আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই

বাণী

পুরুষ	:	আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই যবে
		তুমি মোনাজাত কর গো নীরবে,
স্ত্রী	:	তুমি যে খোদার দেওয়া সওগাত মম বেহেশ্‌তের সাথি।।
পুরুষ	:	তুমি হেরেমের বন্দিনী নহ তুমি যে ঘরের বাতি।
স্ত্রী	:	তুমি যে ঈদের চাঁদ! তব তরে জাগিয়া কাটাই রাতি।।
পুরুষ	:	তুমি নারী আগে আনিলে ঈমান দ্বীন ইসলাম ‘পরে,
স্ত্রী	:	তুমি যে বিজয়ী খোদার রহম আনিয়াছ জয় ক’রে!
পুরুস	:	আজি দুর্বল মোরা তোমারে ত্যজিয়া
স্ত্রী	:	দাঁড়াইব পাশে উঠহ জাগিয়া,
উভয়ে	:	হাতে হাত ধরি’ চলি যদি মোরা জাগিবে নূতন জাতি —
					দুনিয়া আবার উঠিবে মাতি’।।

আজি মধুর গগন মধুর পবন

বাণী

আজি মধুর গগন মধুর পবন মধুর ধরতীধাম
আয়ে ব্রিজমে ঘনশ্যাম।
বাজত বনমে মধুর মুরলী বোলাতা রাধা নাম
আয়ে ব্রিজমে ঘনশ্যাম।
আজ থির যমুনা আধীর ভায়ি
আয়ে গোকুলকে চাঁদ অন্ধেরি গ্যয়ি,
বোলে কোয়েলিয়া ময়ূর পাপিহা পিয়া পিয়া অবিরাম।।
ব্রিজকে কোঁয়ারি বনকে যোগিনী রোতি থী বিরহ মে,
আজ লেকে গাগরি ওড়ে নীল শাড়ি চলে ফের নীর ভরণে।
	আজ হরিকে সাথ হরিভি আয়ে
	রাঙা আবিরমে গোকুল ছায়ে,
বনশী বাজাওয়ে রসিয়া গারে বিভোর ব্রিজধাম।।

পিয়াল ফুলের পিয়ালায় বঁধু

বাণী

পিয়াল ফুলের পিয়ালায় বঁধু অন্তর-মধু ঢেলে পিয়াব তোমায়।
রচিব হৃদয়ে মাধবী-কুঞ্জ বাহিরে ফাগুন যদি যেতে চায়।।
		বেল-ফুল যায় যদি ঝুরে
		প্রেম-ফুল দিব ডালি ভ’রে,
নিশি জেগে আমি গান শোনাব বনের বিহগ যদি মাগে বিদায়।।
		আর যদি নাহি বহে দখিনা বাতাস
	(বঁধু)	অঞ্চল আছে মোর, আছে কেশ-পাশ,
যায় যদি যাক্ ডুবে চৈতালী চাঁদ আমার চাঁদ যেন চ’লে নাহি যায়।

শুক বলে মোর গোঁফের রূপে ভোলে গোপনারী

বাণী

শুক বলে, ‘মোর গোঁফের রূপে ভোলে গোপনারী’
সারী বলে, ‘গোঁফের বড়াই আছে বলে দাড়ি
		(ও) আমার গোঁফ পিয়ারি।।’
শুক বলে, ‘মোর বাঁকা গোঁফে দেখে ভুবন ভোলে’
সারী বলে, ‘ঝুলন রাসের দোলনা যে দোলে
		(ও) আমার দাড়ির আশে।’
শুক বলে, ‘গোঁফ ওষ্ঠে থাকেন গোষ্ঠে যেন কালা’
সারী বলে, ‘আমার দাড়ি কুলের কুলবালা
		(ও) চলেন হেলে দুলে।’
শুক বলে, ‘বীর শিকারিরা এই গোঁফে দেয় চাড়া’
সারী বলে, ‘মুনি ঋষির দেখবে দাড়ি ন্যাড়া
		(ও) কিবা বাহার তোলে।’
শুক বলে, ‘মোর ত্রিভঙ্গিম ঠোঁট বিহারী গোঁফ’
সারী বলে, ‘তমাল কানন আমার দাঁড়ির ঝোপ
		(আ, ও) দখিন হাওয়ায় দোলে।’
শুক বলে, ‘গোঁফ খুরির দধি চুরি করে খায়’
সারী বলে, ‘দাড়ি মেদীর রং লেগেছে গায়
		(ও, আচ্ছাচ্ছা) যেন হোরির আবির।’
সারী বলে, ‘দাড়ি বড় গোঁফের গরব মিছে’
শুক বলে, ‘দাড়ি যতই বাড়ুক তবু গোঁফের নীচে
		(ও) সারী টিকবে বল’।।

বনপথে কে যায়

বাণী

বনপথে কে যায়।
মনে হয় যেন তারে চিনি আমি হায়।।
ছন্দে জাগায়ে সে-নিশীথ নিঝুম
বাজে নূপুর তার রুমা ঝুমা ঝুম্,
জাগে নিশীথিনী এলোচুলে পাষাণ বুকে নির্ঝর জাগায়।।

গিরিধারী গোপাল ব্রজ গোপ দুলাল

বাণী

গিরিধারী গোপাল ব্রজ গোপ দুলাল
অপরূপ ঘনশ্যাম নব তরুণ তমাল॥
বিশাখার পটে আঁকা মধুর নিরুপম
কান্ত ললিতার শ্রীরাধা প্রীতম
রুক্মিণী-পতি হরি যাদব ভূপাল॥
যশোদার স্নেহডোরে বাঁধা ননীচোর
নন্দের নয়ন-আনন্দ-কিশোর
শ্রীদাম-সুদাম-সখা গোঠের রাখাল॥
কংস-নিসূদন কৃষ্ণ মথুরাপতি
গীতা উদ্‌গাতা পার্থসারথি
পূর্ণ ভগবান বিরাট বিশাল॥