বাণী
দিও ফুলদল বিছায়ে পথে বঁধুর আমার। পায়ে পায়ে দলি’ ঝরা সে-ফুলদল আজি তার অভিসার।। আমার আকুল অশ্রুবারি দিয়ে চরণ দিও তার ধোয়ায়ে, মম পরান পুড়ায়ে জ্বেলো দীপালি তাহার।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বারোয়াঁ
তালঃ
দিও ফুলদল বিছায়ে পথে বঁধুর আমার। পায়ে পায়ে দলি’ ঝরা সে-ফুলদল আজি তার অভিসার।। আমার আকুল অশ্রুবারি দিয়ে চরণ দিও তার ধোয়ায়ে, মম পরান পুড়ায়ে জ্বেলো দীপালি তাহার।।
রাগঃ বারোয়াঁ
তালঃ
হে মহামৌনী, তব প্রশান্ত গম্ভীর বাণী শোনাবে কবে যুগ যুগ ধরি’ প্রতীক্ষারত আছে জাগি’ ধরণী নীরবে॥ যে-বাণী শোনার অনুরাগে উদার অম্বর জাগে অনাহত যে-বাণীর ঝঙ্কার বাজে ওঙ্কার প্রণবে॥ চন্দ্র-সূর্য-গ্রহ-তারায় জ্বলে যে-বাণীর শিখা পুষ্পে-পর্ণে শত বর্ণে যে-বাণী-ইঙ্গিত লিখা। যে অনাদি বাণী সদা শোনে যোগী-ঋষি মুনি জনে যে-বাণী শুনি না শ্রবণে বুঝি অনুভবে॥
রাগঃ বিলাবল
তালঃ ত্রিতাল

বাদ্লা-কালো স্নিগ্ধা আমার কান্তা এলো রিম্ঝিমিয়ে বৃষ্টিতে তার বাজ্লো নুপূর পায়জোরেরই শিঞ্জিনী যে। ভিজ্লো কুঁড়ির বক্ষ-পরাগ হিম্-শিশিরের আমেজ পেয়ে হর্দম! হর্দম দাও মদ, মস্ত্ করো গজল গেয়ে! ফেরদৌসের ঝরকা বেয়ে গুল-বাগিচায় বইছে হাওয়া, এই তো রে ভাই ওক্ত খুশির, দ্রাক্ষারসে দিল্কে নাওয়া। কুঞ্জে জরিন ফারসি ফরাস্ বিছিয়েছে আজ ফুলবালারা, আজ চাই-ই চাই লাল-শিরাজি স্বচ্ছ-সরস খোর্মা-পারা! খাম্খা তুমি মরছ কাজী শুষ্ক তোমার শাস্ত্র ঘেঁটে, মুক্তি পাবে হারামখোরের আল-কিমিয়ার পাত্র চেটে!
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বল্ মা শ্যামা বল্ তোর বিগ্রহ কি মায়া জানে। আমি যত দেখি তত কাঁদি ঐ রূপ দেখি মা সকলখানে॥ মাতৃহারা শিশু যেমন মায়ের ছবি দেখে, চোখ ফিরাতে নারে মাগো, কাঁদে বুকে রেখে। তোর মূর্তি মোরে তেমনি ক’রে টানে মাগো মরণ টানে॥ ও-মা, রাত্রে নিতুই ঘুমের ঘোরে দেখি বুকের কাছে, যেন, প্রতিমা তোর মায়ের মত জড়িয়ে মোরে আছে। জেগে উঠে আঁধার ঘরে কাঁদি যবে মা তোরই তরে দেখি প্রতিমা তোর কাঁদছে যেন চেয়ে চেয়ে আমার পানে॥
রাগঃ শিবরঞ্জনী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

শোন শোন, ইয়া ইলাহী, আমার মোনাজাত। তোমারি নাম জপে যেন, (আমার) হৃদয় দিবস-রাত।। যেন কানে শুনি সদা তোমারি কালাম হে খোদা, (আমি) চোখে যেন দেখি শুধু, (দেখি) কোরআনের আয়াত।। মুখে যেন জপি আমি কলেমা তোমার দিবস-যামী, (তোমার) মসজিদেরি ঝাড়ু-বরদার, (খোদা) হোক আমার এ হাত। সুখে তুমি, দুখে তুমি, চোখে তুমি, বুকে তুমি, এই পিয়াসি প্রাণে খোদা (খোদা) তুমি আবহায়াত।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ওলো এক চাঁদকে সৃষ্টি ক’রে বিধির পুঁজি শেষ। এই চাঁদের পাশে চাঁদ শোভা পায় আছে সে-কোন্ দেশ।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগঃ ইমন-কল্যাণ
তালঃ কাহার্বা