌মনস-গোচরম্‌

খড়ের প্রতিমা পূজিস্‌ রে তোরা

বাণী

খড়ের প্রতিমা পূজিস্‌ রে তোরা, মাকে ত’ তোরা পূজিস্‌নে!
প্রতি মা’র মাঝে প্রতিমা বিরাজে (ঘরে ঘরে ওরে)
			হায় রে অন্ধ, বুঝিস্‌নে।।
বছর বছর মাতৃ পূজার ক’রে যাস্‌ অভিনয়
ভীরু সন্তানে হেরি লজ্জায় মাও যে পাষাণময়,
মাকে জিনিতে সাধন-সমরে সাধক ত’কেহ বুঝিস্‌নে।
মাটির প্রতিমা গ’লে যায় জলে, বিজয়ায় ভেসে যায়,
আকাশে-বাতাসে মা’র স্নেহ জাগে অতন্দ্র করুণায়।
তোরই আশে-পাশে তাঁর কৃপা হাসে —
			কেন সেই পথে তাঁরে খুঁজিস্‌নে।।

নাটিকাঃ ‌‘বিজয়া’

মোর ঘনশ্যাম এলে কি আজ

বাণী

মোর ঘনশ্যাম এলে কি আজ কালো মেঘের বেশে।
দূর মথুরার নীল-যমুনা পার হ’য়ে মোর দেশে।।
		এলে কালো মেঘের বেশে।।
	বৃষ্টি ধারায় টাপুর টুপুর
	বাজে তোমার সোনার নূপুর,
বিজলিতে চপল আঁখির চমক বেড়ায় হেসে।।
তোমার তনুর সুগন্ধ পাই, যুঁই কেতকীর ফুলে
ওগো রাজাধিরাজ! ব্রজে আবার এলে কি পথ ভুলে।
	মেঘ-গরজনের ছলে
	ডাকো ‘রাধা রাধা’ বলে
বাদল হাওয়ায় তোমার বাঁশির বেদন আসে ভেসে।।

কুলের আচার নাচার হয়ে আছিস কেন

বাণী

কুলের আচার নাচার হয়ে আছিস কেন শিকায় ঝুলে
কাচের জারে বেচারা তুই মরিস কেন ফেঁপে ফু’লে।।
কাঁচা তেঁতুল পেয়ারা আম
ডাঁশা জামরুল আর গোলাপ জাম —
যেমনি তোরে দেখিলাম অমনি সব গেলাম ভুলে।।

নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’