হে মাধব হে মাধব হে মাধব

বাণী

হে মাধব, হে মাধব, হে মাধব!
তোমারেই প্রাণের বেদনা কব তোমারি শরণ লব।।
সুখের সাগরে লহরি সমান
হিল্লোলি’ উঠে যেন তব নমি গান
দুঃখে শোকে কাঁদে যবে প্রাণ যেন নাম না ভুলি তব।।
তুমি ছাড়া বিশ্বে কাহারও কাছে
এ প্রাণ যেন কিছু নাহি যাচে।
যেনতোমারি অধিক কেহ প্রিয় নাহি হয়
বিশ্ব ভুবনে যেন হেনি তুমি-ময়
কলঙ্ক-লাঞ্ছনা যত বাধা ভয় তব প্রেমে সকলি স’ব।।

জনম জনম তব তরে কাঁদিব

বাণী

জনম জনম তব তরে কাঁদিব।
যত হানিবে হেলা ততই সাধিব।।
	তোমারি নাম গাহি’ 
	তোমারি প্রেম চাহি’,
ফিরে ফিরে নিতি তব চরণে আসিব।।
জানি জানি বঁধু, চাহে যে তোমারে,
ভাসে সে চিরদিন নিরাশা-পাথারে।
	তবু জানি হে স্বামী
	কোন্ সে-লোকে আমি,
তোমারে পাব বুকে বাহুতে বাঁধিব।।

১. যত করিবে, ২. ফিরে ফিরে আমি তব চরণে আসিব, ৩. জীবন-স্বামী

আমায় যারা দেয় মা ব্যথা

বাণী

আমায় যারা দেয় মা ব্যথা আমায় যারা আঘাত করে,
	তোরই ইচ্ছায় ইচ্ছাময়ী!
আমায় যারা ভালবাসে বন্ধু ব’লে বক্ষে ধরে, -
	তোরই ইচ্ছায় ইচ্ছাময়ী!!
	আমার আপমান করে যে
	মাগো তোরই ইচ্ছা সে যে
আমায় যারা যায় মা ত্যেজে যারা আমার আসে ঘরে,
	তোরই ইচ্ছায় ইচ্ছাময়ী॥
আমার ক্ষতি করতে পারে অন্য লোকের সাধ্য কি মা;
দুঃখ যা পাই তোরই সে দান, মাগো সবই তোর মহিমা!
	তাই পায়ে কেহ দলে যবে
	হেসে সয়ে যাই নীরবে,
কে কারে দুখ্ দেয় মা কবে তোর আদেশ না পেলে পরে
তোরই ইচ্ছায় ইচ্ছাময়ী!!

ঈদের খুশির তুফানে আজ ভাসলো

বাণী

ঈদের খুশির তুফানে আজ ভাসলো দো জাহান
এই তুফানে ডুবু ডুবু জমিন ও আসমান।।
ঈদের চাঁদের পানসি ছেড়ে বেহেশত হতে
কে পাঠালো এত খুশি দুখের জগতে
শোন ঈদগাহ হতে ভেসে আসে তাহারি আজান।।

রেকর্ড-নাটিকা:‘ঈদুল ফেতর’

তুমি কোন্ পথে এলে

বাণী

তুমি	কোন্ পথে এলে হে মায়াবী কবি
	বাজায়ে বাঁশের বাঁশরি।
এলো	রাজ-সভা ছাড়ি’ ছুটি,
	গুণিজন তোমার সে সুরে পাশরি’।।
তোমার	চলার শ্যাম-বনপথ
	কদম-কেশর-কীর্ণ,
তুমি	কেয়ার বনের খেয়াঘাটে হলে
	গোপনে কি অবতীর্ণ?
তুমি	অপরাজিতার সুনীল মাধুরী
	দু’চোখে আনিলে করিয়া কি চুরি?
তোমায়	নাগ-কেশরের ফণী-ঘেরা মউ
	পান করাল কে কিশোরী?
	জনপুরী যবে কল-কোলাহলে
	মগ্নোৎসব রাজ সভাতলে,
তুমি	একাকী বসিয়া দূর নদী-তটে
	ছায়া-বটে বাঁশি বাজালে,
তুমি	বসি’ নিরজনে ভাঁট ফুল দিয়া
	বালিকা বাণীরে সাজালে।।
যবে	রুদ্র আসিল ডম্বরু-করে
	ত্রিশূল বিঁধিয়া নীল অম্বরে,
তুমি	ফেলিয়া বাঁশরি আপনা পাশরি,
	এলে সে-প্রলয় নাটে গো,
তুমি	প্রাণের রক্তে রাঙালে তোমার
	জীবন-গোধূলি পাটে গো।।
	হে চির-কিশোর, হে চির-তরুণ,
	চির-শিশু চির-কোমল করুণ।
	দাও অমিয়া আরো অমিয়া,
দাও	উদয়-ঊষারে লজ্জা গো তুমি
	গোধূলির রঙে রঙিয়া।
	প্রখর রবি-প্রদীপ্ত গগনে,
	তুমি রাঙা মেঘ খেল আন্‌মনে,
	উৎসব-শেষে দেউলাঙ্গনে
	নিরালা বাজাও বাঁশরি,
আমি	স্বপন-জড়িত ঘুমে সেই সুর
	শুনিব সকল পাশরি’।।

মধুর রসে উঠ্‌ল ভ’রে মোর বিরহের দিনগুলি

বাণী

মধুর রসে উঠ্‌ল ভ’রে মোর বিরহের দিনগুলি।
হেলায় খেলায় দিবস ফুরায় অতীত স্মৃতির ফুল তুলি’।।
	ক্ষণেকের তরে পেয়েছিনু কাছে
	সেই আনন্দে প্রাণ ভ’রে আছে,
আমার মনের চাঁপা গাছে গাহিছে গানের বুলবুলি।।
পাইনে ব’লে নিত্য জাগে পরানে পাওয়ার আশা,
বাসি হ’ল নাকো মোর ফুলহার আমার এ ভালোবাসা।

১. গানটি মূল পান্ডুলিপিতে এ পর্যন্তই আছে।