চরশ মেশা চন্ডুর নেশা মুন্ডু ঝিমঝিম

বাণী

চরশ মেশা চন্ডুর নেশা মুন্ডু ঝিমঝিম
(কাঠসিম ঘোড়া নিম, আকুতাকু হিমশিম)
বাগ বাজারে লাখো হাজার পঙ্খিরাজ অশ্বের ডিম।।
নওয়াবী নেশা রওয়াবী নেশা প্রাণ হয় তরতজা, হায় হায়
মদের নেশা গাঁজার নেশা এর কাছে একদম পাঁজা
খুলে হৃদয় খিড়কী বাদশার লেড়কী
পাঁইজোর যেন বাজায় রিম্‌ঝিম্‌।।
নলে যেম্‌নি দম্ দি অম্‌নি নল-দময়ন্তী
লটাপটি করে বুকে হয়ে চরণ পঙ্খি, ও গুরু
(ঐ লেগেছে লটাতে পটিতে)
শেয়ালের লেজুড় যেমন ঠেসে কামড়ে ধরে কাঁকড়ায়
(এই ধরেছে কামড়ে লেজুড় কাঁকড়ায়)
চন্ডুর নেশা তেমনি একদিন খেয়ো গিয়ে আখড়ায়
প্রেমে মজে ডাইভোর্স ক’রে (তালাক দিয়ে)
(দাদা) আমি ছেড়েছি কোকেন আফিম।।
আফিম টাফিম সব ছেড়ে দিয়েছি
সত্যি বলি এখন ভাল ছেলে হয়ে গিয়েছি
জানেন মাল ধরেছি মাল, ভাল করিনি, এ্যাঁ ভাল করিনি!!

কেন ঝুলনাতে একেলা দোলে

বাণী

	কেন ঝুলনাতে একেলা দোলে রাইকিশোরী।
	বুঝি মেঘের মাঝে হারিয়ে গেল মেঘ-বরণ হরি।।
	সই	দধির মাঝে ননী থাকে
	মোরা	মথন করে আনি তাকে,
মোরা	নিঙ্‌ড়ে মেঘের সাগর, শ্যামে আনব বাহির করি’।।
ঐ	কালাকে সই ভালো জানি, জানি তাহার ঢং,
তার	কৃষ্ণ রূপের আঁধার খরা শুধু রাধার রং।
	যে	না থাকিলে রাধার মাঝে
		দোলনাতে রাই দুলত না যে
সই	মেঘ যদি না থাকে সই কেন চমকায় বিজরী।।

গীতি-আলেখ্য : ‌‘হিন্দোলা’

ছাড় ছাড় আঁচল বঁধু

বাণী

ছাড় ছাড় আঁচল, বঁধু, যেতে দাও।
বনমালী, এমনি ক’রে মন ভোলাও।।
একা পথে দুপুর বেলা, নিরদয়, একি খেলা।
তুমি এমনি করে মায়া-জাল বিছাও।।
পথে দিয়ে বাধা, একি প্রেম সাধা,
আমি নহি তো রাধা, বঁধু, ফিরে যাও।।
হে নিখিল নর-নারী, তোমার প্রেম-ভিখারি
লীলা বুঝিতে নারি তব শ্যাম রাও।।

মাগো আমি তান্ত্রিক নই

বাণী

মাগো আমি তান্ত্রিক নই তন্ত্র মন্ত্র জানি না মা।
আমার মন্ত্র যোগ-সাধনা ডাকি শুধু শ্যামা শ্যামা।।
	যাই না আমি শ্মশান মশান
	দিই না পায়ে জীব বলিদান,
খুঁজতে তোকে খুজি না মা অমাবস্যা ঘোর ত্রিযামা।।
ঝিল্লী যেমন নিশীথ রাতে একটানা সুর গায় অবিরাম
তেমনি করে নিত্য আমি জপি শ্যামা তোমারি নাম।
	শিশু যেমন অনায়াসে
	জননীরে ভালোবাসে,
তেমনি সহজ সাধনা মোর তাতেই পাব তোর দেখা মা।।

অন্তরে তুমি আছ চিরদিন

বাণী

অন্তরে তুমি আছ চিরদিন ওগো অন্তর্যামী
বাহিরে বৃথাই যত খুঁজি তা-ই পাই না তোমারে আমি।।
প্রাণের মতন, আত্মার সম
আমাতে আছ হে অন্তরতম
মন্দির রচি’ বিগ্রহ পূজি দেখে হাস তুমি স্বামী।।
সমীরণ সম, আলোর মতন বিশ্বে রয়েছ ছড়ায়ে
গন্ধ-কুসুমে সৌরভ সম প্রাণে-প্রাণে আছ জড়ায়ে।
তুমি বহুরূপী তুমি রূপহীন —
তব লীলা হেরি অন্তবিহিন।
তব লুকোচুরি খেলা সহচরী আমি যে দিবসযামী।।

প্রাণের ঠাকুর লীলা করে আমার দেহের আঙিনাতে

বাণী

প্রাণের ঠাকুর লীলা করে আমার দেহের আঙিনাতে
রসের লুকোচুরি খেলা নিত্য আমার তারই সাথে।।
তারে নয়ন দিয়ে খুঁজি যখন
অন্তরে সে লুকায় তখন
অন্তরে তায় ধরতে গেলে লুকায় গিয়ে নয়ন-পাতে।।
ঐ দেখি তার হাসির ঝিলিক আমার ধ্যানের ললাট-মাঝে
ধরতে গেলে দেখি সে নাই কোন্ সুদূরে নূপুর বাজে।
এত কাছে রয় সে তবু পাই না তারে হাতে হাতে।।