তব বাঁশরি কি হরি শুনিতে পাব না

বাণী

তব বাঁশরি কি হরি শুনিতে পাব না পাশরিয়া আছি বলে।
তব রাস উৎসবে ভিখারির মত বসে আছি পথ তলে।।
		যে ডাকে, যদি তারি হও একা
		ডাকে না যে, সে কি পাইবে না দেখা,
কাঁদে না যে ছেলে জননী কি তারে ডাকিয়া লয় না কোলে।।
(হরি!) পথ ভুলিয়া যে ঘোরে অরণ্যে দেখাবে না তারে পথ
(তুমি) সেদিনো ফিরায়ে দাওনি কংস দুর্যোধনের রথ।
		হরি! তুমি যদি নাহি ডাক আগে
		তাহার কি কভু হরি-প্রেম জাগে?
না শুনিয়া বাঁশি ব্রজবাসিনীরা যেত কি যমুনার জলে।।

নিশি কাজল শ্যামা আয় মা

বাণী

	নিশি কাজল শ্যামা আয় মা নিশীথ রাতে।
	যেমন কালো বাদল নামে নীল আকাশের নয়নপাতে।।
	কুল-কুণ্ডলিনী রূপে ওঠ মা জেগে চুপে চুপে,
	মা ছেলেতে যাব মা চল্‌ ভোলানাথের ঘুম ভাঙাতে।।
	তোর বরাভয় রূপ দেখায়ে দূর কর মা আঁধার ভীতি,
	কৃষ্ণা চতুর্দশীতে মা দেখা পূর্ণ চাঁদের জ্যোতি।
	পাতার কোলে কুঁড়ি সম মাগো হৃদয় কমল মম
তোর	চরণ অরুণ দেখার আশায় রাত্রি জাগে রাতের সাথে।।

চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়

বাণী

চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়
আজিকে যে রাজাধিরাজ কা'ল সে ভিক্ষা চায়।।
অবতার শ্রীরামচন্দ্র যে জানকীর পতি
তারও হলো বনবাস রাবণ করে দুর্গতি।
আগুনেও পুড়িল না ললাটের লেখা হায়।।
স্বামী পঞ্চ পাণ্ডব, সখা কৃষ্ণ ভগবান
দুঃশাসন করে তবু দ্রৌপদীর অপমান
পুত্র তার হলো হত যদুপতি যার সহায়।।
মহারাজ হরিশচন্দ্র, রাজ্য দান ক'রে শেষ
শ্মশান-রক্ষী হয়ে লভিল চণ্ডাল-বেশ
বিষ্ণু-বুকে চরণ-চিহ্ন, ললাট-লেখা কে খণ্ডায়।।

আমি চাঁদ নহি চাঁদ নহি অভিশাপ

বাণী

	আমি চাঁদ নহি, চাঁদ নহি অভিশাপ
	শূন্য হৃদয়ে আজো নিরাশায় আকাশে করি বিলাপ।।
		শত জনমের অপূর্ণ সাধ ল'য়ে
আমি	গগনে কাদিঁ গো ভুবনের চাঁদ হয়ে
	জোছনা হইয়া ঝরে গো আমার অশ্রু বিরহ-তাপ।।
	কলঙ্কহয়ে বুকে দোলে মোর তোমার স্মৃতির ছায়া
	এত জোছনায় ঢাকিতে পারিনি তোমার মধুর মায়া।
		কোন সে সাগর মন্থন শেষে মোরে
		জড়াইয়া যেন উঠেছিলে প্রেমভরে
হায়	তুমি গেছ চলে বুকে তবু দোলে তব অঙ্গের ছাপ।।

নিরজন ফুলবন এসো প্রিয়া

বাণী

নিরজন ফুলবন, এসো প্রিয়া
রহি’ রহি’ বলে কোয়েলিয়া।।
পথ পানে চাহি, নাহি নিদ নাহি
ঝরা ফুল জড়ায়ে ঝুরে হিয়া।।

ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক

বাণী

ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক
দোস্ত ও দুশমন পর ও আপন
সবার মহল আজ হউক রওনক।।
যে আছ দূরে যে আছ কাছে,
সবারে আজ মোর সালাম পৌঁছে।
সবারে আজ মোর পরান যাচে
সবারে জানাই এ দিল আশ্‌ক।।
এ দিল যাহা কিছু সদাই চাহে
দিলাম যাকাত খোদার রাহে
মিলিয়া ফকির শাহান্‌শাহে
এ ঈদগাহে গাহুক ইয়াহক্‌।
এনেছি শিরনি প্রেম পিয়ালার
এসো হে মোমিন কর হে ইফতার
প্রেমের বাঁধনে কর গেরেফ্‌তার
খোদার রহম নামিবে বেশক্‌।।