আমি যদি আরব হতাম মদিনারই পথ

বাণী

আমি যদি আরব হ’তাম — মদিনারই পথ।
এই পথে মোর চ’লে যেতেন নূর নবী হজরত।।
পয়জার তাঁর লাগত এসে আমার কঠিন বুকে,
আমি ঝর্না হয়ে গ’লে যেতাম অম্‌নি পরম সুখে;
সেই চিহ্ন বুকে পুরে পালিয়ে যেতাম কোহ্‌-ই-তুরে,
দিবা নিশি করতাম তাঁর কদম জিয়ারত।।
মা ফাতেমা খেলতো এসে আমার ধূলি ল’য়ে
আমি পড়তাম তাঁর পায়ে লুটিয়ে ফুলের রেণু হয়ে।
হাসান হোসেন হেসে হেসে নাচতো আমার বক্ষে এসে
চক্ষে আমার বইতো নদী পেয়ে সে নেয়ামত।।

হে মদিনাবাসী প্রেমিক ধর

বাণী

হে মদিনাবাসী প্রেমিক ধর হাত মম।।
জ্বলওয়া দেখালে দিল হরিলে বন্ধু হলো বেগানা
হেসে হেসে সংসার কহে দীওয়ানা এ দীওয়ানা।।
বিরহের এ রাত একেলা কেঁদে হলো ভোর
হৃদয়ে মোর শান্তি নাহি কাঁদে পরান মোর।।
দুখের দোসর কেউ নাহি মোর নাই ব্যথী ব্যথার
তোমায় ভুলে ভাসি অকূলে পার করো সরকার।।

মোরে মেঘ যবে জল দিল না

বাণী

মোরে মেঘ যবে জল দিল না, তখন তুমি আঁখিজল দিলে।
যারে ঘন বন ছায়া দিল না, তাহারে অঞ্চলে জড়াইলে।।
	অসীম আকাশ ধরিতে নারিল যারে
	তোমার নয়ন কেমনে ধরিল তারে,
বল কেন ভিখারির শূন্য পাত্রে অমৃত ঢালিয়া দিলে।।
বল বল চির-বৈরাগিণী গো, তোমার কি ক্ষতি তায়,
পৃথিবী হইতে মোর নাম যদি চিরতরে মুছে যায়।
	চাওনি কিছুই মোর কাছে তুমি কভু
	কেন ফিরাইতে চাহ বক্ষে ধরিয়া তবু,
তব গৈরিক-বাসে এ প্রেম-প্রবাহ কেমনে রাখিয়াছিলে।।

হেসে হেসে কল্‌সি নাচাইয়া

বাণী

হেসে হেসে কল্‌সি নাচাইয়া কিশোরী চলে।
রিনি ঠিনি কলস-কাঁকনে কি কথা বলে।।
নেচে চলে যেন ঝরনা চাঁপা-বরণা বাহু দোলাইয়া,
নয়ন-কুরঙ্গ জাগায় গো তরঙ্গ নদীর জলে।।
এত রূপ লাখ চোখে ধরে না তারে দেখি কি ক’রে,
বিধি দিল দু’টি আঁখি আমারে তাহে হায় পলক পড়ে।
গ্রামের পথ চাহে তারে
ডাকে বাঁশি বন-পারে,
গিরি-দরী চাহে যারে —
		চাহি তারে কোন্ ছলে।।

চক্র সুদর্শন ছোড়কে মোহন

বাণী

চক্র সুদর্শন ছোড়কে মোহন তুম ব্যনে বনওয়ারী।
ছিন লিয়ে হ্যয় গদা-পদম্‌ সব মিল করকে ব্রজনারী।।
	ছার ভুজা আব দো বনায়ে
	ছোড়কে বৈকুণ্ঠ ব্রিজ মে আয়ে,
রাস রচায়ে ব্রিজ্‌কে মোহন ব্যন্ গ্যয়ে মুরলী-ধারী।।
	সত্যভামাকো ছোড়কে আয়ে
	রাধা প্যারী সাথমে লায়ে,
বৈতরণী কো ছোড়কে ব্যন গ্যয়ে যমুনাকে তটচারী।।

কেন দিলে এ কাঁটা যদি গো কুসুম দিলে

বাণী

কেন দিলে এ কাঁটা যদি গো কুসুম দিলে
ফুটিত না কি কমল ও কাঁটা না বিঁধিলে।।
	কেন এ আঁখি-কূলে
	বিধুর অশ্রু দুলে
কেন দিলে এ হৃদি যদি না হৃদয় মিলে।।
	কেন কামনা-ফাঁদে
	রূপ-পিপাসা কাঁদে
শোভিত না কি কপোল ও কালো তিল নহিলে।।
	কাঁটা-নিকুঞ্জে কবি
	এঁকে যা সুখের ছবি
নিজে তুই গোপন রবি তোরি আঁখির সলিলে।।