বাণী
সখি জাগো, রজনী পোহায় মলিন কামিনী-ফুল যামিনী-গলায়।। চলিছে বধূ সিনানে (ওগো) বসন বশ না মানে শিথিল আঁচল টানে পথের কাঁটায়।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ যৎ
ভিডিও
স্বরলিপি

সখি জাগো, রজনী পোহায় মলিন কামিনী-ফুল যামিনী-গলায়।। চলিছে বধূ সিনানে (ওগো) বসন বশ না মানে শিথিল আঁচল টানে পথের কাঁটায়।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ যৎ

বন্ধু বিদায় — যাই চ’লে যাই — তোমার গলার মালা পরায়ে তোমায়।। ফুল ঝ’রে যে পথে হারায় অশ্রু ঝ’রে যে পথে লুকায়, যাই যাই — যে আঁধার পথে আশার বাতি নিভে যায় বন্ধু বিদায়।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরী স্বপনপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
বলেছিলে ভুলিবে না মোরে। ভুলে গেলে হায়, কেমন ক’রে।। নিশীথের স্বপনে কে যেন কহে ধরণীর প্রেম সে কি স্মরণে রহে, ফুলের মতন ফুটে যায় রে ঝ’রে।। বোঝে না বিরহী মন অসহায়, যত নাহি পায় তত জড়াইতে চায়। যত দূরে যাও তত, তব গাওয়া গান কেন স্মৃতিপথে এসে কাঁদায় এ প্রাণ, আঁখিতে দেখি না দেখি আঁখির লোরে।।
রাগঃ আনন্দী
তালঃ ত্রিতাল

হোক প্রবুদ্ধ সঙ্ঘবন্ধ মোদের মহাভারত হোক সার্থক নাম। হোক এই জাতি ধর্মে এক, কর্মে এক, মর্মে এক — এক লক্ষ্যে মধুর সখ্যে, পূর্ণ হউক পূর্ণ হউক আর্যাবর্তধাম।।
নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

মনের রঙ লেগেছে বনের পলাশ জবা অশোকে রঙের ঘোর জেগেছে পারুল কনক-চাঁপার চোখে।। মুহু মুহু বোলে কুহু কুহু কোয়েলা, মুকুলিত আমের ডালে গাল রেখে ফুলের গালে। দোয়েলা দোল দিয়ে যায়, ডালিম ফুলের নব-কোরকে।। ফুলের পরাগ ফাগের রেণু ঝুরু ঝুরু ঝরিছে গায়ে ঝিরি ঝিরি চৈতী বায়ে বকুল বনে ঝিমায় মধুপ মদির নেশার ঝোঁকে।। হরিত বনে হরষিত মনে হোরির হর্রা জাগে রঙিলা অনুরাগে নূতন প্রণয়-সাধ জাগে চাঁদের রাঙা আলোকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ শিরিন আখতার

কথা কইবে না বউ, তোর সাথে তার আড়ি, বউ মান করেছে, আজি চলে যাবে বাপের বাড়ি।। বউ কসনে কথা কসনে, এত অল্পে অধীর হ'সনে ও নতুন ফুলের খবর পেলে পালিয়ে যাবে তোকে ফেলে, ওর মন্দ স্বভাব ভারি।।
ছায়াছবিঃ ‘সাপুড়ে’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
