বাণী
তব ফুলহার নহে মোর নহে। ভুলায়ো না আর মালার মোহে।। মালার সাথে যদি না মেলে হৃদয় হানে আরো জ্বালা, মালা সে নয়, আরো কাঁদায় বিরহে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ দুর্গা (বেলাওল ঠাট)
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালী
তব ফুলহার নহে মোর নহে। ভুলায়ো না আর মালার মোহে।। মালার সাথে যদি না মেলে হৃদয় হানে আরো জ্বালা, মালা সে নয়, আরো কাঁদায় বিরহে।।
রাগঃ দুর্গা (বেলাওল ঠাট)
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালী
চল মন আনন্দ-ধাম। চল মন আনন্দ-ধাম রে, চল আনন্দ-ধাম।। লীলা-বিহার প্রেম লোক নাই রে সেথা দুঃখ শোক, সেথা বিহরে চির-ব্রজ-বালক — বন্শিওয়ালা শ্যাম রে চল আনন্দ-ধাম।। নাহি মৃত্যু নাহি ভয় নাহি সৃষ্টি, নাহি লয়, খেলে চির-কিশোর চির-অভয় — সঙ্গীত ওম্ না রে চল আনন্দ ধাম।।১ নাহি চরাচর নাহি রে ব্যোম লীলা-সাথী গ্রহ রবি ও সোম, সঙ্গীত ‘ওম্’ নাম রে চল আনন্দ ধাম।।
১. অবাঙ্মনস-গোচরম্
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

ওলো এক চাঁদকে সৃষ্টি ক’রে বিধির পুঁজি শেষ। এই চাঁদের পাশে চাঁদ শোভা পায় আছে সে-কোন্ দেশ।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগঃ ইমন-কল্যাণ
তালঃ কাহার্বা
ঝলমল জরীণ বেণী দুলায়ে প্রিয়া কি এলে সজল শাওন-মেঘে কাজল নয়ন মেলে।। কেয়া ফুলের পরিমল, ঝুরে মরে তব পথে, হেরি দীঘল তব তনু তাল পিয়াল তরু পড়ে হেলে’।। পরিবে বলিয়া খোঁপায় ঝরিছে বকুল চাঁপা তোমায় খুঁজিছে আকাশ তারার প্রদীপ জ্বেলে।। তোমারি লাবনি প্রিয়া ঝরিছে শ্যামল মেঘে, ফুটালে ফুল মরুভূমে চঞ্চল চরণ ফেলে।।
রাগঃ মাঢ়
তালঃ কাহার্বা

পরো সখি মধুর বধূ-বেশ বাঁধো আকুল চাঁচর কেশ।। বাঁকা ভুরুর মাঝে পর খয়েরি টিপ বকুল-বেলার হার, ছাড় মলিন বাস শাড়ি চাঁপা রং পর পর আবার। অধর রাঙাও সলাজ হাসিতে মোছ নয়ন-ধার — বিদেশী বন্ধু তোমারে স্মরিয়া ফিরে এলো নিজ দেশ।। মিলন-দিনে আর সাজে না মুখ-ভার ভোলো ভোলো অভিমান, মধুরে ডাক কাছে তায়, জুড়াও তাপিত প্রাণ। অরুণ-রাঙা হোক অনুরাগের রঙে করুণ সজল নয়ান — মরম বীণায় উঠুক বাজিয়া মিলন-মধুর রেশ।।
রাগঃ
তালঃ
স্নিগ্ধ-শ্যাম-বেণী-বর্ণা এসো মালবিকা অর্জুন-মঞ্জরি-কর্ণে গলে নীপ-মালিকা, মালবিকা।। ক্ষীণা তন্বী জল-ভার-নমিতা শ্যাম জম্বু-বনে এসো অমিতা আনো কুন্দ মালতী যুঁই ভরি থালিকা, মালবিকা।। ঘন নীল বাসে অঙ্গ ঘিরে এসো অঞ্জনা রেবা-নদীর তীরে। পরি’ হংস-মিথুন আঁকা শাড়ি ঝিল্মিল্ এসো ডাগর চোখে মাখি সাগরের নীল ডাকে বিদ্যুৎ ইঙ্গিতে দিগ্-বালিকা, মালবিকা।।
রাগঃ মিঞা কী মল্লার
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুপ জালোটা
