আজি নন্দদুলালের সাথে

বাণী

আজি নন্দদুলালের সাথে
	ঐ খেলে ব্রজনারী হোরি।
কুঙ্কুম-আবির হাতে
	দেখ, খেলে শ্যামল খেলে গোরী।।
থালে রাঙা ফাগ,
নয়নে রাঙা রাগ,
ঝরিছে রাঙা সোহাগ
	রাঙা পিচ্‌কারি ভরি।।
পলাশ শিমুলে ডালিম ফুলে
	রঙনে অশোকে মরি মরি।
ফাগ-আবির ঝরে তরুলতা চরাচরে,
	খেলে কিশোর কিশোরী।।

আরো কত দিন বাকি

বাণী

আরো কতদিন বাকি
তোমারে পাওয়ার আগে বুঝি হায়! নিভে যায় মোর আঁখি।।
কত আখি-তারা নিভিয়া গিয়াছে কাদিয়া তোমার লাগি'
সেই আখিগুলি তারা হয়ে আজো আকাশে রয়েছে জাগি
		যেন নীড়-হারা পাখি।।
যত লোকে আমি তোমারি বিরহে ফেলেছি অশ্রু-জল
ফুল হয়ে সেই অশ্রু ছুইতে চাহে, চাহে তব পদতল
		সে-সাধ মিটিবে নাকি।।

ইয়া রাসুলুল্লাহ মোরে রাহ্ দেখাও

বাণী

ইয়া রাসুলুল্লাহ! মোরে রাহ্ দেখাও সেই কাবার।
যে কাবা মসজিদে গেলে পাব আল্লার দিদার।।
দ্বীন দুনিয়া এক হয়ে যায় যে কাবার ফজিলতে,
যে কাবাতে হাজি হ’লে রাজি হন পরওয়ারদিগার।।
যে কাবার দুয়ারে জামে তৌহিদ দেন হজরত আলী,
যে কাবায় কুল্-মাগফেরাতে কর তুমি ইন্তেজার।।
যে কাবাতে গেলে দেখি আরশ কুর্সি লওহ কালাম,
মরণে আর ভয় থাকে না, হাসিয়া হয় বেড়া পার।।

কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জরি-কর্ণে

বাণী

	কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জরি-কর্ণে।
	আমি ভুবন ভুলাতে আসি গন্ধে ও বর্ণে।।
	মোরে চেন কি?
মোর	আঁচলে চাঁপা, হেনা যুঁই অতসী।
মোর	বনের সাজিতে ভরা পলাশ বকুল
	নব আমের মুকুল,
মম	উত্তরী ঝলমল কিশলয়ে পর্ণে।।
	আনি’ মলয়-গিরি হ’তে চন্দন-গন্ধ
	হৃদয়-উদাস-করা সমীর সুমন্দ,
	ছড়াই আবির হাসি জোছনার স্বর্ণে।।

বন্ধু রে বন্ধু — পরান বন্ধু

বাণী

		বন্ধু রে, বন্ধু — পরান বন্ধু
আমার	দূরের বন্ধু আছে আমার ঐ গাঙের পারের গাঁয়ে।
		ঝরা-পাতর পত্র আমার যায় ভেসে তার পায়ে।।
			জানি জানি আমার দেশে
			আমার নেয়ে আসবে ভেসে,
ওরে		চির ঋণী আছে সে যে আমার প্রেমের দায়ে।।
		নূতন আশার পাল তু সে আসবে ফিরে ঘরে
		ফুটেছে তাই কাশ-কুসুমের হাসি শুকনো চরে।
			পিদমি জ্বেলে তারি আশায়
			গহীন গাঙের স্রোতে ভাসায়
ওরে		ঐ পিদিমের পথ ধ'রে সে আসবে সোনার নায়ে।।

আবার কি এলো রে বাদল

বাণী

আবার কি এলো রে বাদল।
ল’য়ে পিঠভরা এলোচুল, চোখ ভরা জল।।
তৃষিত গগনের তৃষ্ণা কি মিটিল
কৃষ্ণা-প্রিয়ায় পেয়ে হিয়া কি তিতিল,
কাহার বিরহ-দাহন জুড়াল,
মোর মত কা’র নিশি হইল বিফল।।
ফুটিল কি কদম কেয়া,
দোলে, কা’র বুকে ফুল, কা’র নয়নে দেয়া।
কে গেল অভিসারে, কে কাঁদে ভবনে
কা’র দীপ নিভে গেল দুরন্ত পবনে,
কণ্ঠ-লগ্না কা’র কান্তা ঘুমায়
মোর মত কা’র বুকে জ্বলিছে অনল।।