বাণী
আঁখি-পাতা ঘুমে জড়ায়ে আসে ওগো চাঁদ জাগিয়া থেকো সুদূর আকাশে।। জাগিয়া থেকো কবরীর মালা পথ যেন পায় সে তোমার সুবাসে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ কাফি-কানাড়া
তালঃ আড়া চৌতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

আঁখি-পাতা ঘুমে জড়ায়ে আসে ওগো চাঁদ জাগিয়া থেকো সুদূর আকাশে।। জাগিয়া থেকো কবরীর মালা পথ যেন পায় সে তোমার সুবাসে।।
রাগঃ কাফি-কানাড়া
তালঃ আড়া চৌতাল

গ্রামের শেষের মাঠের পথে গান গেয়ে কে যায় একা বাউল আনমনা। তার সুরে সবুজ ধানের ক্ষেত্রে ঢেউ খেলিয়া যায় গায় সাথে চপল-ঝরনা।। চলে নূপুর মুখর পায় সুর বাজিয়ে একতারায়, তাথৈ তাথৈ হাততালি দেয় সাথে তালবনা।। শান্ত নদীর কূলে হঠাৎ জোয়ার উঠে দুলে, বালুচরে চম্কে চখা চাহে নয়ন তুলে’। ওঠে রেঙে আকাশ কোল্ লাগে শাখায় শাখায় দোল্ লাগে দোল্, মনের মাঝে এঁকে সে যায় সুরের আল্পনা।।
রাগঃ
তালঃ
ভুল ক'রে যদি ভালোবেসে থাকি ক্ষমিও সে অপরাধ। অসহায় মনে কেন জেগেছিল ভালবাসিবার সাধ।। কত জন আসে তব ফুলবন মলয়, ভ্রমর, চাঁদের কিরণ, — তেমনি আমিও আসি অকারণ অপরূপ উন্মাদ।। তোমার হৃদয়-শূন্যে জ্বলিছে কত রবি শশী তারা, তারি মাঝে আমি ধূমকেতু সম এসেছিনু পথহারা। তবু জানি প্রিয় একদা নিশীথে মনে পড়ে যাবে আমারে চকিতে, সহসা জাগিবে উৎসব-গীতে সকরুণ অবসাদ।।
রাগঃ দরবারী কানাড়া
তালঃ দাদ্রা

এসো এসো এসো ওগো মরণ! এই মরণ-ভীতু মানুষ-মেষের ভয় কর গো হরণ।। না বেরিয়েই পথে যা’রা পথের ভয়ে ঘরে বন্ধ-করা অন্ধকারে মরার আগেই মরে, তাতা থৈ থৈ তাতা থৈ থৈ তাদের বুকের ’পরে — ভীম রুদ্রতালে নাচুক তোমার ভাঙন-ভরা চরণ।। দীপক রাগে বাজাও জীবন-বাঁশি মড়ার মুখেও আগুন উঠুক হাসি’। কাঁধে পিঠে কাঁদে যথা শিকল জুতোর ছাপ নাই সেখানে মানুষ সেথা বাঁচাও মহাপাপ, সে দেশের বুকে শ্মাশান মশান জ্বালুক তোমার শাপ, সেথা জাগুক নবীন সৃষ্টি অবার হোক নব নাম-করণ।। হাতের তোমার দণ্ড উঠুক কেঁপে’, এবার দাসের ভুবন ভবন ব্যেপে’। মেষগুলোকে শেষ ক’রে দেশ-চিতার বুকে নাচো! শব ক’রে আজ শয়ন, হে শিব, জানাও তুমি আছ। মরায় ভরা ধরায়, মরণ! তুমিই শুধু বাঁচো — এই শেষের মাঝেই অশেষ তুমি, করছি তোমায় বরণ।। জ্ঞান-বুড়ো ঐ বলছে জীবন মায়া, নাশ কর ঐ ভীরুর কায়া ছায়া! মুক্তি-দাতা মরণ! এসো কাল-বোশেখীর বেশে; মরার আগেই মরলো যারা, নাও তাদেরে এসে। জীবন তুমি সৃষ্টি তুমি জরা-মরার দেশে, তাই শিকল বিকল মাগ্ছে তোমার মরণ-হরণ-শরণ।।
‘মরণ-বরণ’
রাগঃ বিলাবল মিশ্র
তালঃ তেওড়া

ভবানী শিবানী দশপ্রহরণধারিনী দুখ-পাপ-তাপ হারিণী ভবানী।। কলুষ-রিপু-দানব-জয়ী জগৎ-মাতা করুণাময়ী জয় পরমাশক্তি মাতা ত্রিলোকধারিণী।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ঝাঁপতাল

কেন তুমি কাঁদাও মোরে, হে মদিনাওয়ালা! অবরোধবাসিনী আমি কুলের কুলবালা।। ঈদের চাঁদের ইশারাতে কেন ডাক নিঝুম রাতে, হাসিন ইউসুফ! জুলেখারে কত দিবে জ্বালা।। একি লিপি পাঠালে নাথ কোরানের আয়াতে — পড়তে গিয়ে অশ্রু-বাদল নামে আঁখি-পাতে। বাজিয়ে শাহাদতের বাঁশি কেন ডাক নিত্য আসি'; হাজার বছর আগে তোমায় দিয়েছি তো মালা।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
