লাল টুক্‌টুক্‌ মুখে হাসি মুখখানি টুলটুল

বাণী

লাল টুক্‌টুক্‌ মুখে হাসি মুখখানি টুলটুল।
বিনি পানে রঙ দেখে যায় লাল-ঝুঁটি বুলবুল।।
দেখতে আমার, খুকুর বিয়ে
সূয্যি ওঠেন উদয় দিয়ে,
চাঁদ ওঠে ঐ প্রদীপ নিয়ে গায় নদী কুল্‌কুল্‌।।

নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’

আমি কি সুখে লো গৃহে রবো

বাণী

আমি কি সুখে লো গৃহে রবো
সখি গো —
আমার শ্যাম হলো যদি যোগী ওলো সখি আমিও যোগিনী হবো।
আমি যোগিনী হবো
শ্যাম যে তরুর তলে বসিবে লো ধ্যানে
সেথা অঞ্চল পাতি’ রবো
আমার বঁধুর পথের ধূলি হবো
আমায় চলে যেতে দলে যাবে সেই সুখে লো ধূলি হবো
সখি গো —
আমি আমার সুখের গোধূলি বেলার
রঙে রঙে তারে রাঙাইব
তার গেরুয়া রাঙা বসন হয়ে
জড়াইয়া রবো দিবস যামী
সখি গো —
সখি আমার কঠিন এ রূপ হবে রুদ্রাক্ষেরই মালা
তার মালা হয়ে ভুলব আমার পোড়া প্রাণের জ্বালা
আমার এ দেহ পোড়ায়ে হইব চিতা ছাই
মাখিবে যোগী মোর পুড়িব সেই আশায়
পোড়ার কি আর বাকি আছে
আমার শ্যাম গেছে যোগী হয়ে ছায়া শুধু পড়ে আছে।।

তব মুখখানি খুঁজিয়া ফিরি গো

বাণী

তব মুখখানি খুঁজিয়া ফিরি গো সকল ফুলের মুখে
ফুল ঝ'রে যায় তব স্মৃতি জাগে কাঁটার মতন বুকে।।
	তব প্রিয় নাম ধ'রে ডাকি
	ফুল সাড়া দেয় মেলি' আঁখি
তোমার নয়ন ফুটিল না হায় ফুলের মতন সুখে।।
তোমার বিরহে আমার ভুবনে ওঠে রোদনের বাণী,
কানাকানি করে চাঁদ ও তারায় জানি গো তোমারে জানি।
	খুঁজি বিজলি প্রদীপ জ্বেলে'
	কাঁদি ঝঞ্ঝার পাখা মেলে'
অন্ধ-গগনে আঁধার মেঘের ঢেউ ওঠে মোর দুখে।।

ঘন দেয়া গরজায় গো

বাণী

ঘন দেয়া গরজায় গো — কেঁদে ফেরে পূবালী বায়।।
একা ঘরে মম ডর লাগে, কার বিধুর স্মৃতি মনে জাগে,
বারি ধারে কাঁদে চারিধার, সে কোথায় আজি সে কোথায়।।
গগনে বরষে বারি, তৃষ্ণা গেল না তবু আমারি,
কোন্‌ দূর দেশে প্রিয়তম এ বিধুর বরষায়।।

ওরে ও নতুন ঈদের চাঁদ

বাণী

ওরে ও নতুন ঈদের চাঁদ
তোমার হেরে হৃদয় সাগর আনন্দে উন্মাদ।।
তোমার রাঙা তশতরিতে ফিরদৌসের পরী
খুশির শিরনি বিলায় রে ভাই নিখিল ভুবন ভরি
খোদার রহম পড়ছে তোমার চাঁদনি রূপে ঝরি।
দুখ ও শোক সব ভুলিয়ে দিতে তুমি মায়ার ফাঁদ।।
তুমি আসমানে কালাম
ইশারাতে লেখা যেন মোহাম্মাদের নাম।
খোদার আদেশ তুমি জান স্মরণ করাও এসে
যাকাত দিতে দৌলত সব দরিদ্রেরে হেসে
শত্রুরে আজি ধরিতে বুকে শেখাও ভালবেসে।
তোমায় দেখে টুটে গেছে অসীম প্রেমের বাঁধ।।

কে তোরে কি বলেছে মা

বাণী

কে	তোরে কি বলেছে মা ঘুরে বেড়াস কালি মেখে
ওমা	বরাভয়া ভয়ঙ্করী সাজ পেলি তুই কোথা থেকে।।
	তোর এলাকেশে প্রলয় দোলে
	আমি চিনতে নারি গৌরী বলে।
ওমা	চাঁদ লুকাল মেঘের কোলে তোর মুখে না হাসি দেখে।।
ওমা	শঙ্কর কি গঙ্গা নিয়ে,কাঁদায় তোরে দুঃখ দিয়ে
ওমা	শিবানী তোর চরণ তলে এনেছি তাই শিবকে ডেকে।।