বাণী
কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর দোলে টলমল রহে না স্থির।। মানে না বারণ উথলে বারি ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি সখি ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
ভিডিও
স্বরলিপি

কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর দোলে টলমল রহে না স্থির।। মানে না বারণ উথলে বারি ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি সখি ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি আমার দেশের মাটি।। এই দেশেরই মাটি জলে এই দেশেরই ফুলে ফলে তৃষ্ণা মিটাই মিটাই ক্ষুধা পিয়ে এরি দুধের বাটি।। এই মায়েরই প্রসাদ পেতে মন্দিরে এর এঁটো খেতে তীর্থ ক’রে ধন্য হতে আসে কত জাতি। ও ভাই এই দেশেরই ধূলায় পড়ি’ মানিক যায় রে গড়াগড়ি ও ভাই বিশ্বে সবার ঘুম ভাঙালো এই দেশেরই জিয়ন-কাঠি।। এই মাটি এই কাদা মেখে এই দেশেরই আচার দেখে সভ্য হ’লো নিখিল ভুবন দিব্য পরিপাটি। ও ভাই সন্ন্যাসিনী সকল দেশে জ্বাল্লো আলো ভালোবেসে মা আঁধার রাতে এক্লা জাগে আগ্লে রে এই শ্মশান-ঘাঁটি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ ফিরোজা বেগম

নবীন আশা জাগ্ল যে রে আজ! নূতন রঙে রাঙা তোদের সাজ॥ কোন সে বাণী বাজ্ল প্রাণের মাঝ বাজরে বীনা বাজ, দীপক-তানে বাজ আপন কাজে পাস্ রে কেন লাজ? এগিয়ে গিয়ে ধর্ রে নিজের কাজ। শির্ উচিয়ে দাঁড়া জগৎ-মাঝ! তোদের কণ্ঠে হানে যেন প্রবল বাজ॥ ফেলে দে রে যা কিছু সব জীর্ণ রিক্ত যা, হবে তা দীর্ণ। থাকিস্ নে বসে কেউ শীর্ণ দুন্দুভি-ঢাক বাজুক না রে আজ॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ নিলুফার ইয়াসমিন
এসো এসো রস-লোক বিহারী এসো মধুকর-দল। এসো নভোচারী — স্বপন-কুমার এসো ধ্যান-নিরমল।। এসো হে মরাল কমল-বিলাসী, বুলবুল পিক সুর-লোক-বাসী, এসো হে স্রষ্টা এসো অ-বিনাশী এসো জ্ঞান-প্রোজ্জ্বল।। দীওয়ানা প্রেমিক এসো মুসাফির — ধূলি-ম্লান তবু উন্নত শির, আমরা-অমৃত-জয়ী এসো বীর আনন্দ বিহ্বল।। মাতাল মানব করি’ মাতামাতি দশ হাতে যবে লুটে যশ খ্যাতি, তোমরা সৃজিলে নব দেশ জাতি অগোচর অচপল।। খেল চির-ভোলা শত ব্যথা স’য়ে সংঘাত ওঠে সঙ্গীত হ’য়ে, শত বেদনার শতদল ল’য়ে লীলা তব অবিরল।। ভুলি’ অবহেলা অভাব বিষাদ ধরণীতে আনো স্বর্গের স্বাদ, লভি’ তোমাদের পুণ্য প্রসাদ পেনু তীর্থের ফল।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ একতাল
যাও যাও তুমি ফিরে এই মুছিনু আঁখি কে বাঁধিবে তোমারে হায় গানের পাখি॥ মোর আজ এত প্রেম আশা এত ভালোবাসা সকলি দুরাশা আজ কি দিয়া রাখি॥ তোমার বেঁধেছিল নয়ন শুধু এ রূপের জালে তাই দুদিন কাঁদিয়া হায় এ বাঁধন ছাড়ালে। আমার বাঁধিয়াছে হিয়া আমি ছাড়াব কি দিয়া আমার হিয়া তো নয়ন নহে ও সে ছাড়ে না কাঁদিয়া, ওগো দুদিন কাঁদিয়া। এই অভিমান জ্বালা মোর একেলারি কালা ম্লান মিলনেরি মালা দাও ধূলাতে ঢাকি॥
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

অনাদরে স্বামী প’ড়ে আছি আমি তব কোলে তুলে নাও নিয়ে ধরণীর ধূলি আছি আমি ভুলি’ চরণের ধূলি দাও॥ বিভবে বিলাসে সংসার কাজে অশান্ত প্রাণ কাঁদে বন্ধন মাঝে বৃথা দ্বারে দ্বারে চেয়েছি সবারে এবার তুমি মোরে চাও॥ যাহা কিছু প্রিয় জীবনের মম হরিয়া লহ তুমি, লও প্রিয়তম। সূর্যের পানে সূর্যমুখী ফুল যেমন চাহিয়া রয় বিরহ-ব্যাকুল তেমনি প্রভু আমার এ মন তোমার পানে ফিরাও॥
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ কাহার্বা
