ভালোবাসি কলঙ্কী চাঁদ মেঘের পাশে

বাণী

ভালোবাসি কলঙ্কী চাঁদ মেঘের পাশে।
মোর ফুল আরো ভালো লাগে ভ্রমর সে ফুলে যদি আসে।।
	ভালোবাসি নিঝুম রাতি
	যদি রহে সুন্দর সাথী,
সেই সুন্দর সাথী প্রিয়তম হয়, যবে চঞ্চল হয়ে ওঠে প্রণয় পিয়াসে।।

নাটক: দেবী দূর্গা

দুঃখ-ক্লেশ-শোক-পাপ-তাপ শত

বাণী

দুঃখ-ক্লেশ-শোক-পাপ-তাপ শত
শ্রান্তি মাঝে হরি শান্তি দাও দাও॥
কান্ডারি হে আমার, পার কর কর পার,
উত্তাল তরঙ্গ অশান্তি পারাবার,
অভাব দৈন্য শত হৃদি-ব্যথা-ক্ষত,
যাতনা সহিব কত প্রভু কোলে তুলে নাও।।
হে দীনবন্ধু করুণাসিন্ধু,
অম্বর ব্যাপি’ ঝরে তব কৃপা-বিন্দু,
মরুর্‌ মতন চেয়ে আছি নব ঘনশ্যাম —
আকুল তৃষ্ণা ল’য়ে প্রভু পিপাসা মিটাও॥

মহাকালের কোলে এসে

বাণী

	মহাকালের কোলে এসে গৌরী হ’ল মহাকালী,
	শ্মশান–চিতার ভস্ম মেখে ম্লান হ’ল মার রূপের ডালি।।
		তবু মায়ের রূপ কি হারায়
	সে যেছড়িয়ে আছে চন্দ্র তারায়,
	মায়ের রূপের আরতি হয় নিত্য সূর্য–প্রদীপ জ্বালি’ ।।
	উমা হ’ল ভৈরবী হায় বরণ ক’রে ভৈরবেরে,
হেরি’	শিবের শিরে জাহ্নবী রে শ্মশানে মশানে ফেরে।
		অন্ন দিয়ে ত্রি–জগতে
		অন্নদা মোর বেড়ায় পথে,
	ভিক্ষু শিবের অনুরাগে ভিক্ষা মাগে রাজদুলালী।।

আল্লা নামের শিরনি তোরা কে নিবি কে আয়

বাণী

		আল্লা নামের শিরনি তোরা কে নিবি কে আয়।
মোরা 	শিরনি নিয়ে পথে হাঁকি (নিতে) কেহ নাহি চায়।।
			এই শিরনির গুণে ওরে শোন
			শিরিণ্ হবে তোর তিক্ত মন রে
		রাঙা হবে ভাঙা হৃদয় এই শিরনির মহিমায়।।
		ধররে প্রাণের তশ্‌তরি তোর আরশ পানে মেলে,
		খোদার খিদে মিটবে রে ভাই এই শিরনি খেলে।
			তোদের পেট পুরিলি ধূলামাটি খেয়ে
			করলি হেলা আল্লার নাম পেয়ে
তোরা 	কাবা পাবার দরজা পাবি আয় আল্লা নামের দরজায়।।

দূর আজানের মধুর ধ্বনি বাজে বাজে

বাণী

দূর আজানের মধুর ধ্বনি বাজে বাজে মসজিদেরই মিনারে।
এ কী খুশির অধীর তরঙ্গ উঠলো জেগে’ প্রাণের কিনারে।।
মনে জাগে হাজার বছর আগে
	ডাকিত বেলাল এমনি অনুরাগে,
তাঁর খোশ এলেহান, মাতাইত প্রাণ গলাইত পাষাণ ভাসাইত মদিনারে
		প্রেমে ভাসাইত মদিনারে।।
তোরা ভোল গৃহকাজ, ওরে মুসলিম থাম
চল খোদার রাহে, শোন, ডাকিছে ইমাম।
মেখে’ দুনিয়ারই খা, বৃথা রহিলি না-পাক,
চল মসজিদে তুই, শোন মোয়াজ্জিনের ডাক,
তোর জনম যাবে বিফলে যে ভাই এই ইবাদতে বিনা রে।।

এরি লাগি তপস্যা কি করে

বাণী

এরি লাগি তপস্যা কি করে আঁধার রাতি।।
সই দেখলো চেয়ে রূপ-সায়রে জ্বলে এ কোন্ বাতি
লক্ষ চাঁদের জোছনা হেথা কে রেখেছে পাতি’?

নাটক : ‘মধুমালা’ (স্বপনপরীর গান)