গাহ নাম অবিরাম কৃষ্ণনাম

বাণী

গাহ নাম অবিরাম কৃষ্ণনাম কৃষ্ণনাম।
মহাকাল যে নামের করে প্রাণায়াম।।
যে নামের গুণে কংস কারার খোলে দ্বার।
বসুদেব যে নামে যমুনা হ’ল পার।
যে নাম মায়ায় হল তীর্থ ব্রজধাম।।
দেবকীর বুকের পাষাণ গলে,
যে নাম দোলে যশোদার কোলে।
যে নাম লয়ে কাঁদে রাই রসময়ী,
কুরুক্ষেত্রে যে নামে হল পান্ডব জয়ী।
গোলকে নারায়ণ, ভূলোকে রাধাশ্যাম।।

যত নাহি পাই দেবতা তোমায়

বাণী

যত নাহি পাই দেবতা তোমায় , তত কাঁদি আর পূঁজি।
ত্ই লুকাও ধরা নাহি দাও, ততই তোমারে খুঁজি
কত সে রূপের রঙের মায়ায়, আড়াল করিয়া রাখ আপনায়
তবু তব পানে অশান্ত মন কেন ধায় নাহি বুঝি।।
কাঁদালে যদি গো এমন করিয়া কেন প্রেম দিলে তবে
অন্তবিহীন এ লুকোচুরির শেষ হবে নাথ কবে?
সহে না হে নাথ বৃথা আসা যাওয়া-
জনমে জনমে এই পথ চাওয়া
কাঁদিয়া কাঁদিয়া ফুরায়ে গেল চোখের জলের পুঁজি।।

বেয়ান বলি ও বেয়ান ঠাকরুন

বাণী

পুরুষ	:	(বেয়ান, বলি ও বেয়ান ঠাকরুন)
		বেয়ান তোমার আলু চেরা চোখে আমি মরে আছি
স্ত্রী	:	বেয়াই আমি তাইতো তোমার গোদা পায়ে শরণ যাচি।
		ও তোমার গোদা পায়ে শরণ যাচি।
পুরুষ	:	(বলি ও বয়ান তোমার)
		দাঁতে ছাতা গালে ছুলি গলায় পেটে কোলাকুলি
		আমি দেখেই ছুটি কাছা খুলি
		(আমি) দেখেই ছুটি ও আমার কাছা খুলে গো
		দেখেই ছুটি হরিবোল বোলে রে
		দেখেই ছুটি ও হরিবোল বোলে রে
		আমি কাছা খুলে বাহু তুলে দেখেই ছুটি।
স্ত্রী	:	(বলি ও বেয়াই, ও কাছা তো নয়) এ যে লেজুড়েরি কাছাকাছি।
পুরুষ	:	(বলি ও বেয়ান ঠাকরুন তোমার)
		ফোকলা দাঁতে প্রেমের বুলি শুনেই কাঁধে নিলেম ঝুলি।
স্ত্রী	:	(বুঝি গৌর নামের ঝুলি, বলি ও বেয়াই উঁ)
		বেয়াই নিয়ে এবার যাবে রাঁচি
		যাবে রাঁচি গৌর হে ওহে গৌর (যাবে রাঁচি)
		কাছা খুলে বাহু তুলে যাবে রাঁচি (তুমি)।
পুরুষ	:	(বলি ও বেয়ান)
		ভাগলপুরি বিবির মতন নাদুস নুদুস কি সে গঠন
স্ত্রী	:	(বলি ও হামদো বুড়ো) তুমি মাম্‌দো ভূত যে চামড়া খেকো
		ও আমায় করতে এলে আমড়া গাছি।

আজি পিয়াল ডালে বাঁধো বাঁধো ঝুলনা

বাণী

আজি পিয়াল ডালে বাঁধো বাঁধো ঝুলনা।
পড় ধানী শাড়ি, মেঘ-রঙ ওড়না।।
জলদ-তাল বাজে শ্রাবণ-মেঘে
তরুরে জড়ায়ে দোলে বন-লতা পবন বেগে
মনের মাঝে দোলে মিলন-বিরহ-দোলনা।।
শান্ত আকাশে আজি বেদনা ঘনায়
কত কি বলিতে চায় শ্রাবণ-ধারায়,
(তার) তবু মনের কথা বলা হ'ল না।।
তমাল-কুঞ্জে চল চল দুলিতে,
গাহ ঝুলনের গান ব্রজ-বুলিতে,
আজি আসে মনে বৃন্দাবনের তুলনা।।

কেন আসিলে যদি যাবে চলি’

বাণী

কেন আসিলে যদি যাবে চলি’।
গাঁথিলে না মালা ছিঁড়ে ফুল-কলি।।
কেন বারে বারে আসিয়া দুয়ারে
ফিরে গেলে ‘পারে কথা নাহি বলি’,
কী কথা বলিতে, আসিয়া নিশীথে,
শুধু ব্যথা-গীতে গেলে মোরে ছলি’।।
প্রভাতের বায়ে কুসুম ফুটায়ে,
নিশীথে লুকায়ে উড়ে গেল অলি।।
কবি শুধু জানে, কোন্ অভিমানে,
চাহি যারে গানে কেন তা’রে দলি।।

ওগো ও আমার কালো

বাণী

ওগো ও আমার কালো —
গহন বনে বুকের মাঝে জ্বালো তুমি জ্বালো
		ওগো আমার আলো গো।।
	কাজলা মেঘের অন্তরালে
	তোমার রূপের মানিক জ্বলে
আমার কালো মনের তলে জ্বালাও তুমি আলো গো।।
একলা ব’সে দিন যেন মোর কাটে
কইতে কথা বুক যে আমার ফাটে গো
আঁধার যখন আসবে ঘিরে জ্বালবে তুমি আলো গো।।