বাণী
আমি ভুলিতে পারি না সেই দূর অমরার স্মৃতি। যার আকাশে বিরাজে চির পূর্ণিমার তিথি।। আজও যেন শুনি ইন্দ্র সভায় দেবকুমারীরা ডাকে ‘আয় আয়’, কেঁদে যেন ডাকে অলকানন্দা নন্দন-বন-বীথি।।
নাটক : ‘সুভদ্রা’ (উর্বশীর গীত)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আমি ভুলিতে পারি না সেই দূর অমরার স্মৃতি। যার আকাশে বিরাজে চির পূর্ণিমার তিথি।। আজও যেন শুনি ইন্দ্র সভায় দেবকুমারীরা ডাকে ‘আয় আয়’, কেঁদে যেন ডাকে অলকানন্দা নন্দন-বন-বীথি।।
নাটক : ‘সুভদ্রা’ (উর্বশীর গীত)
রাগঃ
তালঃ
দোলা লাগিল দখিনার বনে বনে বাঁশরি বাজিল ছায়ানটে মনে মনে॥ চিত্তে চপল নৃত্যে কে ছন্দে ছন্দে যায় ডেকে; যৌবনের বিহঙ্গ ঐ ডেকে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে॥ বাজে বিজয়-ডঙ্কা তারই এলো তরুণ ফাল্গুনী, জাগো ঘুমন্ত – দিকে দিকে ঐ গান শুনি’। টুটিল সব অন্ধকার – খোলো খোলো বন্ধ দ্বার; বাহিরে কে যাবি আয় সে শুধায় জনে জনে॥
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ একতাল (জলদ)

তেপান্তরের মাঠে বঁধু হে একা বসে থাকি। তুমি যে পথ দিয়ে গেছ চলে তারি ধূলা মাখি’ হে।। যেমন পা ফেলেছ গিরিমাটির রাঙা পথের ধূলাতে, অমনি করে আমার বুকে চরণ যদি বুলাতে, আমি খানিক জ্বালা ভুলতাম ঐ মানিক বুকে রাখি’ হে।। আমার খাওয়া পরার নাই রুচি, আর ঘুম আসে না চোখে হে, আমি আউরী হয়ে বেড়াই পথে, হাসে পাড়ার লোকে দেখে হাসে পাড়ার লোকে। আমি তাল পুকুরে যেতে নারি — একি তোমার মায়া হে, আমি কালো জলে দেখি তোমার কালো রূপের ছায়া হে; আমার কলঙ্কিনী নাম রটিয়ে তুমি দিলে ফাঁকি হে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

কে পরালো মুণ্ডমালা আমার শ্যামা-মায়ের গলে। সহস্র দল জীবন কমল দোলে রে যার চরণ-তলে।। কে বলে মোর মা-কে কালো, মায়ের হাসি দিনের আলো মায়ের আমার গায়ের জ্যোতি গগন পবন জলে স্থলে।। শিবের বুকে চরণ যাঁহার কেশব যাঁরে পায় না ধ্যানে, শব নিয়ে সে রয় শ্মশানে কে জানে কোন অভিমানে। সৃষ্টিরে মা রয় আবরি' সেই মা নাকি দিগম্বরী? তাঁরে অসুরে কয় ভয়ঙ্করী ভক্ত তাঁয় অভয়া বলে।।
রাগঃ ভূপালি
তালঃ দাদ্রা

কে দিল খোঁপাতে ধুঁতুরা ফুল লো খোঁপা খুলে কেশ হলো বাউল লো।। পথে সে বাজালো মোহন–বাঁশি তোর ঘরে ফিরে যেতে হলো এ ভুল লো।। কে নিল কেড়ে তোর পৈঁচী চুড়ি বৈঁচি মালায় ছি ছি খোয়ালি কুল লো।। ও সে বুনা পাগল পথে বাজায় মাদল পায়ে ঝড়ের নাচন শিরে চাঁচর চুল লো।। দিল নাকেতে নাকছাবি বাবলা ফুলি কুঁচের চুড়ি আর ঝুঁমকো ফুল দুল লো।। সে নিয়ে লাজ দু’কূল দিল ঘাঘরি সে আমার গাগরি ভাসালো জলে বাতুল লো।।
নাটকঃ মহুয়া
রাগঃ
তালঃ দ্রুত–দাদ্রা

চাও চাও চাও নব বধূ অবগুণ্ঠন খোলো আনত নয়ন তোলো॥ আমি যে ননদী খরতর নদী লজ্জা কি লজ্জায় ফুল শয্যায় কাল ছিল না তো নত ওই আঁখি সবি বলে দেব যদি বউ কথা না বলো॥ ‘বউ কথা কও’ ডাকে পাখি তবুও নীরব রবে নাকি দেখি দেখি গালে লালী ও কিসের? ও! লজ্জায় বুঝি লাল হলো॥ ও কি অধীর চরণে যেয়ো না যেয়ো না আন-ঘরে লুকাইতে দেখে যদি কেউ সখি পাশের ও ঘরে মানুষ যে রহে তারও অন্তরে বহে বিরহের ঢেউ। লজ্জাই যদি তব ভূষণ সজ্জায় তবে কি প্রয়োজন? সুখে সুখী হব দুখে দুখী ব’সো মুখোমুখি লাজ ভোলো।
নাটিকাঃ ‘বিয়ে বাড়ি’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
